Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

তথ্যসারণি

পূর্ণ নাম ব্ল্যাকপিঙ্ক (BLACKPINK)
সদস্যবৃন্দ জিসু (Jisoo), জেনি (Jennie), রোজে (Rosé), লিসা (Lisa)
উৎপত্তি সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া
ধরন কে-পপ, হিপ হপ, ইডিএম, পপ
সক্রিয় বছর ২০১৬ – বর্তমান
এজেন্সি ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট (YG Entertainment)
উল্লেখযোগ্য বিশ্বের বৃহত্তম গার্ল গ্রুপ, গ্লোবাল আইকন, "গার্ল ক্রাশ" ধারণার অগ্রদূত

পরিচিতি

ব্ল্যাকপিঙ্ক, দক্ষিণ কোরিয়ার ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট কর্তৃক গঠিত একটি বিশ্বখ্যাত কে-পপ গার্ল গ্রুপ, বিশ্বব্যাপী সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয়ে নিজেদের এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। জিসু, জেনি, রোজে এবং লিসা — এই চার প্রতিভাবান সদস্য নিয়ে গঠিত এই গ্রুপটি ২০১৬ সালে আত্মপ্রকাশ করে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঝড় তোলে। তাদের সঙ্গীত, ফ্যাশন এবং শক্তিশালী মঞ্চ পরিবেশনার মাধ্যমে ব্ল্যাকপিঙ্ক কেবল দক্ষিণ কোরিয়াতেই নয়, পুরো বিশ্বজুড়ে এক সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটিয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম তাদের "বিশ্বের বৃহত্তম গার্ল গ্রুপ" হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যা তাদের অসামান্য জনপ্রিয়তা ও প্রভাবের পরিচায়ক।

BLACKPINK

Photo: Wikimedia Commons
View Source

ব্ল্যাকপিঙ্ক কোরিয়ান ওয়েভের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত এবং কে-পপ জগতে "গার্ল ক্রাশ" ধারণার এক শক্তিশালী প্রতীক। এই ধারণাটি আত্মবিশ্বাস, নারী শক্তি এবং স্বাধীনচেতা মনোভাবকে তুলে ধরে, যা ব্ল্যাকপিঙ্কের গানের মূল বার্তা। তাদের গানগুলোতে প্রায়শই শক্তিশালী বীট, আকর্ষণীয় সুর এবং আত্মবিশ্বাসী লিরিক্সের সমন্বয় দেখা যায়, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তারা কেবল সঙ্গীতশিল্পীই নন, ফ্যাশন আইকন এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও তারা পরিচিত।

প্রারম্ভিক জীবন

ব্ল্যাকপিঙ্কের গঠনের মূলে রয়েছে ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া। জিসু, জেনি, রোজে এবং লিসা, প্রত্যেকেই তাদের নিজ নিজ দেশ থেকে নির্বাচিত হয়ে ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টে যোগ দেন এবং বহু বছর ধরে কঠোর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এই প্রশিক্ষণের মধ্যে ছিল গান গাওয়া, নাচ, র‍্যাপ এবং বিভিন্ন বিদেশি ভাষা শেখা। জেনি দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মগ্রহণ করলেও নিউজিল্যান্ডে বেড়ে ওঠেন, রোজে নিউজিল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করে অস্ট্রেলিয়ায় বড় হন, লিসা থাইল্যান্ডের নাগরিক এবং জিসু দক্ষিণ কোরিয়ার। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ পটভূমি তাদের গ্রুপকে একটি আন্তর্জাতিক মাত্রা দিয়েছে।

দীর্ঘ প্রস্তুতির পর, ২০১৬ সালের ২৯ জুন ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়। তাদের আত্মপ্রকাশের আগে থেকেই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ছিল, কারণ ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট প্রায় সাত বছর পর একটি নতুন গার্ল গ্রুপ আত্মপ্রকাশ করাচ্ছিল। তাদের প্রারম্ভিক যাত্রা ছিল কঠোর পরিশ্রম, শেখা এবং নিজেদেরকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরার এক অবিরাম প্রচেষ্টা।

ক্যারিয়ার

২০১৬ সালের ৮ আগস্ট ব্ল্যাকপিঙ্ক তাদের প্রথম সিঙ্গেল অ্যালবাম Square One প্রকাশ করে, যার মধ্যে "Whistle" এবং "Boombayah" গান দুটি ছিল। এই গান দুটি প্রকাশের সাথে সাথেই দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গীত চার্টে শীর্ষস্থান দখল করে এবং আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যাপক সাড়া ফেলে। "Whistle" গানটি কোরিয়ার গাওন ডিজিটাল চার্টে প্রথম স্থান অর্জন করে, যা একটি ডেবিউ গ্রুপের জন্য ছিল এক বিশাল সাফল্য।

এরপর তারা Square Two অ্যালবাম প্রকাশ করে "Playing with Fire" এবং "Stay" গানগুলো নিয়ে, যা তাদের জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ২০১৭ সালে তাদের সিঙ্গেল "As If It's Your Last" আন্তর্জাতিকভাবে আরও পরিচিতি লাভ করে এবং বিলবোর্ড ওয়ার্ল্ড ডিজিটাল সংস চার্টে ১ নম্বর স্থানে পৌঁছায়।

২০১৮ সাল ছিল ব্ল্যাকপিঙ্কের ক্যারিয়ারের এক টার্নিং পয়েন্ট। তাদের প্রথম ই.পি. (এক্সটেন্ডেড প্লে) Square Up এবং এর টাইটেল ট্র্যাক "DDU-DU DDU-DU" বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। এই গানটির মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে দ্রুততম সময়ে ১০০ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করে কে-পপ গার্ল গ্রুপের জন্য নতুন রেকর্ড স্থাপন করে। এটি বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে ৫৫ নম্বর স্থানে পৌঁছে এবং বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ৪০ নম্বর স্থানে জায়গা করে নেয়, যা সেই সময়ে একটি কে-পপ গার্ল গ্রুপের জন্য সর্বোচ্চ স্থান ছিল।

২০১৯ সালে তারা Kill This Love ই.পি. প্রকাশ করে, যা তাদের বিশ্বব্যাপী খ্যাতিকে আরও মজবুত করে। একই বছর তারা কোচেলা ভ্যালি মিউজিক অ্যান্ড আর্টস ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করে প্রথম কে-পॉप গার্ল গ্রুপ হিসেবে ইতিহাস তৈরি করে। তাদের পারফরম্যান্স ছিল সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত এবং ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি করে।

২০২০ সালে ব্ল্যাকপিঙ্ক তাদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম The Album প্রকাশ করে, যেখানে সেলেনা গোমেজ এবং লেডি গাগার মতো আন্তর্জাতিক তারকাদের সাথে কোলাবোরেশন ছিল। "How You Like That," "Ice Cream" (সেলেনা গোমেজের সাথে) এবং "Lovesick Girls" গানগুলো বিশ্বজুড়ে চার্ট টপার হয়। The Album বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ২ নম্বর স্থানে পৌঁছে এবং ইউকে অ্যালবাম চার্টেও ২ নম্বর স্থানে ছিল, যা কে-পপ গার্ল গ্রুপের জন্য সর্বোচ্চ স্থান।

২০২২ সালে তাদের দ্বিতীয় পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম Born Pink প্রকাশিত হয়, যা বিলবোর্ড ২০০ এবং ইউকে অ্যালবাম চার্ট উভয় স্থানেই ১ নম্বর স্থান অধিকার করে, যা তাদের আন্তর্জাতিক সাফল্যের নতুন মাইলফলক স্থাপন করে। এই অ্যালবাম থেকে "Pink Venom" এবং "Shut Down" গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। Born Pink World Tour বিশ্বের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি কে-পপ গার্ল গ্রুপের সবচেয়ে সফল কনসার্ট ট্যুরগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ব্ল্যাকপিঙ্ক তাদের সঙ্গীত ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ফ্যাশন জগতেও এক প্রভাবশালী নাম। প্রতিটি সদস্যই বিভিন্ন বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেন, যেমন শ্যানেল, ডিয়র, সেলিন এবং ইভেস সেন্ট লরেন্ত। তাদের স্টাইল এবং ফ্যাশন সেন্স বিশ্বজুড়ে তরুণদের অনুপ্রাণিত করে।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • বিশ্বের বৃহত্তম গার্ল গ্রুপ: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং বিলবোর্ড চার্টে তাদের ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে ব্ল্যাকপিঙ্ককে প্রায়শই বিশ্বের বৃহত্তম গার্ল গ্রুপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
  • ইউটিউব রেকর্ড: তারা ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইব করা সঙ্গীতশিল্পী এবং ইউটিউবে একাধিক মিউজিক ভিডিওর জন্য দ্রুততম সময়ে ১০০ মিলিয়ন, ২০০ মিলিয়ন এবং ১ বিলিয়ন ভিউ অর্জনের রেকর্ডধারী।
  • গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস: ব্ল্যাকপিঙ্ক একাধিক গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভেঙেছে, যার মধ্যে রয়েছে ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইব করা মিউজিক গ্রুপ, সবচেয়ে বেশি দেখা কে-পপ গ্রুপ মিউজিক ভিডিও ("DDU-DU DDU-DU"), এবং কোচেলায় পারফর্ম করা প্রথম কে-পপ গার্ল গ্রুপ।
  • চার্ট সাফল্য: বিলবোর্ড হট ১০০ এবং বিলবোর্ড ২০০ চার্টে একাধিক শীর্ষ ১০-এ স্থান অর্জনকারী কে-পপ গার্ল গ্রুপ। তাদের অ্যালবাম Born Pink বিলবোর্ড ২০০ এবং ইউকে অ্যালবাম চার্ট উভয় স্থানেই ১ নম্বর স্থানে পৌঁছেছিল।
  • কোচেলায় পারফরম্যান্স: ২০১৯ এবং ২০২৩ সালে কোচেলা ভ্যালি মিউজিক অ্যান্ড আর্টস ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করে তারা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, যেখানে তারা প্রধান শিল্পী (হেডলাইনার) হিসেবেও পারফর্ম করেছে।
  • আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশন: দুয়া লিপা, সেলেনা গোমেজ এবং লেডি গাগার মতো আন্তর্জাতিক তারকাদের সাথে সফল কোলাবোরেশন তাদের বিশ্বব্যাপী পরিচিতি আরও বাড়িয়েছে।
  • ফ্যাশন আইকন: প্রতিটি সদস্যই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেন, যা তাদের ফ্যাশন প্রভাবের প্রমাণ।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্যরা তাদের ব্যক্তিগত জীবনকে জনসম্মুখে খুব বেশি প্রকাশ করেন না, তবে তাদের মধ্যেকার গভীর বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক সমর্থন প্রায়শই ভক্তদের নজরে আসে। তারা একে অপরকে পরিবারের সদস্যের মতো মনে করেন এবং তাদের এই বন্ধন তাদের স্টেজ পারফরম্যান্স এবং অফ-স্টেজ ইন্টারঅ্যাকশনে স্পষ্ট। সদস্যরা তাদের কঠোর প্রশিক্ষণ এবং বিশ্বব্যাপী ভ্রমণের সময় একে অপরের প্রতি নির্ভর করেন, যা তাদের গ্রুপকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

প্রত্যেক সদস্যেরই নিজস্ব ব্যক্তিগত আগ্রহ এবং শখ রয়েছে। জিসু অভিনয় এবং মডেলিংয়ে জড়িত, জেনি একজন ফ্যাশন আইকন এবং র‍্যাপার হিসেবে পরিচিত, রোজে তার কণ্ঠের জন্য প্রশংসিত এবং লিসা তার নাচের দক্ষতা এবং ফ্যাশন সেন্সের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তারা তাদের কাজের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত এবং তাদের ভক্তদের "ব্লিঙ্কস" (BLINKS) এর প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রায়শই প্রকাশ করেন। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পেশাদারিত্ব এবং গোপনীয়তার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখে, যা তাদের তারকাখ্যাতির সাথে মানানসই।

মজার তথ্য

  • ব্ল্যাকপিঙ্ক নামটি দুটি বিপরীত ধারণাকে একত্রিত করে - "ব্ল্যাক" সৌন্দর্য, শক্তি এবং তীব্রতা নির্দেশ করে, আর "পিঙ্ক" নারীত্ব এবং কমনীয়তা বোঝায়। এর অর্থ হলো তারা কেবল সুন্দরই নয়, বরং প্রতিভাবান এবং শক্তিশালীও।
  • গ্রুপের প্রতিটি সদস্য একাধিক ভাষায় পারদর্শী। জেনি কোরিয়ান, ইংরেজি এবং জাপানিজ বলতে পারেন। লিসা থাই, কোরিয়ান, ইংরেজি এবং জাপানিজ জানেন। রোজে কোরিয়ান এবং ইংরেজি জানেন, আর জিসু কোরিয়ান এবং কিছুটা চীনা ও জাপানিজ বোঝেন।
  • আত্মপ্রকাশের আগে, ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্যরা ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের অধীনে ৪ থেকে ৬ বছর ধরে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।
  • তাদের প্রথম গান "Whistle" প্রকাশের মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে কোরিয়ার প্রধান সঙ্গীত অনুষ্ঠানে প্রথম পুরস্কার জেতে, যা একটি ডেবিউ গ্রুপের জন্য বিরল ঘটনা।
  • ব্ল্যাকপিঙ্কই প্রথম কে-পপ গার্ল গ্রুপ যারা আমেরিকান সঙ্গীত উৎসব কোচেলায় পারফর্ম করেছে।
  • তাদের মিউজিক ভিডিও "DDU-DU DDU-DU" ইউটিউবে ১ বিলিয়নের বেশি ভিউ অর্জনকারী প্রথম কে-পপ গ্রুপ মিউজিক ভিডিও।
  • সদস্যদের প্রত্যেকের নিজস্ব ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরশিপ রয়েছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন হাউজগুলোর সাথে, যা তাদের ব্যক্তিগত ফ্যাশন প্রভাবের প্রমাণ।

উপসংহার

ব্ল্যাকপিঙ্ক কেবল একটি কে-পপ গার্ল গ্রুপ নয়, তারা একটি বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঘটনা। তাদের শক্তিশালী সঙ্গীত, মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স এবং ফ্যাশন-ফরোয়ার্ড ইমেজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তকে আকৃষ্ট করেছে। জিসু, জেনি, রোজে এবং লিসা তাদের স্বতন্ত্র প্রতিভা এবং সম্মিলিত শক্তির মাধ্যমে সঙ্গীতের সীমানা অতিক্রম করেছেন এবং কে-পপকে আন্তর্জাতিক মূলধারায় নিয়ে আসতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের "গার্ল ক্রাশ" ধারণা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও নারী শক্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। ব্ল্যাকপিঙ্কের প্রভাব সঙ্গীত, ফ্যাশন এবং বিনোদন শিল্পে সুদূরপ্রসারী এবং নিঃসন্দেহে তারা আগামী বহু বছর ধরে তাদের উজ্জ্বল তারকাখ্যাতি বজায় রাখবে, নতুন নতুন রেকর্ড স্থাপন করবে এবং বিশ্বজুড়ে ভক্তদের অনুপ্রাণিত করবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: ব্ল্যাকপিঙ্ক কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত?

উত্তর: ব্ল্যাকপিঙ্ক মোট চারজন সদস্য নিয়ে গঠিত। তারা হলেন জিসু, জেনি, রোজে এবং লিসা।

প্রশ্ন: ব্ল্যাকপিঙ্ক কোন দেশের গ্রুপ?

উত্তর: ব্ল্যাকপিঙ্ক দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গার্ল গ্রুপ। তারা ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের অধীনে গঠিত হয়েছে।

প্রশ্ন: ব্ল্যাকপিঙ্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান কোনটি?

উত্তর: ব্ল্যাকপিঙ্কের অনেক জনপ্রিয় গান রয়েছে, তবে "DDU-DU DDU-DU," "Kill This Love," "How You Like That" এবং "Pink Venom" তাদের সবচেয়ে আইকনিক এবং বিশ্বব্যাপী সফল গানগুলোর মধ্যে অন্যতম।

প্রশ্ন: ব্ল্যাকপিঙ্ক কবে আত্মপ্রকাশ করে?

উত্তর: ব্ল্যাকপিঙ্ক ২০১৬ সালের ৮ আগস্ট তাদের প্রথম সিঙ্গেল অ্যালবাম Square One প্রকাশের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে।

প্রশ্ন: ব্ল্যাকপিঙ্কের ভক্তদের কী নামে ডাকা হয়?

উত্তর: ব্ল্যাকপিঙ্কের ভক্তদের "ব্লিঙ্কস" (BLINKS) নামে ডাকা হয়। এটি "ব্ল্যাক" এবং "পিঙ্ক" শব্দ দুটির সংমিশ্রণ।

প্রশ্ন: ব্ল্যাকপিঙ্ক কেন এত জনপ্রিয়?

উত্তর: ব্ল্যাকপিঙ্ক তাদের শক্তিশালী সঙ্গীত, আকর্ষণীয় কোরিওগ্রাফি, ফ্যাশন-ফরোয়ার্ড ইমেজ, এবং সদস্যদের স্বতন্ত্র ক্যারিশমার কারণে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। তাদের "গার্ল ক্রাশ" ধারণা এবং আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশনও তাদের জনপ্রিয়তা বাড়াতে সাহায্য করেছে।

প্রশ্ন: ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্যরা কি এককভাবে গান করেন?

উত্তর: হ্যাঁ, ব্ল্যাকপিঙ্কের প্রতিটি সদস্যেরই সফল একক ক্যারিয়ার রয়েছে। জেনি, রোজে এবং লিসা প্রত্যেকেই একক গান প্রকাশ করেছেন যা বিশ্বজুড়ে চার্ট সাফল্য অর্জন করেছে। জিসুও সম্প্রতি তার একক ডেবিউ করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]