Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

তথ্যসারণি

নাম পার্ক জি-মিন (জিমিন)
পেশা সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার, নৃত্যশিল্পী
জাতীয়তা দক্ষিণ কোরীয়
পরিচিতি বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটিএস-এর সদস্য
জন্ম ১৩ অক্টোবর, ১৯৯৫
জন্মস্থান বুসান, দক্ষিণ কোরিয়া
এজেন্সি বিগ হিট এন্টারটেইনমেন্ট (বর্তমানে হাইব এন্টারটেইনমেন্ট)

পরিচিতি

পার্ক জি-মিন, যিনি বিশ্বজুড়ে জিমিন নামেই অধিক পরিচিত, দক্ষিণ কোরিয়ার একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং নৃত্যশিল্পী। তিনি বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী কে-পপ বয় ব্যান্ড বিটিএস-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তার অনন্য কণ্ঠস্বর, মন মুগ্ধ করা নাচ এবং মঞ্চে অসাধারণ উপস্থিতি তাকে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্তের হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে। জিমিন শুধু একজন পারফর্মারই নন, তিনি তার আবেগপূর্ণ গান এবং গভীর লিরিক্সের মাধ্যমে শ্রোতাদের সাথে এক বিশেষ সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম। তার শৈল্পিক দক্ষতা এবং চারিত্রিক মাধুর্য তাকে আধুনিক সঙ্গীত জগতের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

Jimin

Photo: Wikimedia Commons
View Source

প্রারম্ভিক জীবন

জিমিন ১৯৯৫ সালের ১৩ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে শিল্পকলার প্রতি গভীর আগ্রহ দেখা যায়। তিনি বুসানের হোয়াদং প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ইওনসান মধ্য বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তার পরিবারে মা, বাবা এবং এক ছোট ভাই রয়েছে। জিমিনের শৈশবকাল থেকেই নাচ এবং সঙ্গীতের প্রতি তার আকর্ষণ ছিল অদম্য। তিনি বিভিন্ন ধরনের নাচ, বিশেষ করে আধুনিক নৃত্যের প্রতি বিশেষ অনুরাগী ছিলেন এবং এই ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা বিকাশে প্রচুর সময় ব্যয় করেন। তার এই প্রাথমিক আগ্রহই তাকে পরবর্তীতে কে-পপ জগতে নিয়ে আসে।

শিক্ষাজীবন

জিমিন তার শিক্ষাজীবনে শিল্পকলার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেন। তিনি বুসান হাই স্কুল অফ আর্টস-এ আধুনিক নৃত্যের উপর পড়াশোনা করেন, যেখানে তিনি তার নাচের দক্ষতা আরও শাণিত করেন। তার শিক্ষকরা তার প্রতিভা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন এবং তাকে একজন ব্যতিক্রমী নৃত্যশিল্পী হিসেবে প্রশংসা করতেন। পরবর্তীতে, তিনি সিউলে স্থানান্তরিত হন এবং কোরিয়া আর্টস হাই স্কুলে ভর্তি হন, যেখান থেকে তিনি ২০১৪ সালে স্নাতক হন। এই সময়েই তিনি বিগ হিট এন্টারটেইনমেন্টে যোগ দেন এবং একজন কে-পপ আইডল হিসেবে প্রশিক্ষিত হতে শুরু করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি গ্লোবাল সাইবার ইউনিভার্সিটিতে ব্রডকাস্টিং অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট বিষয়ে অধ্যয়ন করেন, যা তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচায়ক।

ক্যারিয়ার

বিটিএস-এর সাথে আত্মপ্রকাশ

জিমিনের সঙ্গীত ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৩ জুন, যখন তিনি বিগ হিট এন্টারটেইনমেন্টের অধীনে বিটিএস ব্যান্ডের সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট এবং প্রধান নৃত্যশিল্পী হিসেবে জিমিন দ্রুতই তার প্রতিভা প্রমাণ করেন। তাদের প্রথম অ্যালবাম ২ Cool 4 Skool-এর টাইটেল ট্র্যাক “No More Dream” দিয়ে তারা কে-পপ জগতে পা রাখেন। বিটিএস প্রাথমিকভাবে হিপ-হপ প্রভাবিত সঙ্গীত দিয়ে শুরু করলেও, সময়ের সাথে সাথে তাদের সঙ্গীত শৈলীতে বৈচিত্র্য আসে এবং তারা বিশ্বজুড়ে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে। জিমিনের সুমধুর কণ্ঠস্বর এবং শক্তিশালী, আবেগপূর্ণ নাচ বিটিএস-এর মঞ্চ পরিবেশনায় এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

একক কাজ ও সাফল্য

বিটিএস-এর সদস্য হিসেবে জিমিন বেশ কয়েকটি সফল একক ট্র্যাক প্রকাশ করেছেন। ২০১৬ সালে বিটিএস-এর উইংস (Wings) অ্যালবামে তার একক গান “Lie” মুক্তি পায়, যা তার কণ্ঠের পরিসীমা এবং আবেগপূর্ণ উপস্থাপনার জন্য প্রশংসিত হয়। ২০১৭ সালে লাভ ইওরসেলফ: হার (Love Yourself: Her) অ্যালবামের ইন্ট্রো ট্র্যাক হিসেবে “Serendipity” প্রকাশিত হয়, যা তার মিষ্টি কণ্ঠ এবং কাব্যিক লিরিক্সের জন্য সমাদৃত হয়। এই গানটি পরে লাভ ইওরসেলফ: অ্যান্সার (Love Yourself: Answer) অ্যালবামে পূর্ণ দৈর্ঘ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২০ সালে ম্যাপ অফ দ্য সোল: ৭ (Map of the Soul: 7) অ্যালবামে তার তৃতীয় একক গান “Filter” মুক্তি পায়, যা তার বহুমুখী গায়কী এবং আকর্ষণীয় পারফরম্যান্সের জন্য দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই তিনটি গানই দক্ষিণ কোরিয়ার গাওন ডিজিটাল চার্টে উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে এবং বিশ্বব্যাপী শ্রোতাদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।

সলো অ্যালবাম: FACE

২০২৩ সালে জিমিন তার বহু প্রতীক্ষিত প্রথম আনুষ্ঠানিক একক অ্যালবাম FACE প্রকাশ করেন। এই অ্যালবামটি তার ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরেছে। FACE-এর লিড সিঙ্গেল “Set Me Free Pt.2” এবং “Like Crazy” বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাফল্য পায়। “Like Crazy” গানটি বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে শীর্ষস্থান অর্জন করে, যা তাকে এই কৃতিত্ব অর্জনকারী প্রথম দক্ষিণ কোরীয় একক শিল্পী হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়। অ্যালবামটি মুক্তির প্রথম দিনেই রেকর্ড সংখ্যক বিক্রি হয় এবং বাণিজ্যিক ও সমালোচনামূলক উভয় দিক থেকেই ব্যাপক প্রশংসা লাভ করে, যা জিমিনের বিশ্বব্যাপী প্রভাবকে আরও সুসংহত করে।

অন্যান্য সঙ্গীত প্রকল্প

বিটিএস এবং তার একক কাজের বাইরেও জিমিন অন্যান্য সঙ্গীত প্রকল্পে জড়িত ছিলেন। ২০২২ সালে তিনি সাউথ কোরিয়ান ড্রামা আওয়ার ব্লুজ (Our Blues)-এর জন্য হাশং উন-এর সাথে “With You” শিরোনামে একটি অরিজিনাল সাউন্ডট্র্যাক (OST) গেয়েছেন। এই গানটিও ব্যাপক সাফল্য লাভ করে এবং চার্টে শীর্ষস্থান অর্জন করে, যা তার বহুমুখী প্রতিভা এবং সঙ্গীত জগতের প্রতি তার গভীর প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা: বিটিএস-এর সদস্য হিসেবে জিমিন অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং স্বীকৃতি লাভ করেছেন, যার মধ্যে বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস, আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস এবং গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের মনোনয়ন উল্লেখযোগ্য।
  • চার্ট সাফল্য: তার একক ট্র্যাক “Lie”, “Serendipity” এবং “Filter” দক্ষিণ কোরিয়ার গাওন ডিজিটাল চার্টে সফলভাবে স্থান করে নেয়।
  • বিলবোর্ড হট ১০০-এ শীর্ষস্থান: তার একক অ্যালবাম FACE-এর গান “Like Crazy” বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে ১ নম্বরে পৌঁছেছিল, যা তাকে এই মাইলফলক অর্জনকারী প্রথম দক্ষিণ কোরীয় একক শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
  • রেকর্ড ভাঙা বিক্রি: FACE অ্যালবামটি মুক্তির প্রথম দিনেই রেকর্ড সংখ্যক কপি বিক্রি হয়, যা তার একক শিল্পীরূপে জনপ্রিয়তার প্রমাণ।
  • সাংস্কৃতিক প্রভাব: জিমিন তার স্টাইল, ফ্যাশন এবং নাচের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তরুণদের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছেন। তাকে প্রায়শই ‘কিং অফ কে-পপ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
  • মানবতাবাদের প্রতি অবদান: তিনি বিভিন্ন দাতব্য কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন এবং শিক্ষা ও শিল্পকলার উন্নয়নে উদারভাবে অনুদান দিয়েছেন।
  • রাষ্ট্রীয় সম্মাননা: ২০১৮ সালে বিটিএস-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে জিমিন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি কর্তৃক 'অর্ডার অফ কালচারাল মেরিট' পদকে ভূষিত হন, যা দেশের সংস্কৃতি ও শিল্পের প্রতি তাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি।

ব্যক্তিগত জীবন

জিমিন তার বিনয়ী, দয়ালু এবং পরিশ্রমী স্বভাবের জন্য পরিচিত। ভক্তদের (যাদের আর্মি বলা হয়) প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ প্রায়শই প্রকাশ পায়। তিনি তার ব্যক্তিগত জীবনকে জনসমক্ষে খুব বেশি আনেন না, তবে তার সহকর্মী বিটিএস সদস্যদের সাথে তার গভীর বন্ধুত্ব এবং বন্ধন সুপরিচিত। জিমিন প্রায়শই তার আবেগ এবং সংগ্রাম সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেন, যা তার ভক্তদের সাথে তাকে আরও বেশি সংযুক্ত করে। তিনি তার মানসিক স্বাস্থ্য এবং আত্ম-উন্নয়নের গুরুত্ব সম্পর্কেও সচেতন এবং এই বিষয়ে ভক্তদের অনুপ্রাণিত করেন। তিনি তার সঙ্গীত এবং পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পছন্দ করেন, যা তাকে একজন খাঁটি শিল্পী হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।

মজার তথ্য

  • জিমিন তার মঞ্চের নাম 'বেবি জি' বা 'কিড জি' রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার আসল নাম ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন।
  • তার ডাকনামগুলির মধ্যে একটি হলো 'মোচি', যা তার নরম গাল এবং মিষ্টি ব্যক্তিত্বের জন্য ভক্তরা দিয়েছিলেন।
  • জিমিন আধুনিক নৃত্যে প্রশিক্ষিত এবং তার পারফরম্যান্সে প্রায়শই এই শৈলীর প্রভাব দেখা যায়।
  • তিনি একজন পারফেকশনিস্ট হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিটি পারফরম্যান্সকে নিখুঁত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন।
  • বিটিএস-এর সদস্যরা প্রায়শই তাকে ব্যান্ডের 'কেয়ারটেকার' বা 'মা' হিসেবে উল্লেখ করেন, কারণ তিনি তাদের যত্ন নেন।
  • জিমিন তার ফ্যাশন সেন্সের জন্যও পরিচিত এবং তাকে প্রায়শই বিভিন্ন ফ্যাশন ম্যাগাজিনের কভারে দেখা যায়।
  • তার প্রিয় রঙ নীল এবং কালো।

উপসংহার

জিমিন কেবল একজন কে-পপ আইডল নন, তিনি একজন বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক আইকন যিনি তার সঙ্গীত, নাচ এবং ব্যক্তিত্ব দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তার কঠোর পরিশ্রম, প্রতিভা এবং ভক্তদের প্রতি অবিচল ভালোবাসা তাকে বিশ্বজুড়ে এক অনন্য স্থান দিয়েছে। বিটিএস-এর একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে এবং একজন সফল একক শিল্পী হিসেবে, জিমিন সঙ্গীত জগতে তার প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন। তার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিঃসন্দেহে আরও অনেক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করবে এবং তিনি তার শিল্পকলার মাধ্যমে বিশ্বকে মুগ্ধ করে যাবেন। জিমিনের যাত্রা প্রমাণ করে যে স্বপ্ন, নিষ্ঠা এবং আবেগ থাকলে যেকোনো বাধাকে অতিক্রম করা সম্ভব।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: জিমিনের আসল নাম কি?

উত্তর: জিমিনের আসল নাম হলো পার্ক জি-মিন (Park Ji-min)। তিনি তার মঞ্চের নাম জিমিন নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

প্রশ্ন: জিমিন কোন ব্যান্ডের সদস্য?

উত্তর: জিমিন দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত কে-পপ বয় ব্যান্ড বিটিএস (BTS)-এর একজন সদস্য। তিনি ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট এবং প্রধান নৃত্যশিল্পী।

প্রশ্ন: জিমিনের জন্ম কবে?

উত্তর: জিমিনের জন্ম ১৯৯৫ সালের ১৩ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে। তিনি তুলা রাশির জাতক।

প্রশ্ন: জিমিনের কিছু একক গান কি কি?

উত্তর: জিমিনের জনপ্রিয় একক গানের মধ্যে রয়েছে “Lie”, “Serendipity” এবং “Filter”। ২০২৩ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম FACE মুক্তি পায়, যার প্রধান গান হলো “Like Crazy”।

প্রশ্ন: জিমিনের প্রথম একক অ্যালবাম কোনটি?

উত্তর: জিমিনের প্রথম আনুষ্ঠানিক একক অ্যালবাম হলো FACE, যা ২০২৩ সালে মুক্তি পায়। এই অ্যালবামটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বাণিজ্যিক সাফল্য লাভ করে।

প্রশ্ন: জিমিন কেন এত জনপ্রিয়?

উত্তর: জিমিন তার অনন্য কণ্ঠস্বর, শক্তিশালী এবং আবেগপূর্ণ নাচ, মঞ্চে অসাধারণ উপস্থিতি এবং বিনয়ী ব্যক্তিত্বের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। তার সঙ্গীত এবং পারফরম্যান্স ভক্তদের সাথে গভীর সংযোগ স্থাপন করে।

প্রশ্ন: জিমিনের ডাকনাম কি?

উত্তর: জিমিনের অনেক ডাকনাম আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো 'মোচি'। তার নরম গাল এবং মিষ্টি স্বভাবের কারণে ভক্তরা তাকে এই নামে ডাকে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]