Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

তথ্যসারণি

পূর্ণ নামআব্দুল রশিদ সেলিম সালমান খান
জন্ম২৭ ডিসেম্বর ১৯৬৫
জন্মস্থানইন্দোর, মধ্যপ্রদেশ, ভারত
পেশাঅভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, মানবতাবাদী
জাতীয়তাভারতীয়
পিতাসেলিম খান (চিত্রনাট্যকার)
মাতাসুশীলা চরক (সালমা খান)
ভাই-বোনআরবাজ খান, সোহেল খান, আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী, অর্পিতা খান শর্মা
উল্লেখযোগ্য কাজম্যায়নে পেয়ার কিয়া, হাম আপকে হ্যায় কউন..!, করণ অর্জুন, দাবাং, বজরঙ্গি ভাইজান, সুলতান, টাইগার জিন্দা হ্যায়
পুরস্কার২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (প্রযোজক হিসেবে), ২টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার (অভিনেতা হিসেবে)

পরিচিতি

সালমান খান, পুরো নাম আব্দুল রশিদ সেলিম সালমান খান, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক কিংবদন্তি নাম। তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, একজন সফল চলচ্চিত্র প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব এবং মানবতাবাদী হিসেবেও পরিচিত। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত তার কর্মজীবনে সালমান নিজেকে ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার অগণিত ভক্ত রয়েছে বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে বাংলাদেশে তার ফ্যানবেস ব্যাপক। তার ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্ব, স্বতন্ত্র অভিনয় শৈলী এবং বক্স অফিসে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য তাকে 'বলিউডের ভাইজান' এবং 'বক্স অফিস কিং' উপাধি এনে দিয়েছে। ফোর্বসের বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত সেলিব্রিটিদের তালিকায় ২০১৫ এবং ২০১৮ সালে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, যা তার আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা ও প্রভাবের প্রমাণ।

Salman Khan

Photo: Wikimedia Commons
View Source

প্রারম্ভিক জীবন

১৯৬৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে এক মুসলিম পরিবারে সালমান খান জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সেলিম খান একজন বিখ্যাত চিত্রনাট্যকার, যিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে বহু স্মরণীয় চিত্রনাট্য উপহার দিয়েছেন। তার মা সুশীলা চরক, যিনি পরে সালমা খান নাম গ্রহণ করেন। সালমান খান তার তিন ভাই-বোন আরবাজ খান, সোহেল খান এবং আলভিরা খান অগ্নিহোত্রীর মধ্যে সবার বড়। তার এক পালিত বোনও রয়েছে, যার নাম অর্পিতা খান শর্মা। শৈশবের একটি বড় অংশ তিনি গোয়ালিয়র এবং মুম্বাইয়ে কাটিয়েছেন। চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে তার পরিবারের গভীর সম্পর্ক ছিল, যা ছোটবেলা থেকেই সালমানকে অভিনয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। তার পারিবারিক পরিবেশ তাকে শিল্পের প্রতি এক স্বাভাবিক টান তৈরি করতে সাহায্য করেছিল।

শিক্ষাজীবন

সালমান খানের প্রারম্ভিক শিক্ষাজীবন গোয়ালিয়রের সিন্ধিয়া স্কুল এবং মুম্বাইয়ের সেন্ট স্ট্যানিসলাস হাই স্কুলে কেটেছে। তিনি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভর্তি হলেও পড়াশোনা শেষ করেননি। অভিনয়ের প্রতি তার তীব্র আগ্রহ এবং চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করার আকাঙ্ক্ষা তাকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা থেকে দূরে সরিয়ে আনে। তিনি তার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ না করে অভিনয়ে নিজের একটি স্বতন্ত্র পথ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। এই সময়ে তিনি মডেলিং এবং ছোটখাটো কাজ শুরু করেন, যা তাকে চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় প্রবেশে সহায়তা করে।

ক্যারিয়ার

সালমান খানের অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৮৮ সালে 'বিবি হো তো অ্যায়সি' চলচ্চিত্রে একটি পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। তবে, তার প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় এবং প্রকৃত ব্রেক থ্রু আসে ১৯৮৯ সালের রোমান্টিক চলচ্চিত্র 'ম্যায়নে পেয়ার কিয়া' দিয়ে। এই ছবিটি বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য লাভ করে এবং সালমানকে রাতারাতি তারকা বানিয়ে দেয়। এরপর নব্বইয়ের দশকে তিনি একের পর এক হিট চলচ্চিত্র উপহার দেন, যার মধ্যে রয়েছে 'সাজন' (১৯৯১), 'হাম আপকে হ্যায় কউন..!' (১৯৯৪), 'করণ অর্জুন' (১৯৯৫), 'জুড়ওয়া' (১৯৯৭), 'প্যায়ার কিয়া তো ডরনা কিয়া' (১৯৯৮), এবং 'হাম দিল দে চুকে সনম' (১৯৯৯)। 'হাম আপকে হ্যায় কউন..!' ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

২০০০ সালের শুরুর দিকে তার ক্যারিয়ারে কিছুটা উত্থান-পতন দেখা যায়, তবে তিনি 'তেরে নাম' (২০০৩) এবং 'মুঝসে শাদি করোগি' (২০০৪) এর মতো চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দেন। ২০১০ সাল থেকে সালমান খানের ক্যারিয়ারে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। 'দাবাং' (২০১০) চলচ্চিত্রটি তাকে অ্যাকশন হিরো হিসেবে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করে এবং এটি বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য লাভ করে। এরপর 'রেডি' (২০১১), 'বডিগার্ড' (২০১১), 'এক থা টাইগার' (২০১২), 'দাবাং ২' (২০১২) এবং 'কিক' (২০১৪) এর মতো চলচ্চিত্রগুলো তাকে বক্স অফিসের অবিসংবাদিত রাজা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।

২০১৫ সালের 'বজরঙ্গি ভাইজান' এবং ২০১৬ সালের 'সুলতান' চলচ্চিত্র দুটি শুধু বাণিজ্যিকভাবে সফলই ছিল না, সমালোচকদের দ্বারাও ব্যাপক প্রশংসিত হয়। এই ছবিগুলোতে তার অভিনয় দক্ষতা নতুন করে প্রমাণিত হয়। এরপর 'টাইগার জিন্দা হ্যায়' (২০১৭) এবং 'ভারত' (২০১৯) এর মতো চলচ্চিত্রগুলোও বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা করে। সালমান খান শুধুমাত্র অভিনয়েই সীমাবদ্ধ নন, তিনি 'সালমান খান ফিল্মস' নামে একটি প্রযোজনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন, যার মাধ্যমে তিনি বেশ কিছু সফল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন। এছাড়াও, তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন রিয়েলিটি শো 'বিগ বস'-এর সঞ্চালক হিসেবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন, যা তাকে ভারতের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছে। তার দীর্ঘ এবং সফল ক্যারিয়ার তাকে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • বক্স অফিস সাফল্য: সালমান খান ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম। তার একাধিক চলচ্চিত্র ৩০০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে এবং তিনি বলিউডের প্রথম অভিনেতা যার নয়টি চলচ্চিত্র ১০০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে।
  • পুরস্কার ও সম্মাননা: তিনি তার কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে 'দাবাং'-এর জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং 'বজরঙ্গি ভাইজান' ও 'ছিছোরে' (প্রযোজক হিসেবে) এর জন্য দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
  • মানবতাবাদী কার্যক্রম: সালমান খান তার 'বিইং হিউম্যান ফাউন্ডেশন'-এর মাধ্যমে ব্যাপক মানবতাবাদী কাজ করে থাকেন। এই ফাউন্ডেশন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করে।
  • আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ফোর্বসের বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত সেলিব্রিটিদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া তার আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা ও প্রভাবের প্রমাণ।
  • টেলিভিশন উপস্থিতি: জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো 'বিগ বস'-এর সফল সঞ্চালনা তাকে টেলিভিশন জগতেও এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

ব্যক্তিগত জীবন

সালমান খানের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই সংবাদ শিরোনামে থেকেছে। তার প্রেম জীবন এবং বিভিন্ন সম্পর্কের খবর গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। নব্বইয়ের দশকে অভিনেত্রী সঙ্গীতা বিজলানির সাথে তার সম্পর্ক ছিল, যা পরবর্তীতে ভেঙে যায়। এরপর অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং ক্যাটরিনা কাইফের সাথে তার সম্পর্ক নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়। যদিও তিনি এখনো বিয়ে করেননি, তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল সবসময়ই তুঙ্গে থাকে।

আইনি জটিলতাও তার জীবনের একটি অংশ। ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা এবং ২০০২ সালের হিট অ্যান্ড রান মামলা তাকে দীর্ঘ সময় ধরে আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে রেখেছিল। এই মামলাগুলো তার জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। তবে, এই সবকিছুর মাঝেও সালমান খান তার মানবতাবাদী কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ২০০৭ সালে তিনি 'বিইং হিউম্যান ফাউন্ডেশন' প্রতিষ্ঠা করেন, যা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে। এই ফাউন্ডেশন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তার এই উদ্যোগ তাকে একজন অভিনেতা হিসেবে ছাড়িয়ে একজন সমাজসেবক হিসেবেও পরিচিতি দিয়েছে।

মজার তথ্য

  • সালমান খান একজন দক্ষ চিত্রশিল্পী। তিনি অবসর সময়ে ছবি আঁকতে ভালোবাসেন এবং তার আঁকা ছবি প্রায়শই তার চলচ্চিত্রের সেটে দেখা যায়।
  • তিনি একজন ফিটনেস ফ্রিক। বলিউডে সিক্স-প্যাক অ্যাবস ট্রেন্ড শুরু করার পেছনে তার বড় ভূমিকা রয়েছে। তার ফিটনেস রুটিন অনেক তরুণ অভিনেতাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
  • তার প্রিয় খাবার বিরিয়ানি। তিনি প্রায়শই তার বন্ধুদের জন্য বিরিয়ানি রান্না করেন।
  • সালমান খান তার পরিবারকে অত্যন্ত ভালোবাসেন এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সাথে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তিনি প্রায়শই তার পরিবারের সাথে সময় কাটান।
  • তিনি তার মেজাজের জন্য পরিচিত হলেও, তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা তাকে একজন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং দয়ালু মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেন।
  • তার 'বিইং হিউম্যান' ব্র্যান্ডের পোশাক এবং অন্যান্য পণ্য থেকে প্রাপ্ত আয় তার ফাউন্ডেশনের দাতব্য কাজে ব্যবহৃত হয়।

উপসংহার

সালমান খান শুধু একজন অভিনেতা নন, তিনি ভারতীয় সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার ক্যারিশমা, বক্স অফিস সাফল্য এবং মানবতাবাদী কার্যক্রম তাকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভক্তদের হৃদয়ে স্থান দিয়েছে। অসংখ্য উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গিয়েও তিনি নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন এবং বলিউডের শীর্ষস্থানে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। তার প্রভাব শুধুমাত্র চলচ্চিত্র জগতেই সীমাবদ্ধ নয়, সমাজসেবায় তার অবদানও তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সালমান খান নিঃসন্দেহে ভারতীয় সিনেমার এক জীবন্ত কিংবদন্তি, যার তারকাখ্যাতি এবং প্রভাব আগামী বহু বছর ধরে বিদ্যমান থাকবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: সালমান খানের পুরো নাম কী?

উত্তর: সালমান খানের পুরো নাম হলো আব্দুল রশিদ সেলিম সালমান খান। তিনি বলিউডে 'সালমান খান' নামেই পরিচিত এবং তার ভক্তদের কাছে তিনি 'ভাইজান' বা 'সাল্লু ভাই' নামেও জনপ্রিয়।

প্রশ্ন: সালমান খান কবে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: সালমান খান ১৯৬৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তার বয়স ৫৮ বছর (২০২৩ সাল অনুযায়ী)।

প্রশ্ন: সালমান খানের প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?

উত্তর: সালমান খানের প্রথম চলচ্চিত্র হলো ১৯৮৮ সালের 'বিবি হো তো অ্যায়সি', যেখানে তিনি একটি পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তবে, তার প্রথম প্রধান চরিত্রে এবং ব্রেক থ্রু চলচ্চিত্র হলো ১৯৮৯ সালের 'ম্যায়নে পেয়ার কিয়া'।

প্রশ্ন: সালমান খানের জনপ্রিয় মানবতাবাদী সংস্থাটির নাম কী?

উত্তর: সালমান খানের জনপ্রিয় মানবতাবাদী সংস্থাটির নাম হলো 'বিইং হিউম্যান ফাউন্ডেশন'। এই সংস্থাটি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে থাকে।

প্রশ্ন: সালমান খান কি বিবাহিত?

উত্তর: না, সালমান খান এখনো বিবাহিত নন। তার ব্যক্তিগত জীবন এবং সম্পর্কের খবর প্রায়শই গণমাধ্যমে আলোচনায় আসে, তবে তিনি এখনো অবিবাহিত।

প্রশ্ন: সালমান খান কি শুধু ভারতেই জনপ্রিয়?

উত্তর: না, সালমান খান শুধুমাত্র ভারতেই জনপ্রিয় নন। তার বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্ত রয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশ, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলিতে তার ফ্যানবেস ব্যাপক। তিনি আন্তর্জাতিকভাবেও একজন সুপরিচিত তারকা।

প্রশ্ন: সালমান খান কি শুধু অভিনেতা হিসেবেই কাজ করেন?

উত্তর: না, সালমান খান শুধু অভিনেতা হিসেবেই কাজ করেন না। তিনি একজন সফল চলচ্চিত্র প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব এবং মানবতাবাদী হিসেবেও পরিচিত। তিনি 'বিগ বস' রিয়েলিটি শো-এর সঞ্চালক হিসেবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]