| তথ্যসারণি | |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | নন্দামুরি তারাকা রামা রাও জুনিয়র |
| জনপ্রিয় নাম | এনটিআর জুনিয়র, তারাক |
| পেশা | অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক |
| জন্ম | ২০ মে ১৯৮৩ |
| জন্মস্থান | হায়দ্রাবাদ, অন্ধ্রপ্রদেশ (বর্তমানে তেলেঙ্গানা), ভারত |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| স্ত্রী | লক্ষ্মী প্রণতি (বিবাহ ২০১১) |
| সন্তান | ২ (অভয় রাম, ভার্গব রাম) |
| উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র | আরআরআর, জনতা গ্যারেজ, অরবিন্দা সামেথা ভিরা রাঘব, সিমহাদ্রি |
| পুরস্কার | ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড সাউথ, সিআইএমএএ অ্যাওয়ার্ড, এসআইআইএমএ অ্যাওয়ার্ড, নন্দী অ্যাওয়ার্ড |
পরিচিতি
নন্দামুরি তারাকা রামা রাও জুনিয়র, যিনি বিশ্বজুড়ে এনটিআর জুনিয়র বা তারাক নামেই পরিচিত, ভারতীয় চলচ্চিত্রের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা। মূলত তেলুগু সিনেমায় তার কাজগুলি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছে। তার শক্তিশালী অভিনয়, অনবদ্য নৃত্যশৈলী এবং ডায়ালগ ডেলিভারির জন্য তিনি ‘ম্যান অফ মাসের’ খেতাব অর্জন করেছেন। ২০১২ সাল থেকে তিনি ফোর্বস ইন্ডিয়ার সেলিব্রিটি ১০০ তালিকায় নিয়মিত স্থান করে নিচ্ছেন, যা ভারতীয় বিনোদন জগতে তার অপরিহার্য অবস্থানকে তুলে ধরে। ৩০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড সাউথ, তিনটি সিনেমা অ্যাওয়ার্ড, একটি সিআইআইএমএ অ্যাওয়ার্ড এবং দুটি নন্দী অ্যাওয়ার্ড। সাম্প্রতিক সময়ে তার ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র আরআরআর তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সুপরিচিত করে তুলেছে, যা ভারতীয় সিনেমার বৈশ্বিক পদচিহ্নকে আরও বিস্তৃত করেছে।

Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
এনটিআর জুনিয়র ১৯৮৩ সালের ২০ মে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের (বর্তমানে তেলেঙ্গানা) হায়দ্রাবাদে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা নন্দামুরি হরীকৃষ্ণ একজন বিখ্যাত অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, এবং তার পিতামহ ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন. টি. রামা রাও। এই সমৃদ্ধ পারিবারিক প্রেক্ষাপট তাকে ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রের জগতে আকৃষ্ট করেছিল। চলচ্চিত্রের প্রতি তার সহজাত ভালোবাসা এবং অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ খুব অল্প বয়সেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি তার পরিবারের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে বড় হয়েছেন, যেখানে শিল্প ও রাজনীতি উভয়ই গভীরভাবে প্রোথিত ছিল। তার শৈশব থেকেই তিনি পারফর্মিং আর্টসের প্রতি বিশেষ ঝোঁক দেখিয়েছেন, যা পরবর্তীতে তাকে একজন সফল অভিনেতা হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
শিক্ষাজীবন
এনটিআর জুনিয়র তার প্রাথমিক শিক্ষা হায়দ্রাবাদের বিদ্যারণ্য হাই স্কুলে সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি সেন্ট মেরি'স কলেজে ভর্তি হন। শিক্ষাজীবনে তিনি কেবল একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বের দিকেই মনোযোগ দেননি, বরং শিল্পকলার বিভিন্ন শাখাতেও নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি কুচিপুড়ি নৃত্যে একজন প্রশিক্ষিত শিল্পী, যা তার অনবদ্য নৃত্যশৈলীর ভিত্তি তৈরি করেছে। এই শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রশিক্ষণ তাকে তার চলচ্চিত্রে ব্যতিক্রমী এবং গতিশীল নৃত্য পরিবেশনায় সহায়তা করেছে, যা তার ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তার শিক্ষাজীবন তাকে কেবল জ্ঞানার্জনেই নয়, বরং একজন পরিপূর্ণ শিল্পী হিসেবে বিকশিত হতেও সাহায্য করেছে, যা তার ক্যারিয়ারের পরবর্তী সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
ক্যারিয়ার
এনটিআর জুনিয়রের অভিনয় জীবন শুরু হয় একজন শিশুশিল্পী হিসেবে। ১৯৯০ সালে ব্রহ্মর্ষি বিশ্বামিত্র চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম ক্যামেরার সামনে আসেন। এরপর ১৯৯৬ সালে রামায়ণম চলচ্চিত্রে তিনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন, যা তাকে শিশুশিল্পী হিসেবে নন্দিত করে। পূর্ণাঙ্গ নায়ক হিসেবে তার অভিষেক ঘটে ২০০১ সালে নিন্নু ছুডালানি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। তবে একই বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত এস. এস. রাজামৌলি পরিচালিত স্টুডেন্ট নং ১ চলচ্চিত্রটি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয় এবং তেলুগু সিনেমায় তার অবস্থান সুদৃঢ় করে।
পরবর্তী বছরগুলিতে তিনি একের পর এক হিট চলচ্চিত্র উপহার দিতে থাকেন। ২০০২ সালের আদি এবং ২০০৩ সালের সিমহাদ্রি তাকে তেলুগু সিনেমার একজন শীর্ষস্থানীয় তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তার অনবদ্য অভিনয় ক্ষমতা, শক্তিশালী ডায়ালগ ডেলিভারি এবং অসাধারণ নৃত্যশৈলী তাকে দ্রুতই দর্শকদের প্রিয়পাত্র করে তোলে। তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করেছেন, অ্যাকশন হিরো থেকে শুরু করে রোমান্টিক এবং কমেডি চরিত্রেও তিনি সমান পারদর্শীতা দেখিয়েছেন।
তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে যমাদোঙ্গা (২০০৭), আদর্শ (২০১০), বৃন্দাবনম (২০১০), বাদশাহ (২০১৩), টেম্পার (২০১৫), জনতা গ্যারেজ (২০১৬), এবং অরবিন্দা সামেথা ভিরা রাঘব (২০১৮)। এই চলচ্চিত্রগুলি বক্স অফিসে দারুণ সফলতার পাশাপাশি সমালোচকদের প্রশংসাও কুড়িয়েছে। এনটিআর জুনিয়র তার প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে ডুবিয়ে দেন, যা তার অভিনয়ে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করে।
২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এস. এস. রাজামৌলি পরিচালিত আরআরআর চলচ্চিত্রটি এনটিআর জুনিয়রের ক্যারিয়ারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এই চলচ্চিত্রটি শুধু ভারতে নয়, বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করে এবং তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। এই সিনেমায় তার অভিনয় এবং বিশেষত 'নাটু নাটু' গানে তার নৃত্য পরিবেশনা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। এই চলচ্চিত্রটি তাকে বৈশ্বিক স্তরে একজন আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশনেও সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো বিগ বস তেলুগু-এর প্রথম সিজনের সঞ্চালনা করেছেন এবং পরবর্তীতে এভারু মিলো কোটিশ্বরুলু (কেবিসি-এর তেলুগু সংস্করণ) উপস্থাপনা করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। তার বহুমুখী প্রতিভা এবং নিরন্তর প্রচেষ্টা তাকে ভারতীয় বিনোদন শিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- ম্যান অফ মাসের: তার শক্তিশালী অভিনয় এবং ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তার জন্য তিনি এই উপাধি লাভ করেছেন।
- ফোর্বস ইন্ডিয়া সেলিব্রিটি ১০০: ২০১২ সাল থেকে তিনি নিয়মিতভাবে এই সম্মানজনক তালিকায় স্থান পেয়ে আসছেন, যা ভারতীয় বিনোদন শিল্পে তার শক্তিশালী অবস্থান নির্দেশ করে।
- পুরস্কার ও সম্মাননা: তিনি তার অভিনয় জীবনের জন্য অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:
- তিনটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড সাউথ
- তিনটি সিনেমা অ্যাওয়ার্ড
- একটি সিআইআইএমএ অ্যাওয়ার্ড
- দুটি নন্দী অ্যাওয়ার্ড
- এছাড়াও, আরআরআর চলচ্চিত্রের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার কাজ প্রশংসিত হয়েছে।
- সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা: ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতাদের মধ্যে তিনি একজন।
- আন্তর্জাতিক খ্যাতি: আরআরআর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে পরিচিতি লাভ করেন এবং তার অভিনয় ও নৃত্যশৈলী বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়।
ব্যক্তিগত জীবন
এনটিআর জুনিয়র ২০১১ সালের ৫ মে লক্ষ্মী প্রণতির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের বিবাহ হায়দ্রাবাদে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যা সে সময় সংবাদ শিরোনামে আসে। এই দম্পতির দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে – অভয় রাম (জন্ম ২০১৪) এবং ভার্গব রাম (জন্ম ২০১৮)। এনটিআর জুনিয়র তার পরিবারকে অত্যন্ত ভালোবাসেন এবং কাজের বাইরে পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। যদিও তিনি একজন জনপরিচিত ব্যক্তিত্ব, তবুও তিনি তার ব্যক্তিগত জীবনকে যথাসম্ভব আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন। তিনি তার পরিবারকে তার সাফল্যের অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করেন এবং প্রায়শই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার পারিবারিক জীবন তাকে পেশাগত জীবনে অনুপ্রেরণা যোগায়।
মজার তথ্য
- নৃত্যে পারদর্শী: এনটিআর জুনিয়র একজন প্রশিক্ষিত কুচিপুড়ি নৃত্যশিল্পী। তার চলচ্চিত্রে তার অসাধারণ নৃত্য পরিবেশনা এর প্রমাণ।
- ভাষা জ্ঞান: তিনি তেলুগু, ইংরেজি এবং হিন্দি ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারেন।
- পরিবর্তনের মাস্টার: তিনি তার চরিত্রের প্রয়োজনে শারীরিক গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। যমাদোঙ্গা এবং টেম্পার-এর মতো চলচ্চিত্রে তার শারীরিক রূপান্তর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ফাস্ট কারের প্রতি ভালোবাসা: তিনি ফাস্ট কার এবং বাইকের একজন বড় অনুরাগী। তার ব্যক্তিগত সংগ্রহে বেশ কিছু বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে।
- পারিবারিক ঐতিহ্য: তিনি তেলুগু সিনেমার কিংবদন্তি এন. টি. রামা রাও-এর নাতি। তার পরিবার শুধু সিনেমা নয়, রাজনীতিতেও প্রভাবশালী।
- ভোজনরসিক: তিনি একজন ভোজনরসিক এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার উপভোগ করতে ভালোবাসেন।
উপসংহার
এনটিআর জুনিয়র শুধুমাত্র একজন অভিনেতা নন, তিনি তেলুগু সিনেমার একজন আইকন এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার অভিনয় দক্ষতা, নৃত্যশৈলী, এবং শক্তিশালী স্ক্রিন উপস্থিতি তাকে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে। শিশুশিল্পী থেকে আন্তর্জাতিক তারকা হয়ে ওঠার এই যাত্রায় তিনি প্রমাণ করেছেন যে কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং প্রতিভার সমন্বয় যেকোনো স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে পারে। আরআরআর-এর মতো চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্ব দরবারে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। তার বহুমুখী প্রতিভা এবং নিরন্তর নতুন কিছু করার আকাঙ্ক্ষা তাকে আগামী দিনেও আরও অনেক সাফল্য এনে দেবে, এবং তিনি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: এনটিআর জুনিয়রের পুরো নাম কী?
উত্তর: এনটিআর জুনিয়রের পুরো নাম হলো নন্দামুরি তারাকা রামা রাও জুনিয়র। তিনি তার পিতামহ, কিংবদন্তি অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ এন. টি. রামা রাও-এর নাম বহন করেন।
প্রশ্ন: এনটিআর জুনিয়র কোন সিনেমার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত?
উত্তর: তিনি এস. এস. রাজামৌলি পরিচালিত ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র আরআরআর-এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন। এই সিনেমায় তার অভিনয় ও 'নাটু নাটু' গানে তার নৃত্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।
প্রশ্ন: এনটিআর জুনিয়র কি শুধু অভিনেতা?
উত্তর: না, এনটিআর জুনিয়র শুধু একজন অভিনেতা নন। তিনি একজন সফল চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন।
প্রশ্ন: এনটিআর জুনিয়রের জন্ম কবে?
উত্তর: এনটিআর জুনিয়র ১৯৮৩ সালের ২০ মে ভারতের হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রতি বছর এই দিনে তার জন্মদিন পালন করেন।
প্রশ্ন: এনটিআর জুনিয়রের স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: এনটিআর জুনিয়রের স্ত্রীর নাম লক্ষ্মী প্রণতি। তারা ২০১১ সালের ৫ মে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাদের দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
প্রশ্ন: এনটিআর জুনিয়র কি কোনো পুরস্কার পেয়েছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনি তার অভিনয় জীবনের জন্য অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড সাউথ, তিনটি সিনেমা অ্যাওয়ার্ড, একটি সিআইআইএমএ অ্যাওয়ার্ড এবং দুটি নন্দী অ্যাওয়ার্ড।
প্রশ্ন: এনটিআর জুনিয়র কি কোনো নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, এনটিআর জুনিয়র কুচিপুড়ি নৃত্যে একজন প্রশিক্ষিত শিল্পী। তার চলচ্চিত্রে তার অসাধারণ এবং গতিশীল নৃত্য পরিবেশনা তার এই প্রশিক্ষণেরই ফল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন