Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

তথ্যসারণি
পূর্ণ নাম আবুল মাল আব্দুল মুহিত
অন্যান্য নাম এ এম এ মুহিত
জন্ম ২৫ জানুয়ারি ১৯৩৪
মৃত্যু ৩০ এপ্রিল ২০২২
জন্মস্থান সিলেট, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ)
পেশা অর্থনীতিবিদ, লেখক, কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ, সিভিল সার্ভেন্ট
জাতীয়তা বাংলাদেশী
রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
উল্লেখযোগ্য পদ বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী (২০০৯-২০১৯)
পুরস্কার স্বাধীনতা পদক (২০১৬)

পরিচিতি

আবুল মাল আব্দুল মুহিত, যিনি এ এম এ মুহিত নামেই সমধিক পরিচিত, ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। একজন প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ, লেখক, কূটনীতিক, সিভিল সার্ভেন্ট এবং দীর্ঘকালীন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় রচনা করেছেন। বিশেষ করে, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত টানা দশ বছর বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার ভূমিকা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। তার কর্মময় জীবন ছিল জ্ঞান, প্রজ্ঞা এবং দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা তাকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন দূরদর্শী নেতা হিসেবে স্থান করে দিয়েছে।

Muhith

Photo: Wikimedia Commons
View Source

প্রারম্ভিক জীবন

এ এম এ মুহিত ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের সিলেট জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ এবং মাতা ছিলেন সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী। তার পরিবার সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সুপরিচিত ছিল। শৈশব থেকেই মেধা ও প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রেখে তিনি বেড়ে ওঠেন এক শিক্ষানুরাগী পরিবেশে, যা তার ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি স্থাপন করে। পারিবারিক মূল্যবোধ ও শিক্ষাদীক্ষা তাকে দেশ ও দশের সেবায় উদ্বুদ্ধ করেছিল।

শিক্ষাজীবন

এ এম এ মুহিতের শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত গৌরবময়। তিনি ১৯৫১ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং ১৯৫৭ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জন প্রশাসনে (Public Administration) স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তার এই উচ্চশিক্ষা তাকে অর্থনীতি ও প্রশাসনিক বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে, যা পরবর্তীকালে তার কর্মজীবনে অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছিল।

ক্যারিয়ার

এ এম এ মুহিতের কর্মজীবন ছিল বর্ণাঢ্য ও বহুমুখী। ১৯৫৬ সালে তিনি পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস (সিএসপি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। তার কর্মজীবনের শুরুতেই তিনি পূর্ব পাকিস্তান, পশ্চিম পাকিস্তান এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

সিভিল সার্ভেন্ট ও কূটনীতিক

  • ১৯৬৯ সালে তিনি পাকিস্তান পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান এবং অর্থ সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
  • ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন এবং প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে ও তহবিল সংগ্রহে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এটি ছিল তার দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
  • দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি নবগঠিত বাংলাদেশের পরিকল্পনা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF), বিশ্বব্যাংক (World Bank), আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। এসব সংস্থায় তার অভিজ্ঞতা তাকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও উন্নয়নের গভীর জ্ঞান প্রদান করে।

রাজনীতিবিদ ও অর্থমন্ত্রী

১৯৮১ সালে সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের পর এ এম এ মুহিত রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

  • ১৯৮২ সালে তিনি এরশাদ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তবে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন।
  • ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সিলেট-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যদিও সেবার তিনি নির্বাচিত হতে পারেননি।
  • ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সিলেট-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
  • ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • তিনি টানা দশ বছর (২০০৯-২০১৯) বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং এই সময়ে তিনি ১০টি বাজেট পেশ করেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক রেকর্ড। তার সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক সংস্কার ও উন্নয়ন সাধিত হয়। তিনি দেশের বাজেটকে কয়েকগুণ বৃদ্ধি করেন এবং দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

লেখক ও বুদ্ধিজীবী

এ এম এ মুহিত একজন খ্যাতিমান লেখক ও বুদ্ধিজীবী হিসেবেও পরিচিত। তিনি অর্থনীতি, ইতিহাস, জন প্রশাসন এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ৪০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার লেখাগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। তার উল্লেখযোগ্য কিছু প্রকাশনার মধ্যে রয়েছে 'বাংলাদেশ: ইমার্জেন্স অব এ নেশন', 'ডাইনামিকস অব বাংলাদেশ ইকোনমি' ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • দীর্ঘতম অর্থমন্ত্রী: বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে (টানা দশ বছর) অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন এবং দশটি বাজেট পেশ করার বিরল রেকর্ড তার।
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: তার অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এবং মাথাপিছু আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
  • দারিদ্র্য বিমোচন: দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন, যা দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হয়।
  • ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা: আর্থিক খাতের ডিজিটালাইজেশন এবং আধুনিকায়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ সুগম করে।
  • মুক্তিযুদ্ধে অবদান: ১৯৭১ সালে প্রবাসে থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেন।
  • স্বাধীনতা পদক: জনসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৬ সালে তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করেন।

ব্যক্তিগত জীবন

এ এম এ মুহিত ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দা সাবিয়া মুহিতের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তাদের দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী ছিলেন একজন সমাজকর্মী ও শিক্ষানুরাগী। পারিবারিক জীবনে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ পিতা ও স্বামী। মুহিত সাহেব ছিলেন একজন বইপ্রেমী এবং তার ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারে ছিল হাজার হাজার বই। অবসর সময়ে তিনি লেখালেখি ও পড়াশোনায় মগ্ন থাকতেন। তার জীবনযাপন ছিল অত্যন্ত সাদামাটা এবং তিনি জ্ঞানচর্চাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন।

মজার তথ্য

  • এ এম এ মুহিত তার জীবনের শেষ বাজেট পেশ করার সময় ৮৫ বছর বয়সী ছিলেন, যা তাকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক অর্থমন্ত্রী হিসেবে রেকর্ড গড়ে।
  • তিনি তার দীর্ঘ কর্মজীবনে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস, বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচায়ক।
  • তার ব্যক্তিগত সংগ্রহে প্রায় ৩৫ হাজার বই ছিল, যা তার জ্ঞানান্বেষী সত্তার প্রমাণ। তিনি প্রায়শই বলতেন, বই তার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।

উপসংহার

আবুল মাল আব্দুল মুহিত ছিলেন বাংলাদেশের এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি তার মেধা, প্রজ্ঞা এবং দেশপ্রেম দিয়ে দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে এক গভীর প্রভাব ফেলে গেছেন। সিভিল সার্ভেন্ট থেকে শুরু করে কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তা এবং সফল অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার কর্মজীবন ছিল এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ, প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একজন লেখক ও বুদ্ধিজীবী হিসেবেও তিনি রেখে গেছেন অমূল্য সৃষ্টিকর্ম। তার জীবন ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় দিকনির্দেশনা দেবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: এ এম এ মুহিত কে ছিলেন?

উত্তর: আবুল মাল আব্দুল মুহিত ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ, সিভিল সার্ভেন্ট, কূটনীতিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

প্রশ্ন: তিনি কতবার বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন?

উত্তর: এ এম এ মুহিত টানা দশ বছর (২০০৯-২০১৯) বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ে তিনি মোট দশটি জাতীয় বাজেট পেশ করেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন অর্থমন্ত্রীর জন্য একটি রেকর্ড।

প্রশ্ন: তার শিক্ষাজীবন সম্পর্কে কিছু বলুন।

উত্তর: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জন প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন, যা তার কর্মজীবনের ভিত্তি স্থাপন করে।

প্রশ্ন: তিনি কি মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছিলেন?

উত্তর: হ্যাঁ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন এবং প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

প্রশ্ন: তিনি কী কী পুরস্কার পেয়েছেন?

উত্তর: জনসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রদান করে সম্মানিত করে। তার দীর্ঘ কর্মজীবনের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে আরও অনেক সম্মাননা পেয়েছেন।

প্রশ্ন: তার লেখা কিছু বইয়ের নাম কী?

উত্তর: এ এম এ মুহিত অর্থনীতি, ইতিহাস ও জন প্রশাসন নিয়ে ৪০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কিছু প্রকাশনার মধ্যে রয়েছে 'বাংলাদেশ: ইমার্জেন্স অব এ নেশন' এবং 'ডাইনামিকস অব বাংলাদেশ ইকোনমি'।

প্রশ্ন: এ এম এ মুহিতের পারিবারিক জীবন কেমন ছিল?

উত্তর: তিনি সৈয়দা সাবিয়া মুহিতের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন এবং তাদের দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন আদর্শ পিতা ও স্বামী ছিলেন এবং জ্ঞানচর্চা ও বই পড়াকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]