| তথ্যসারণি | |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | রুনা লায়লা |
| জন্ম | ১৭ নভেম্বর ১৯৫২ |
| জন্মস্থান | সিলেট, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| পেশা | সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার |
| পরিচিতি | দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম কিংবদন্তী প্লেব্যাক সিঙ্গার, 'সুরের রানী' |
| উল্লেখযোগ্য পুরস্কার | স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৬ বার), নিগার অ্যাওয়ার্ড (পাকিস্তান) |
| ভাষা | বাংলা, উর্দু, হিন্দি সহ ১৮টি ভাষা |
| স্বামী | আলমগীর (বর্তমান), রন ড্যানিয়েল, খাজা জাভেদ কায়সার |
| সন্তান | তানি লায়লা (কন্যা) |
পরিচিতি
দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গীত জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার কণ্ঠের যাদুতে মুগ্ধ হয়েছে কোটি কোটি শ্রোতা – তিনি কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। প্রায় ছয় দশকের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি বাংলা, উর্দু, হিন্দি সহ ১৮টি ভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন, যা তাঁকে এনে দিয়েছে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি। তাঁর অসামান্য গায়কী, মঞ্চে প্রাণবন্ত উপস্থিতি এবং বহুমুখী প্রতিভার কারণে তিনি ‘সুরের রানী’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত শিল্পে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। রুনা লায়লা কেবল একজন শিল্পী নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান, যিনি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সঙ্গীতের অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন।

Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
১৯৫২ সালের ১৭ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সিলেট শহরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে রুনা লায়লার জন্ম। তাঁর বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন একজন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আমিনা লায়লা ছিলেন একজন সঙ্গীতপ্রেমী। রুনা লায়লার ছোট বোন দীনা লায়লাও একজন সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন। বাবার চাকরির সুবাদে তাদের পরিবারকে দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং পরবর্তীতে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে বসবাস করতে হয়। করাচিতেই রুনা লায়লার সঙ্গীত প্রতিভার উন্মোচন ঘটে। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি তাঁর প্রবল ঝোঁক ছিল। মাত্র আড়াই বছর বয়সেই তিনি গান গাওয়া শুরু করেন এবং পাঁচ বছর বয়সে স্টেজে প্রথম পরিবেশনা দেন। তাঁর বাবা তাঁর সঙ্গীত প্রতিভাকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁকে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের তালিম দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ওস্তাদ আব্দুল কাদের পিয়ারাং এবং ওস্তাদ হাবিব উদ্দিন খানের মতো প্রখ্যাত গুরুদের কাছে তিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের দীক্ষা লাভ করেন, যা তাঁর সঙ্গীতের ভিত্তি তৈরি করে দেয়।
শিক্ষাজীবন
রুনা লায়লার আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন করাচিতেই শুরু হয়। তবে সঙ্গীতের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ এবং নিয়মিত চর্চার কারণে তাঁর শিক্ষাজীবন মূলত সঙ্গীত কেন্দ্রিক হয়ে ওঠে। তিনি করাচির লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে পড়াশোনা করেন। তাঁর বাবা, যিনি নিজেও একজন সঙ্গীতপ্রেমী ছিলেন, রুনা লায়লার সঙ্গীত শিক্ষার দিকে বিশেষ মনোযোগ দেন। তিনি ওস্তাদ আব্দুল কাদের পিয়ারাং-এর কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের তালিম নেন, যা তাঁর গায়কির গভীরতা ও পরিপক্কতা এনে দেয়। এই সময়েই তিনি বিভিন্ন সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দেন এবং দ্রুতই স্থানীয় সঙ্গীত মহলে পরিচিতি লাভ করেন। যদিও তাঁর একাডেমিক পড়াশোনা ছিল, কিন্তু সঙ্গীতের প্রতি তাঁর তীব্র আবেগ এবং পেশাদারিত্বের কারণে তিনি খুব অল্প বয়সেই সঙ্গীতের দুনিয়ায় প্রবেশ করেন, যা তাঁর জীবনকে নতুন পথে চালিত করে।
ক্যারিয়ার
রুনা লায়লার পেশাদার সঙ্গীত ক্যারিয়ার শুরু হয় অত্যন্ত অল্প বয়সে। ১৯৬৬ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তানের ‘জুগ্নু’ চলচ্চিত্রে ‘গুড়িয়া সি মুন্নি মেরি’ গানটির মাধ্যমে প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এই গানটি তাঁকে রাতারাতি পরিচিতি এনে দেয়। এরপর তাঁকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পাকিস্তানে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন এবং অসংখ্য উর্দু ছবিতে গান গান। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন এবং এখানেও তাঁর সঙ্গীত যাত্রা অব্যাহত থাকে। ১৯৭৪ সালে তিনি কলকাতায় প্রথম স্টেজ শো করেন এবং এরপর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর পরিচিতি বাড়তে থাকে।
রুনা লায়লা তাঁর ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ধরনের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন – আধুনিক বাংলা গান, লোকগীতি, গজল, ক্লাসিক্যাল, পপ, ডিস্কো – সব কিছুতেই তিনি সমান পারদর্শী। তাঁর গাওয়া ‘সাধের লাউ’, ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’, ‘পান খাইয়া ঠোঁট লাল কইরাছি’, ‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িত গেলাম’, ‘যখন আমি থাকব না’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে’ এর মতো গানগুলো বাংলা সঙ্গীতের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারত ও পাকিস্তানেও সমানভাবে জনপ্রিয়। বলিউডে তিনি কল্যাণজি-আনন্দজি, বাপ্পি লাহিড়ী, লক্ষ্মীকান্ত-পিয়ারেলাল এর মতো প্রখ্যাত সুরকারদের সাথে কাজ করেছেন। ১৯৭০ এর দশকে তাঁর গাওয়া ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ গানটি দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং এটি তাঁর অন্যতম ট্রেডমার্ক গান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে তাঁর সাফল্য আকাশচুম্বী। তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি উর্দু ও হিন্দি চলচ্চিত্রেও অসংখ্য হিট গান উপহার দিয়েছেন। তাঁর কণ্ঠে অসংখ্য গান বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। নব্বইয়ের দশকে তিনি টেলিভিশনে বিভিন্ন সঙ্গীতানুষ্ঠানে বিচারক হিসেবেও অংশ নিয়েছেন, যা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁর প্রাণবন্ত মঞ্চ পরিবেশনা এবং শ্রোতাদের সাথে তাঁর সংযোগ স্থাপনের ক্ষমতা তাঁকে একজন অনন্য শিল্পীতে পরিণত করেছে। তিনি অসংখ্য দেশ ভ্রমণ করে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন এবং বাংলা সঙ্গীতকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছেন।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
রুনা লায়লার দীর্ঘ ও সফল ক্যারিয়ার অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার: বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- একুশে পদক: বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: তিনি ছয়বার এই পুরস্কার লাভ করেছেন, যা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একজন শিল্পীর জন্য একটি বিরল সম্মান।
- নিগার অ্যাওয়ার্ড: পাকিস্তানের অন্যতম সম্মানজনক চলচ্চিত্র পুরস্কার।
- লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড: দেশ-বিদেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন তাঁর সঙ্গীত জীবনে অসামান্য অবদানের জন্য।
- ‘সুরের রানী’ উপাধি: তাঁর অসাধারণ কণ্ঠ এবং বহুমুখী প্রতিভার জন্য তিনি এই জনপ্রিয় উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
- ১৮টি ভাষায় গান: বিশ্বের ১৮টি ভিন্ন ভাষায় গান গেয়ে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক অনন্য রেকর্ড স্থাপন করেছেন।
- রেকর্ডিং রেকর্ড: মাত্র তিন দিনে ৩০টি গান রেকর্ড করার একটি বিরল রেকর্ড তাঁর নামে রয়েছে, যা তাঁর কর্মদক্ষতা এবং প্রতিভার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
এই অর্জনগুলো রুনা লায়লার সঙ্গীত জীবনের গভীরতা এবং তাঁর প্রতিভার স্বীকৃতি বহন করে। তিনি কেবল একজন শিল্পী নন, তিনি দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গীত ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ব্যক্তিগত জীবন
রুনা লায়লার ব্যক্তিগত জীবনও তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের মতোই আলোচিত। তিনি তিনবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তাঁর প্রথম বিয়ে হয় খাজা জাভেদ কায়সারের সাথে। এরপর তিনি সুইস নাগরিক রন ড্যানিয়েলকে বিয়ে করেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা আলমগীরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাঁদের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ও সফল হয়েছে। আলমগীর ও রুনা লায়লার জুটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে বেশ পরিচিত এবং সম্মানিত। তাঁদের একমাত্র মেয়ে তানি লায়লাও একজন সঙ্গীতশিল্পী। পারিবারিক জীবনে রুনা লায়লা সবসময়ই ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। কাজের বাইরে তিনি পরিবারকে সময় দিতে ভালোবাসেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরাও তাঁর সঙ্গীত যাত্রায় সবসময় তাঁকে সমর্থন জুগিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে রুনা লায়লা অত্যন্ত বিনয়ী এবং মাটির মানুষ হিসেবে পরিচিত, যা তাঁকে ভক্তদের কাছে আরও প্রিয় করে তুলেছে।
মজার তথ্য
- বহুভাষী শিল্পী: রুনা লায়লা বিশ্বের ১৮টি ভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন, যার মধ্যে বাংলা, উর্দু, হিন্দি, ইংরেজি, পাঞ্জাবী, সিন্ধী, গুজরাটি, পশতু, বালুচি, আরবি, ফার্সি, মালয়, নেপালী, জাপানি, স্প্যানিশ, ফরাসি এবং ইতালীয় ভাষা উল্লেখযোগ্য। এটি তাঁকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক অনন্য পরিচিতি এনে দিয়েছে।
- রেকর্ড গড়ার ক্ষমতা: তাঁর দ্রুত গান রেকর্ড করার ক্ষমতা কিংবদন্তীতুল্য। কথিত আছে, তিনি মাত্র তিন দিনে ৩০টি গান রেকর্ড করেছিলেন, যা সঙ্গীত জগতে এক বিরল রেকর্ড।
- নাচের প্রতি ভালোবাসা: সঙ্গীতের পাশাপাশি রুনা লায়লা ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং কত্থক ও ভরতনাট্যমে প্রাথমিক প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন। তাঁর মঞ্চ পরিবেশনায় এই নাচের প্রভাব প্রায়শই দেখা যায়।
- আর্টের প্রতি অনুরাগ: তিনি একজন সঙ্গীতশিল্পী হলেও আর্টের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ রয়েছে। অবসরে তিনি ছবি আঁকতে ভালোবাসেন এবং বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি পরিদর্শন করেন।
- প্রথম টিভি পারফরম্যান্স: মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে প্রথম টেলিভিশনে আত্মপ্রকাশ করেন।
- আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: তাঁর জনপ্রিয় গান ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ এতটাই জনপ্রিয় যে এটি আন্তর্জাতিকভাবেও বহু শিল্পী কর্তৃক পরিবেশিত হয়েছে।
উপসংহার
রুনা লায়লা কেবল একজন সঙ্গীতশিল্পী নন, তিনি একটি জীবন্ত কিংবদন্তী, যিনি তাঁর কণ্ঠের জাদুতে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে রেখেছেন। তাঁর বহুমুখী প্রতিভা, অসামান্য গায়কী এবং সঙ্গীতের প্রতি তাঁর নিবেদন তাঁকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পীর আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সঙ্গীত জগতে রাজত্ব করছেন এবং তাঁর প্রতিটি গানই যেন এক একটি ইতিহাস। রুনা লায়লার সঙ্গীত শুধু বিনোদনই দেয়নি, তা সংস্কৃতি ও ভাষার সীমানা পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করেছে। তাঁর অবদান বাংলা সঙ্গীতকে করেছে সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এনে দিয়েছে সম্মান। সুরের এই রানী চিরকাল তাঁর গান ও কর্মের মধ্য দিয়ে আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: রুনা লায়লার জন্ম কবে এবং কোথায়?
উত্তর: রুনা লায়লা ১৯৫২ সালের ১৭ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সিলেট শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন: রুনা লায়লার প্রথম গান কোনটি?
উত্তর: রুনা লায়লার প্রথম পেশাদার গান ছিল ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত পাকিস্তানি চলচ্চিত্র ‘জুগ্নু’-এর ‘গুড়িয়া সি মুন্নি মেরি’।
প্রশ্ন: রুনা লায়লা কতটি ভাষায় গান গেয়েছেন?
উত্তর: রুনা লায়লা বাংলা, উর্দু, হিন্দি সহ বিশ্বের প্রায় ১৮টি ভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন, যা তাঁকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দিয়েছে।
প্রশ্ন: রুনা লায়লা কী কী উল্লেখযোগ্য পুরস্কার পেয়েছেন?
উত্তর: রুনা লায়লা স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, ছয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ) এবং নিগার অ্যাওয়ার্ড (পাকিস্তান) সহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেছেন।
প্রশ্ন: রুনা লায়লাকে কেন 'সুরের রানী' বলা হয়?
উত্তর: তাঁর অসাধারণ কণ্ঠের মাধুর্য, গানের বহুমুখীতা এবং মঞ্চে প্রাণবন্ত উপস্থিতির জন্য রুনা লায়লাকে ‘সুরের রানী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
প্রশ্ন: রুনা লায়লার স্বামী কে?
উত্তর: রুনা লায়লার বর্তমান স্বামী বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা আলমগীর। এর আগে তিনি আরও দুবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
প্রশ্ন: রুনা লায়লার উল্লেখযোগ্য কিছু গান কী কী?
উত্তর: তাঁর উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘সাধের লাউ’, ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’, ‘পান খাইয়া ঠোঁট লাল কইরাছি’, ‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িত গেলাম’ এবং ‘যখন আমি থাকব না’ ইত্যাদি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন