| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| পুরো নাম | কিম সু-হিয়ন |
| জন্ম | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮ |
| জন্মস্থান | সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া |
| জাতীয়তা | দক্ষিণ কোরীয় |
| পেশা | অভিনেতা |
| পরিচিতি | কে-ড্রামা তারকা, "মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার", "মুন এমব্রেসিং দ্য সান", "ইটস ওকে টু নট বি ওকে", "কুইন অফ টিয়ার্স" |
| সক্রিয় বছর | ২০০৭-বর্তমান |
| পুরস্কার | বেক্সাং আর্টস অ্যাওয়ার্ডস (৫টি), গ্র্যান্ড বেল অ্যাওয়ার্ডস (২টি), ব্লু ড্রাগন ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড (১টি) |
পরিচিতি
কিম সু-হিয়ন (Kim Soo-hyun) দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি তার অনবদ্য অভিনয় প্রতিভা এবং বহুমুখী চরিত্রের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের মন জয় করেছেন। ১৯৮৮ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সিউলে জন্মগ্রহণকারী এই অভিনেতা বর্তমানে কে-ড্রামা শিল্পের অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত তারকা। তার ক্যারিয়ার জুড়ে তিনি অসংখ্য ব্লকবাস্টার নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে "মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার" (My Love from the Star), "মুন এমব্রেসিং দ্য সান" (Moon Embracing the Sun), "ইটস ওকে টু নট বি ওকে" (It's Okay to Not Be Okay) এবং সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত "কুইন অফ টিয়ার্স" (Queen of Tears) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কিম সু-হিয়ন শুধু দক্ষিণ কোরিয়াতেই নয়, পুরো এশিয়া এবং বিশ্বব্যাপী "হালিয়ু" (Korean Wave) প্রসারে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার অভিনয় দক্ষতা তাকে পাঁচটি বেক্সাং আর্টস অ্যাওয়ার্ড, দুটি গ্র্যান্ড বেল অ্যাওয়ার্ড এবং একটি ব্লু ড্রাগন ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড সহ অসংখ্য সম্মাননা এনে দিয়েছে।

Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
কিম সু-হিয়ন দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তার বাবা কিম চুং-হুন আশির দশকে জনপ্রিয় ব্যান্ড 'সেভেন ডলফিনস'-এর প্রধান গায়ক ছিলেন। শৈশবে কিম সু-হিয়ন অত্যন্ত লাজুক এবং অন্তর্মুখী স্বভাবের ছিলেন। তিনি এতটাই চুপচাপ ছিলেন যে তার মা তাকে অভিনয় ক্লাসে ভর্তি করিয়ে দেন, যাতে তার ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে এবং তিনি মানুষের সাথে মিশতে পারেন। এই সিদ্ধান্তই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। অভিনয়ের জগতে পা রাখার পর তিনি নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেন এবং বুঝতে পারেন যে এটাই তার আসল ক্ষেত্র। মঞ্চে নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পেয়ে তিনি ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন এবং অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা গভীর হয়।
শিক্ষাজীবন
অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ বাড়ার সাথে সাথে কিম সু-হিয়ন তার শিক্ষাজীবনেও এটিকেই প্রাধান্য দেন। তিনি চুং-আং ইউনিভার্সিটিতে (Chung-Ang University) থিয়েটার অ্যান্ড ফিল্ম বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তিনি অভিনয়ের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেন এবং অসংখ্য মঞ্চ নাটকে অংশ নেন। এই সময়ে তিনি তার অভিনয় দক্ষতা আরও শাণিত করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেন। তার একাডেমিক শিক্ষা তাকে অভিনয়ের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় দিক সম্পর্কে গভীর ধারণা দেয়, যা তার পেশাদার ক্যারিয়ারে অত্যন্ত সহায়ক প্রমাণিত হয়।
ক্যারিয়ার
প্রাথমিক পর্যায় ও পরিচিতি
কিম সু-হিয়নের অভিনয় জগতে পদার্পণ ঘটে ২০০৭ সালে সিটকম "কিমচি চিজ স্মাইল" (Kimchi Cheese Smile)-এর মাধ্যমে। যদিও এটি তার প্রথম টেলিভিশন উপস্থিতি ছিল, তবে তার আসল পরিচিতি আসে ২০১১ সালের মিউজিক্যাল ড্রামা "ড্রিম হাই" (Dream High)-এর মাধ্যমে। এই নাটকে তিনি একজন প্রতিভাবান সঙ্গীতশিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তার গায়কী এবং অভিনয় উভয়ই দর্শকদের মুগ্ধ করে।
সফলতার শিখরে
২০১২ সাল ছিল কিম সু-হিয়নের ক্যারিয়ারের এক টার্নিং পয়েন্ট। এই বছর তিনি ঐতিহাসিক ফ্যান্টাসি ড্রামা "মুন এমব্রেসিং দ্য সান" (Moon Embracing the Sun)-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এই নাটকটি দক্ষিণ কোরিয়ায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে এবং সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া ড্রামাগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠে। কিম সু-হিয়ন একজন রাজার চরিত্রে তার শক্তিশালী এবং আবেগপূর্ণ অভিনয়ের জন্য ব্যাপক প্রশংসা পান, যা তাকে 'জাতীয় অভিনেতা'র খেতাব এনে দেয়। এরপর ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত "মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার" তাকে আন্তর্জাতিক তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এই নাটকে তিনি একজন এলিয়েনের চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি পৃথিবীতে আটকা পড়েছেন এবং একজন মানবীর প্রেমে পড়েন। নাটকটি শুধু দক্ষিণ কোরিয়াতেই নয়, চীন, জাপান এবং অন্যান্য এশীয় দেশগুলিতেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে, যা তাকে "হালিয়ু" তারকার মর্যাদায় উন্নীত করে।
চলচ্চিত্রে পদার্পণ
টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি কিম সু-হিয়ন চলচ্চিত্রেও তার ছাপ রেখেছেন। ২০১২ সালে তিনি জনপ্রিয় ক্রাইম থ্রিলার "দ্য থিভস" (The Thieves)-এ অভিনয় করেন, যা দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রগুলোর একটিতে পরিণত হয়। ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার চলচ্চিত্র "সিক্রেটলি, গ্রেটলি" (Secretly, Greatly) বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য লাভ করে এবং তাকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। এই ছবিতে তিনি একজন উত্তর কোরীয় গুপ্তচরের চরিত্রে অভিনয় করে তার বহুমুখী অভিনয় ক্ষমতা প্রদর্শন করেন। ২০১৭ সালে তিনি "রিয়েল" (Real) নামক একটি অ্যাকশন থ্রিলারে অভিনয় করেন, যা তার ক্যারিয়ারের একটি ভিন্ন ধরনের পরীক্ষা ছিল।
সামরিক সেবা ও প্রত্যাবর্তন
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিটি পুরুষের মতো কিম সু-হিয়নও ২০১৭ সালের অক্টোবরে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় যোগদান করেন। প্রায় দুই বছরের সামরিক জীবন শেষে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে তিনি বিনোদন জগতে ফিরে আসেন। তার প্রত্যাবর্তনের পর ২০২০ সালে তিনি "ইটস ওকে টু নট বি ওকে" (It's Okay to Not Be Okay) নাটকে অভিনয় করেন। মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে নির্মিত এই নাটকটি বিশ্বব্যাপী সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায় এবং কিম সু-হিয়নের অভিনয় তাকে আবারও শীর্ষ অভিনেতাদের কাতারে নিয়ে আসে। এরপর তিনি ২০২১ সালে থ্রিলার সিরিজ "ওয়ান অর্ডিনারি ডে" (One Ordinary Day)-তে অভিনয় করেন, যেখানে তিনি একজন সাধারণ কলেজ ছাত্রের চরিত্রে অভিনয় করেন যিনি একটি খুনের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। এই নাটকটি তার অভিনয় জীবনের একটি নতুন দিক উন্মোচন করে।
সাম্প্রতিক কাজ
২০২৪ সালে কিম সু-হিয়ন জনপ্রিয় রোমান্টিক কমেডি ড্রামা "কুইন অফ টিয়ার্স" (Queen of Tears)-এ অভিনয় করেন। এই নাটকে তার হাস্যরসাত্মক এবং আবেগপূর্ণ অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নেয় এবং নাটকটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। এটি তার সামরিক সেবা পরবর্তী ক্যারিয়ারের একটি অন্যতম সফল কাজ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং তাকে আবারও বিশ্বব্যাপী কে-ড্রামা ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
কিম সু-হিয়ন তার অসামান্য অভিনয় প্রতিভার জন্য অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বেক্সাং আর্টস অ্যাওয়ার্ডস: তিনি মোট পাঁচটি বেক্সাং আর্টস অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন, যার মধ্যে "মুন এমব্রেসিং দ্য সান", "মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার" এবং "ইটস ওকে টু নট বি ওকে"-এর জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার রয়েছে।
- গ্র্যান্ড বেল অ্যাওয়ার্ডস: "সিক্রেটলি, গ্রেটলি" চলচ্চিত্রের জন্য তিনি দুটি গ্র্যান্ড বেল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।
- ব্লু ড্রাগন ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড: "সিক্রেটলি, গ্রেটলি"-এর জন্য তিনি একটি ব্লু ড্রাগন ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডও পান।
- সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা: তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন শিল্পের অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা হিসেবে পরিচিত, যা তার জনপ্রিয়তা এবং চাহিদার প্রমাণ।
- হালিয়ু তারকা: "মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার"-এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক 'হালিয়ু' তারকায় পরিণত হন এবং কোরিয়ান সংস্কৃতির বিশ্বব্যাপী প্রসারে অবদান রাখেন।
ব্যক্তিগত জীবন
কিম সু-হিয়ন তার ব্যক্তিগত জীবনকে জনসম্মুখে খুব বেশি প্রকাশ করতে পছন্দ করেন না। তিনি তার কাজ এবং পেশাদারিত্বের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত। ২০১৭ সালে তিনি বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় যোগ দেন এবং ২০১৯ সালে সফলভাবে তার দায়িত্ব পালন শেষে ফিরে আসেন। সামরিক সেবার সময় তিনি তার দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেন এবং একজন মডেল সৈনিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন শান্ত এবং বিনয়ী মানুষ হিসেবে পরিচিত। তার শখের মধ্যে রয়েছে বোলিং খেলা। তিনি একজন দক্ষ বোলার এবং এমনকি পেশাদার বোলিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন। তার বাবা কিম চুং-হুন একজন গায়ক হওয়ায় সঙ্গীতের প্রতিও তার আগ্রহ রয়েছে এবং তিনি "ড্রিম হাই" নাটকে নিজের গান গেয়েছেন।
মজার তথ্য
- শৈশবে কিম সু-হিয়ন এতটাই লাজুক ছিলেন যে তার মা তাকে অভিনয় ক্লাসে ভর্তি করিয়ে দেন যাতে তিনি নিজেকে প্রকাশ করতে পারেন।
- তিনি একজন অত্যন্ত দক্ষ বোলার এবং একসময় পেশাদার বোলার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। এমনকি তিনি পেশাদার বোলিং ট্রাইআউটেও অংশ নিয়েছিলেন।
- তার বাবা কিম চুং-হুন একজন জনপ্রিয় গায়ক ছিলেন, যিনি আশির দশকে 'সেভেন ডলফিনস' ব্যান্ডের প্রধান গায়ক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- 'মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার' নাটকের মাধ্যমে তিনি চীনের বাজারে এতটাই জনপ্রিয়তা লাভ করেন যে তাকে 'কিম প্রফেসর' নামে ডাকা হতো।
- তিনি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মডেল হিসেবেও অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং তার মুখের ছবি ব্যবহার করে তৈরি হওয়া পণ্যগুলো দ্রুত বিক্রি হয়ে যায়।
উপসংহার
কিম সু-হিয়ন শুধু একজন অভিনেতা নন, তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার সাংস্কৃতিক দূত এবং বিশ্বব্যাপী কে-ড্রামা ফেনোমেননের একজন অগ্রদূত। তার ব্যতিক্রমী অভিনয় দক্ষতা, চরিত্র নির্বাচনের বিচক্ষণতা এবং কঠোর পরিশ্রম তাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। লাজুক ছেলে থেকে আন্তর্জাতিক সুপারস্টার হওয়ার তার যাত্রা অনেক তরুণ অভিনেতার জন্য অনুপ্রেরণা। তার ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। ভবিষ্যতে তিনি আরও কী ধরনের কাজ নিয়ে আসবেন, তা দেখার জন্য তার ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। কিম সু-হিয়ন নিঃসন্দেহে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন শিল্পের এক কিংবদন্তী এবং তার প্রভাব আগামী বহু বছর ধরে অনুভূত হবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: কিম সু-হিয়ন কে?
উত্তর: কিম সু-হিয়ন দক্ষিণ কোরিয়ার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং উচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা। তিনি তার বহুমুখী অভিনয় প্রতিভা এবং 'মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার', 'মুন এমব্রেসিং দ্য সান' ও 'কুইন অফ টিয়ার্স'-এর মতো সফল কে-ড্রামায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
প্রশ্ন: কিম সু-হিয়নের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাটক কোনটি?
উত্তর: কিম সু-হিয়নের অনেক জনপ্রিয় নাটক থাকলেও, 'মাই লাভ ফ্রম দ্য স্টার' (My Love from the Star) তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে। এছাড়া, 'মুন এমব্রেসিং দ্য সান' এবং সম্প্রতি 'কুইন অফ টিয়ার্স'-ও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
প্রশ্ন: কিম সু-হিয়ন কি বিবাহিত?
উত্তর: না, কিম সু-হিয়ন এখনও বিবাহিত নন। তিনি তার ব্যক্তিগত জীবনকে জনসম্মুখে খুব বেশি প্রকাশ করতে পছন্দ করেন এবং তার সম্পর্কের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।
প্রশ্ন: কিম সু-হিয়নের জন্ম তারিখ কবে?
উত্তর: কিম সু-হিয়নের জন্ম তারিখ হলো ১৯৮৮ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন: কিম সু-হিয়নের সামরিক সেবা সম্পর্কে জানুন।
উত্তর: কিম সু-হিয়ন ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় যোগদান করেন এবং ২০১৯ সালের জুলাই মাসে সফলভাবে তার দায়িত্ব সম্পন্ন করে ফিরে আসেন। তিনি সামরিক সেবার সময় একজন মডেল সৈনিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
প্রশ্ন: কিম সু-হিয়ন কেন এত জনপ্রিয়?
উত্তর: কিম সু-হিয়ন তার অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা, আবেগপূর্ণ চরিত্র চিত্রণ, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব এবং সফল কাজের ধারাবাহিকতার জন্য জনপ্রিয়। তার নাটকগুলো প্রায়শই আন্তর্জাতিকভাবে সাফল্য লাভ করে, যা তার জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
প্রশ্ন: কিম সু-হিয়ন কি শুধু নাটকে অভিনয় করেন?
উত্তর: না, কিম সু-হিয়ন শুধু নাটকে নয়, চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। 'দ্য থিভস' এবং 'সিক্রেটলি, গ্রেটলি'-এর মতো সফল চলচ্চিত্রে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে, যা তার বহুমুখী অভিনয় ক্ষমতার প্রমাণ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন