Full width home advertisement

Politicians

Celebrities

Post Page Advertisement [Top]

তথ্য বিবরণ
পূর্ণ নাম মার্গো এলিস রবি
জন্ম ২ জুলাই ১৯৯০
জন্মস্থান ডালবি, কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া
জাতীয়তা অস্ট্রেলিয়ান
পেশা অভিনেত্রী, প্রযোজক
পরিচিতি হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী, 'বার্বি', 'দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট', 'আই, টোনিয়া'র মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত।
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার ও মনোনয়ন একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড, বাফটা অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত।
স্বামী টম অ্যাকারলি (বিবাহ: ২০১৬)

পরিচিতি

মার্গো এলিস রবি, যিনি মার্গো রবি নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত, অস্ট্রেলিয়ার একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রী এবং সফল প্রযোজক। হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত তারকাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তাঁর বহুমুখী অভিনয় প্রতিভা ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে স্বাধীন সিনেমায় সমানভাবে প্রশংসিত হয়েছে। মার্গো রবি তাঁর ক্যারিয়ারে তিনটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, চারটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড এবং ছয়টি ব্রিটিশ একাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন, যা তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ।

Margot Robbie

Photo: Wikimedia Commons
View Source

কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্টে বেড়ে ওঠা এই অভিনেত্রী অল্প বয়সেই অভিনয়ের প্রতি তাঁর ঝোঁক আবিষ্কার করেন। অস্ট্রেলিয়ান টেলিভিশনে তাঁর কর্মজীবন শুরু হলেও, খুব দ্রুতই তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের স্থান করে নেন। 'দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট' চলচ্চিত্রে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বিপরীতে তাঁর সাহসী অভিনয় তাঁকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দেয়। এরপর 'সুইসাইড স্কোয়াড'-এ হার্লি কুইনের চরিত্রে তাঁর অনবদ্য অভিনয় তাঁকে এক আইকনিক তারকায় পরিণত করে। সম্প্রতি 'বার্বি' চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় এবং প্রযোজনা তাঁকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে রেকর্ড ভেঙেছে এবং সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে। মার্গো রবি শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রী নন, তাঁর প্রযোজনা সংস্থা লাকিচ্যাপ এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন, যা নারী-কেন্দ্রিক গল্প এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দেয়।

প্রারম্ভিক জীবন

১৯৯০ সালের ২ জুলাই অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের ডালবি শহরে মার্গো এলিস রবির জন্ম। তাঁর মা সারী কেসলার একজন ফিজিওথেরাপিস্ট ছিলেন এবং তাঁর তিন ভাইবোনের মধ্যে মার্গো দ্বিতীয়। তিনি কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্টের একটি প্রত্যন্ত খামার বাড়িতে তাঁর শৈশব কাটান। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত চঞ্চল এবং স্বাধীনচেতা। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি মেলবোর্নে চলে আসেন অভিনয়ে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য। এই সময়ে তিনি বিভিন্ন ছোটখাটো কাজ করতেন, যেমন সাবওয়েতে স্যান্ডউইচ বানানো, যাতে তাঁর অভিনয়ের স্বপ্ন পূরণের খরচ জোগাড় হয়। তাঁর এই সংগ্রামমুখর প্রারম্ভিক জীবনই তাঁকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে অনুপ্রাণিত করেছে।

শিক্ষাজীবন

মার্গো রবি গোল্ড কোস্টের সমারসেট কলেজে পড়াশোনা করেছেন। যদিও তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন খুব দীর্ঘ ছিল না, তবে অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ তাঁকে সবসময়ই উৎসাহিত করেছে। মেলবোর্নে স্থানান্তরের পর তিনি বিভিন্ন অভিনয় কর্মশালায় অংশ নেন এবং থিয়েটারে কাজ করার সুযোগ খোঁজেন। তাঁর শিক্ষাজীবন মূলত হাতে-কলমে এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে, যা তাঁকে একজন স্বশিক্ষিত এবং দক্ষ অভিনেত্রী হিসেবে গড়ে তুলেছে।

ক্যারিয়ার

মার্গো রবির অভিনয় জীবনের শুরু অস্ট্রেলিয়ান টেলিভিশন সিরিজ Neighbours (২০০৮-২০১১) এর মাধ্যমে, যেখানে তিনি ডোনা ফ্রিডম্যান চরিত্রে অভিনয় করে অস্ট্রেলিয়ায় বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এই সিরিজ তাঁকে অভিনয়ের প্রাথমিক ভিত গড়ে তুলতে সাহায্য করে এবং তাঁর প্রতিভা দর্শকদের নজরে আসে।

হলিউডে পদার্পণ ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি

২০১১ সালে মার্গো রবি হলিউডে পা রাখেন এবং আমেরিকান টেলিভিশন সিরিজ Pan Am-এ (২০১১-২০১২) লরা ক্যামেরন চরিত্রে অভিনয় করেন। এটি তাঁকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি এনে দেয়। তবে তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় মার্টিন স্কোরসেসির The Wolf of Wall Street (২০১৩) ছবিটি। এই ছবিতে নাওমি লাপাগ্লিয়া চরিত্রে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বিপরীতে তাঁর সাহসী এবং শক্তিশালী অভিনয় তাঁকে রাতারাতি বিশ্বব্যাপী তারকায় পরিণত করে। সমালোচক এবং দর্শক উভয়ই তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করেন।

সুপারহিরো এবং বায়োপিক

এরপর মার্গো রবি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করতে থাকেন। Focus (২০১৫) ছবিতে উইল স্মিথের বিপরীতে তাঁর অভিনয় তাঁর বাণিজ্যিক আবেদনকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ২০১৬ সালে তিনি ডিসি এক্সটেন্ডেড ইউনিভার্সের ছবি Suicide Squad-এ কুখ্যাত ভিলেন হার্লি কুইন চরিত্রে অভিনয় করেন। এই চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয়তা লাভ করে যে এটি মার্গো রবির ক্যারিয়ারের একটি অন্যতম আইকনিক চরিত্রে পরিণত হয়। হার্লি কুইনের পাগলাটে এবং রঙিন ব্যক্তিত্বকে তিনি যেভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা দর্শকদের মন জয় করে নেয়।

২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত I, Tonya ছবিতে টোনিয়া হার্ডিং নামক বিতর্কিত ফিগার স্কেটারের চরিত্রে তাঁর অভিনয় তাঁকে প্রথম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন এনে দেয়। এই ছবিতে তাঁর অভিনয় ছিল এতটাই বাস্তবসম্মত যে অনেকেই তাঁকে আসল টোনিয়া হার্ডিং বলে ভুল করেছিলেন। এই ছবিটি তাঁর অভিনয় জীবনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং সমালোচকদের কাছে তাঁকে একজন গুরুতর অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ

মার্গো রবি শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রী নন, তিনি একজন সফল প্রযোজকও। তাঁর প্রযোজনা সংস্থা LuckyChap Entertainment (লকিচ্যাপ এন্টারটেইনমেন্ট) এর মাধ্যমে তিনি বেশ কিছু প্রশংসিত চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন সিরিজ নির্মাণ করেছেন। I, Tonya ছবিটিও তাঁর প্রযোজনা সংস্থার প্রথম সফল উদ্যোগ ছিল। এই সংস্থা নারী-কেন্দ্রিক গল্প এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ বিষয়বস্তুকে গুরুত্ব দেয়।

সাম্প্রতিক সাফল্য

২০১৯ সালে তিনি কোয়েন্টিন টারান্টিনোর Once Upon a Time in Hollywood ছবিতে শ্যারন টেটের চরিত্রে অভিনয় করেন এবং Bombshell ছবিতে কাইলা পসপিসিল চরিত্রে তাঁর অভিনয় তাঁকে আরও একটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন এনে দেয়। হার্লি কুইন চরিত্রে তিনি Birds of Prey (২০২০) এবং The Suicide Squad (২০২১) ছবিতে ফিরে আসেন, যা তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে তোলে।

২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত Barbie (বার্বি) চলচ্চিত্রটি মার্গো রবির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলির মধ্যে অন্যতম। এই ছবিতে তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করার পাশাপাশি সহ-প্রযোজনাও করেন। ছবিটি বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে অভাবনীয় সাফল্য লাভ করে এবং সাংস্কৃতিক জগতে এক নতুন উন্মাদনা তৈরি করে। Barbie ছবির জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রী এবং সেরা চলচ্চিত্র (প্রযোজক হিসেবে) বিভাগে দুটি গোল্ডেন গ্লোব মনোনয়ন এবং সেরা চলচ্চিত্র (প্রযোজক হিসেবে) বিভাগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পান। এই ছবিটি মার্গো রবিকে বিশ্বব্যাপী এক আইকনিক তারকার মর্যাদা দিয়েছে এবং ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীতে পরিণত করেছে।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী: ২০২৩ সালে মার্গো রবি বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীর খেতাব অর্জন করেন, যা তাঁর বাণিজ্যিক সাফল্য এবং তারকা ক্ষমতার প্রমাণ।
  • একাডেমি অ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন: তিনি I, Tonya (২০১৭) ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রী এবং Bombshell (২০১৯) ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেয়েছেন। এছাড়াও, Barbie (২০২৩) ছবির একজন প্রযোজক হিসেবে সেরা চলচ্চিত্রের জন্য একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেয়েছেন।
  • গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন: তিনি চারটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন, যা তাঁর অভিনয় দক্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
  • ব্রিটিশ একাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড (বাফটা) মনোনয়ন: ছয়টি বাফটা অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন, যা যুক্তরাজ্যের চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর গুরুত্ব তুলে ধরে।
  • প্রযোজনা সংস্থার সাফল্য: তাঁর প্রযোজনা সংস্থা লাকিচ্যাপ এন্টারটেইনমেন্ট I, Tonya, Promising Young Woman, এবং Barbie-এর মতো সমালোচক-প্রশংসিত এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে, যা তাঁকে একজন প্রভাবশালী প্রযোজক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
  • সাংস্কৃতিক প্রভাব: Barbie চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি শুধুমাত্র বক্স অফিস সাফল্যই পাননি, বরং একটি বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক ঘটনা তৈরি করেছেন, যা ফ্যাশন, সমাজ এবং নারীবাদের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।

ব্যক্তিগত জীবন

মার্গো রবি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে জনসমক্ষে আনা থেকে বিরত থাকেন এবং এটি নিয়ে খুব বেশি আলোচনা করতে পছন্দ করেন না। ২০১৬ সালে তিনি ব্রিটিশ সহকারী পরিচালক টম অ্যাকারলিকে বিয়ে করেন। তাঁদের পরিচয় হয়েছিল Suite Française (২০১৪) ছবির সেটে, যেখানে মার্গো রবি অভিনয় করছিলেন এবং টম অ্যাকারলি সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করছিলেন। এই দম্পতি খুব ব্যক্তিগত একটি অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে তাঁরা লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাস করেন। মার্গো রবি প্রায়শই তাঁর স্বামী এবং প্রযোজনা সংস্থা লাকিচ্যাপ এন্টারটেইনমেন্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা টম অ্যাকারলির সাথে বিভিন্ন প্রোজেক্টে কাজ করেন, যা তাঁদের পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

মজার তথ্য

  • মার্গো রবি একজন আইস হকি ভক্ত এবং নিউ ইয়র্ক রেঞ্জার্স দলের একজন অনুরাগী। প্রায়শই তাঁকে খেলা দেখতে দেখা যায়।
  • তিনি তাঁর সহ-অভিনেতাদের ট্যাটু করে দিয়েছেন। Suicide Squad-এর সেটে তিনি একটি ট্যাটু গান কিনেছিলেন এবং অনেক সহকর্মীকে 'SKWAD' ট্যাটু করে দিয়েছিলেন।
  • বিখ্যাত হওয়ার আগে তিনি সাবওয়েতে কাজ করতেন। তিনি নিজেই এই কথা জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে তিনি স্যান্ডউইচ বানাতে বেশ পারদর্শী ছিলেন।
  • I, Tonya ছবিতে টোনিয়া হার্ডিং চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি নিবিড়ভাবে আইস স্কেটিং শিখেছিলেন এবং এই প্রশিক্ষণের জন্য তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করেছেন।
  • তিনি তাঁর প্রযোজনা সংস্থা লাকিচ্যাপ এন্টারটেইনমেন্ট তাঁর স্বামী টম অ্যাকারলি এবং দুই বন্ধুকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন, যার লক্ষ্য নারী গল্পকারদের সুযোগ দেওয়া।

উপসংহার

মার্গো রবি তাঁর অসাধারণ প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হলিউডে নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্ট থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাপী একজন আইকনিক তারকা এবং সফল প্রযোজক হিসেবে তাঁর যাত্রা সত্যিই অনুপ্রেরণামূলক। তিনি শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রী হিসেবেই সফল নন, তাঁর প্রযোজনা সংস্থা লাকিচ্যাপ এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছেন, যা নারী-কেন্দ্রিক গল্প এবং নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দিচ্ছে। মার্গো রবি প্রমাণ করেছেন যে মেধা, অধ্যবসায় এবং লক্ষ্য স্থির থাকলে যেকোনো স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব। আগামী দিনে তাঁর কাছ থেকে আরও অনেক অসাধারণ কাজ দেখার অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্ব।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: মার্গো রবি কিসের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত?

উত্তর: মার্গো রবি তাঁর বহুমুখী অভিনয়ের জন্য পরিচিত, বিশেষ করে 'বার্বি', 'দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট', 'আই, টোনিয়া' এবং 'সুইসাইড স্কোয়াড'-এ হার্লি কুইনের চরিত্রে তাঁর অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।

প্রশ্ন: মার্গো রবির জন্মস্থান কোথায়?

উত্তর: মার্গো রবির জন্ম অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের ডালবি শহরে। তিনি গোল্ড কোস্টের একটি প্রত্যন্ত খামার বাড়িতে বড় হয়েছেন।

প্রশ্ন: মার্গো রবি কি কোনো পুরস্কার জিতেছেন?

উত্তর: মার্গো রবি একাধিকবার একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড এবং বাফটা অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন। যদিও তিনি এখনও কোনো একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড জেতেননি, তবে তাঁর অভিনয় সমালোচকদের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে এবং তিনি ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ছিলেন।

প্রশ্ন: মার্গো রবির প্রযোজনা সংস্থার নাম কী?

উত্তর: মার্গো রবির প্রযোজনা সংস্থার নাম হলো লাকিচ্যাপ এন্টারটেইনমেন্ট (LuckyChap Entertainment)। এই সংস্থাটি I, Tonya, Promising Young Woman এবং Barbie-এর মতো সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে।

প্রশ্ন: মার্গো রবি কি বিবাহিত?

উত্তর: হ্যাঁ, মার্গো রবি ২০১৬ সালে ব্রিটিশ সহকারী পরিচালক টম অ্যাকারলিকে বিয়ে করেছেন। তাঁরা তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনকে জনসাধারণের নজর থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন।

প্রশ্ন: 'বার্বি' ছবিতে মার্গো রবির ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর: 'বার্বি' ছবিতে মার্গো রবি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এবং একই সাথে তিনি এই ছবির অন্যতম প্রযোজকও ছিলেন। এই ছবিটি বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে।

No comments:

Post a Comment

Bottom Ad [Post Page]

| Designed by Colorlib