Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

তথ্যসারণি

তথ্য বিবরণ
পূর্ণ নাম জওহরলাল নেহেরু
জন্ম ১৪ নভেম্বর ১৮৮৯
জন্মস্থান এলাহাবাদ, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান প্রয়াগরাজ, উত্তরপ্রদেশ)
মৃত্যু ২৭ মে ১৯৬৪
পেশা রাজনীতিবিদ, লেখক, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী
রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
স্ত্রী কমলা নেহেরু
সন্তান ইন্দিরা গান্ধী
উল্লেখযোগ্য বই লেটারস ফ্রম আ ফাদার টু হিজ ডটার, অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, দ্য ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া
পরিচিতি আধুনিক ভারতের স্থপতি, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী

পরিচিতি

জওহরলাল নেহেরু (১৪ নভেম্বর ১৮৮৯ – ২৭ মে ১৯৬৪) ছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং এক দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, যিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে এই গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তিনি ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। আধুনিক ভারতের ভিত্তি স্থাপন, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, ধর্মনিরপেক্ষতার প্রসার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন, যা ভারতকে স্নায়ুযুদ্ধের দুই পরাশক্তির প্রভাব থেকে দূরে রেখে একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে সাহায্য করেছিল। একজন প্রতিভাবান লেখক হিসেবেও তিনি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত, যার লেখা বইগুলো আজও পাঠকপ্রিয়।

Jawaharlal Nehru

Photo: Wikimedia Commons
View Source

প্রারম্ভিক জীবন

জওহরলাল নেহেরু ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর ব্রিটিশ ভারতের এলাহাবাদে (বর্তমানে প্রয়াগরাজ) এক সম্ভ্রান্ত কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মতিলাল নেহেরু ছিলেন একজন স্বনামধন্য আইনজীবী, জাতীয়তাবাদী নেতা এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন প্রভাবশালী সদস্য। নেহেরুর শৈশব ছিল অত্যন্ত বিলাসবহুল, যেখানে তিনি ব্যক্তিগত শিক্ষক ও গৃহশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষা লাভ করেন। তার পরিবারে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবেশ ছিল প্রবল, যা তাকে ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেম ও সামাজিক চেতনার প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে। তার মা স্বরূপ রানী নেহেরু ছিলেন একজন শান্ত ও ধর্মপ্রাণ মহিলা, যিনি নেহেরুর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। এই প্রারম্ভিক জীবনই তাকে ভবিষ্যতের একজন মহান নেতা হিসেবে গড়ে ওঠার পথ প্রশস্ত করে।

শিক্ষাজীবন

নেহেরুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় এলাহাবাদে ব্যক্তিগত শিক্ষকদের কাছে। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। তিনি প্রথমে হ্যারো স্কুলে পড়াশোনা করেন, যা ছিল ইংল্যান্ডের অন্যতম বিখ্যাত পাবলিক স্কুল। হ্যারোর পর তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজে ভর্তি হন, যেখানে তিনি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান নিয়ে অধ্যয়ন করেন। কেমব্রিজে তার পড়াশোনার বিষয় ছিল রসায়ন, ভূতত্ত্ব এবং উদ্ভিদবিদ্যা। ১৯১০ সালে তিনি কেমব্রিজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি লন্ডনের ইনার টেম্পলে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং ১৯১২ সালে ব্যারিস্টার হিসেবে আইন পেশায় যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেন। এই সময়ে তিনি ব্রিটিশ রাজনৈতিক ও সামাজিক চিন্তাধারার সংস্পর্শে আসেন, যা তার রাজনৈতিক দর্শনে গভীর প্রভাব ফেলে।

ক্যারিয়ার

১৯১২ সালে ভারত প্রত্যাবর্তনের পর জওহরলাল নেহেরু এলাহাবাদ হাইকোর্টে আইন পেশা শুরু করেন, কিন্তু তার মন ছিল দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে। ১৯১৬ সালে মহাত্মা গান্ধীর সাথে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়, যা তার জীবনকে সম্পূর্ণ নতুন দিকে চালিত করে। তিনি দ্রুতই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং অসহযোগ আন্দোলন, আইন অমান্য আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯২৯ সালে লাহোর অধিবেশনে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং 'পূর্ণ স্বরাজ' বা সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি উত্থাপন করেন, যা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে, এবং এই কারাবাসের দিনগুলোতেই তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থগুলো রচনা করেন। ১৯৪৬ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলে তিনি তার প্রধান হন। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হলে তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের শাসনামলে তিনি আধুনিক ভারতের ভিত্তি স্থাপন করেন। তিনি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জোর দেন, ভারী শিল্প স্থাপন করেন এবং কৃষি ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে বিনিয়োগ করেন। তার নেতৃত্বে ভারত একটি মিশ্র অর্থনীতি গ্রহণ করে, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সহাবস্থান ছিল।

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নেহেরু জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রবক্তা ছিলেন। তিনি স্নায়ুযুদ্ধের সময় কোনো পরাশক্তির জোটে যোগ না দিয়ে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন, যা এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক নবগঠিত দেশকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তার পররাষ্ট্রনীতি 'পঞ্চশীল' নীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল, যা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং অ-হস্তক্ষেপের উপর জোর দিত। নেহেরু ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা, যিনি গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনাকে ভারতের মূল স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী: ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার পর তিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং আধুনিক ভারতের ভিত্তি স্থাপন করেন।
  • গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতিষ্ঠা: তিনি ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে সুদৃঢ় করেন, যা বহুত্ববাদী ভারতের পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
  • অর্থনৈতিক পরিকল্পনা: পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ভারতের পরিকল্পিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের সূচনা করেন, যার ফলে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়।
  • জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান স্থপতি হিসেবে তিনি ভারতকে স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাব থেকে দূরে রেখে একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণে নেতৃত্ব দেন।
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ: তিনি ভারতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণাকে উৎসাহিত করেন এবং আইআইটি (IIT) ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
  • সাহিত্যকর্ম: লেটারস ফ্রম আ ফাদার টু হিজ ডটার, অ্যান অটোবায়োগ্রাফি এবং দ্য ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া-এর মতো কালজয়ী গ্রন্থ রচনা করেন, যা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
  • শান্তি ও বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব: বিশ্বশান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একজন দৃঢ় প্রবক্তা ছিলেন, যা তার পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ছিল।

ব্যক্তিগত জীবন

জওহরলাল নেহেরু ১৯১৬ সালে কমলা কৌলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একমাত্র কন্যা ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী, যিনি পরবর্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। নেহেরুর রাজনৈতিক কর্মব্যস্ততা এবং কারাবাসের কারণে তার ব্যক্তিগত জীবন অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। তার স্ত্রী কমলা নেহেরু দীর্ঘ অসুস্থতার পর ১৯৩৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন, যা নেহেরুর জীবনে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করে। ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি তার গভীর স্নেহ ও ভালোবাসা তার লেখা লেটারস ফ্রম আ ফাদার টু হিজ ডটার বইটিতে স্পষ্ট। তিনি একজন অত্যন্ত সংবেদনশীল ও চিন্তাশীল ব্যক্তি ছিলেন, যিনি পড়ালেখা, লেখালেখি এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ রাখতেন। তার ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আদর্শ ও মূল্যবোধকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন।

মজার তথ্য

  • জওহরলাল নেহেরু শিশুদের কাছে 'চাচা নেহেরু' নামে পরিচিত ছিলেন এবং তার জন্মদিন ১৪ নভেম্বর ভারতে 'শিশু দিবস' (বাল দিবস) হিসেবে পালিত হয়।
  • নেহেরুর পোশাকের একটি বিশেষ ধরন ছিল, যা 'নেহেরু জ্যাকেট' নামে পরিচিতি লাভ করে। তিনি প্রায়শই তার জ্যাকেটের বোতামের ছিদ্রে একটি লাল গোলাপ পরতেন।
  • তিনি একজন অসাধারণ লেখক ছিলেন এবং কারাবাসের সময়ও প্রচুর লেখালেখি করেছেন। তার লেখা বইগুলো কেবল রাজনৈতিক দলিলই নয়, সাহিত্যেরও উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
  • নেহেরু ছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একজন প্রবল অনুরাগী। তিনি মনে করতেন, বিজ্ঞানই পারে ভারতকে আধুনিকতার পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
  • তিনি আধুনিক ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হলেও, তার প্রথম প্রধানমন্ত্রীত্বের প্রস্তাবটি মহাত্মা গান্ধীই দিয়েছিলেন, যা তার প্রতি গান্ধীর অগাধ বিশ্বাসের প্রতিফলন।

উপসংহার

জওহরলাল নেহেরু ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক এবং আধুনিক ভারতের অন্যতম স্থপতি। তার নেতৃত্ব ভারতকে ঔপনিবেশিকতার শেকল থেকে মুক্ত করে একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ জাতি হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে তিনি ভারতের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। তার চিন্তাভাবনা ও আদর্শ আজও ভারতের রাজনীতি ও সমাজে গভীরভাবে প্রোথিত। নেহেরু কেবল একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন চিন্তাবিদ, লেখক এবং একজন মানবতাবাদী, যার জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তার উত্তরাধিকার ভারতের গণতন্ত্রের প্রাণবন্ততা এবং বিশ্বশান্তির প্রতি তার অঙ্গীকারের মধ্যে আজও বেঁচে আছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: জওহরলাল নেহেরু কে ছিলেন?

উত্তর: জওহরলাল নেহেরু ছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। তিনি একজন প্রধান জাতীয়তাবাদী নেতা, দূরদর্শী রাজনীতিবিদ এবং আধুনিক ভারতের স্থপতি হিসেবে পরিচিত।

প্রশ্ন: জওহরলাল নেহেরু কখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন?

উত্তর: জওহরলাল নেহেরু ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হওয়ার পর দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি আমৃত্যু, অর্থাৎ ১৯৬৪ সালের ২৭ মে পর্যন্ত এই পদে বহাল ছিলেন।

প্রশ্ন: আধুনিক ভারতের নির্মাণে নেহেরুর ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর: নেহেরু ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক মডেলের ভিত্তি স্থাপন করেন। তিনি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রশ্ন: নেহেরু কোন বিখ্যাত বইগুলো লিখেছেন?

উত্তর: নেহেরুর উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে লেটারস ফ্রম আ ফাদার টু হিজ ডটার, অ্যান অটোবায়োগ্রাফি এবং দ্য ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া। এই বইগুলো তার রাজনৈতিক ও দার্শনিক চিন্তাভাবনার প্রতিফলন।

প্রশ্ন: জওহরলাল নেহেরুকে 'চাচা নেহেরু' বলা হয় কেন?

উত্তর: জওহরলাল নেহেরু শিশুদের খুব ভালোবাসতেন এবং শিশুরা তাকে আদর করে 'চাচা নেহেরু' বলে ডাকত। তার জন্মদিন ১৪ নভেম্বর ভারতে 'শিশু দিবস' হিসেবে পালিত হয়।

প্রশ্ন: নেহেরুর পররাষ্ট্রনীতি কী নামে পরিচিত?

উত্তর: নেহেরুর পররাষ্ট্রনীতি 'জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন' (Non-Aligned Movement) নামে পরিচিত। এই নীতির মাধ্যমে ভারত স্নায়ুযুদ্ধের সময় কোনো পরাশক্তির জোটে যোগ না দিয়ে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]