Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

তথ্যসারণি

নামমোহাম্মদ রফি
পেশাপ্লেব্যাক গায়ক, সঙ্গীতশিল্পী
জাতীয়তাভারতীয়
জন্ম২৪ ডিসেম্বর ১৯২৪
মৃত্যু৩১ জুলাই ১৯৮০ (৫৯ বছর বয়সে)
পরিচিতিভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রভাবশালী গায়ক
উল্লেখযোগ্য পুরস্কারপদ্মশ্রী (১৯৬৭), ৬টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ১টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

পরিচিতি

ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসে যে কজন শিল্পী তাদের অমর সুরের জাদুতে কোটি কোটি শ্রোতার মন জয় করে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, মোহাম্মদ রফি তাদের মধ্যে অন্যতম। একাধারে বহুমুখী প্রতিভা এবং অবিশ্বাস্য কণ্ঠস্বরের অধিকারী এই কিংবদন্তি শিল্পী ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বকালের সেরা এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী গায়কদের একজন হিসেবে বিবেচিত হন। তার গানগুলো গতিশীল ও উৎসবমুখর পরিবেশ থেকে শুরু করে দেশাত্মবোধক, বিষাদময়, অত্যন্ত রোমান্টিক, কাওয়ালি, গজল, ভজন এবং ধ্রুপদী সঙ্গীতের মতো বিভিন্ন ধারায় বিস্তৃত ছিল। পর্দায় অভিনেতার ব্যক্তিত্ব এবং শৈলীর সাথে তার কণ্ঠকে মানিয়ে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। তার কণ্ঠের জাদুতে প্রতিটি গান জীবন্ত হয়ে উঠতো, যা তাকে বলিউডের স্বর্ণযুগের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করেছে।

Mohammed Rafi

Photo: Wikimedia Commons
View Source

প্রারম্ভিক জীবন

মোহাম্মদ রফি ১৯২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসরের কাছে কোটলা সুলতান সিং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা হাজী আলী মোহাম্মদ এবং মা আল্লাহ রাখা। শৈশবে তিনি তার গ্রামের মসজিদে একজন ফকিরের গান শুনে সঙ্গীতের প্রতি আকৃষ্ট হন। এই ফকিরের গান তাকে এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে, তিনি নিজেও সেই সুর অনুকরণ করতে শুরু করেন। ছোটবেলায় তার পরিবারের সদস্যরা লাহোরে চলে আসেন, যেখানে রফি তার বড় ভাইয়ের সেলুনের দোকানে সাহায্য করতেন। সেখানেই তিনি স্থানীয় একজন উস্তাদের কাছে সঙ্গীতের প্রাথমিক তালিম নেন। কিশোর বয়সেই তার সঙ্গীতের প্রতি গভীর অনুরাগ এবং মেধা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি লাহোরে একটি জনসভায় প্রথম জনসমক্ষে গান পরিবেশন করেন, যা উপস্থিত শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।

শিক্ষাজীবন

মোহাম্মদ রফির আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য খুব বেশি পাওয়া যায় না, তবে তার সঙ্গীত শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তিনি উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান, ফিরোজ নিজামী এবং আব্দুল ওয়াহিদ খানের মতো প্রখ্যাত সঙ্গীত গুরুদের কাছে সঙ্গীতের তালিম নেন। এই গুরুদের তত্ত্বাবধানে তিনি ধ্রুপদী সঙ্গীতের গভীর জ্ঞান অর্জন করেন, যা তার কণ্ঠের বহুমুখিতা এবং নিয়ন্ত্রণকে আরও উন্নত করে তোলে। লাহোরে তার প্রথম জনসভা তাকে সঙ্গীত জগতে পরিচিতি এনে দেয় এবং তাকে রেডিও লাহোরে গান গাওয়ার সুযোগ করে দেয়। এই অভিজ্ঞতা তার ভবিষ্যৎ সঙ্গীত জীবনের ভিত্তি স্থাপন করে।

ক্যারিয়ার

মোহাম্মদ রফির সঙ্গীত ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ১৯৪৪ সালে লাহোরে, পাঞ্জাবি চলচ্চিত্র ‘গুল বালোচ’-এর মাধ্যমে। সেই বছরই তিনি মুম্বাই (তৎকালীন বোম্বে) চলে আসেন, যা তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মুম্বাইয়ে তিনি প্রথমে সঙ্গীত পরিচালক নওশাদের নজরে আসেন। নওশাদ তার কণ্ঠে মুগ্ধ হয়ে তাকে ১৯৪৫ সালের চলচ্চিত্র ‘গাঁও কি গোরি’ এবং ১৯৪৬ সালের ‘আনমোল ঘড়ি’ ছবিতে গান গাওয়ার সুযোগ দেন। এই ছবিগুলোর গান তাকে দ্রুত পরিচিতি এনে দেয়।

১৯৫০ এবং ১৯৬০ এর দশক ছিল মোহাম্মদ রফির ক্যারিয়ারের স্বর্ণযুগ। তিনি নওশাদ, শচীন দেববর্মণ, শঙ্কর-জয়কিষণ, ও.পি. নায়ার, লক্ষ্মীকান্ত-প্যায়ারেলাল, আর.ডি. বর্মণ-এর মতো প্রায় সব প্রধান সঙ্গীত পরিচালকের সাথে কাজ করেছেন। দিলীপ কুমার, দেব আনন্দ, শাম্মী কাপুর, ধর্মেন্দ্র, রাজেশ খান্না এবং অমিতাভ বচ্চনের মতো অভিনেতাদের জন্য তিনি হাজার হাজার গান গেয়েছেন। তার কণ্ঠের জাদুতে এই অভিনেতাদের পর্দায় উপস্থাপন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতো।

রফির বহুমুখী প্রতিভা তাকে সব ধরনের গান গাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি রোমান্টিক গান যেমন ‘তেরে মেরে স্বপ্নে’ (গাইড), তেমনি মজার গান যেমন ‘আজ কাল তেরে মেরে পেয়ার কে চর্চে’ (ব্রহ্মচারী), এবং বিষাদময় গান যেমন ‘কিয়া হুয়া তেরা ওয়াদা’ (হাম কিসি সে কম নহিঁ) সমান দক্ষতার সাথে গেয়েছেন। দেশাত্মবোধক গান ‘এ মেরে ওয়াতন কে লোগো’ (যদিও তিনি এটি প্লেব্যাক করেননি, তবে তার দেশাত্মবোধক গানও জনপ্রিয় ছিল), ভজন, কাওয়ালি এবং গজল – সব ক্ষেত্রেই তার অবদান অনস্বীকার্য।

১৯৭০-এর দশকের প্রথম দিকে কিশোর কুমারের উত্থানের সাথে সাথে রফির ক্যারিয়ারে কিছুটা ভাটা পড়েছিল বলে মনে করা হয়, তবে তিনি ১৯৭৭ সালের চলচ্চিত্র ‘অমর আকবর অ্যান্থনি’-এর ‘তেরে মেরে দোস্তি’ এবং ‘হাম কিসি সে কম নহিঁ’-এর ‘কিয়া হুয়া তেরা ওয়াদা’ গানগুলোর মাধ্যমে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সক্রিয়ভাবে গান গেয়ে গেছেন। তার শেষ রেকর্ড করা গান ছিল ‘আস পাস’ চলচ্চিত্রের ‘শাম ফির আয়ি’, যা তার মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে রেকর্ড করা হয়েছিল।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

মোহাম্মদ রফি তার বর্ণাঢ্য সঙ্গীত জীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। তার কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জন নিচে দেওয়া হলো:

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: তিনি ১৯৭৭ সালে ‘কিয়া হুয়া তেরা ওয়াদা’ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরুষ প্লেব্যাক গায়কের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
  • ফিল্মফেয়ার পুরস্কার: তিনি মোট ছয়বার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন, যা তার প্রজন্মের গায়কদের মধ্যে একটি রেকর্ড। এর মধ্যে রয়েছে:
    • ১৯৬০: ‘চাহুঙ্গা ম্যায় তুঝে’ (দো বদন)
    • ১৯৬১: ‘তেরি পিয়ারি পিয়ারি সুরত কো’ (সসুরাল)
    • ১৯৬৬: ‘বাহারো ফুল বরসাও’ (সুরাজ)
    • ১৯৬৮: ‘দিল তেরা দিওয়ানা’ (দিল তেরা দিওয়ানা)
    • ১৯৭৭: ‘কিয়া হুয়া তেরা ওয়াদা’ (হাম কিসি সে কম নহিঁ)
  • পদ্মশ্রী: ১৯৬৭ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’ উপাধিতে ভূষিত করে।
  • সহস্রাব্দের সেরা গায়ক: ২০০১ সালে হিরো হোন্ডা এবং স্টারডাস্ট ম্যাগাজিন তাকে ‘সহস্রাব্দের সেরা গায়ক’ (Best Singer of the Millennium) উপাধিতে সম্মানিত করে।
  • শ্রেষ্ঠ কণ্ঠস্বর: ২০১৩ সালে সিএনএন-আইবিএন পরিচালিত এক জরিপে তাকে হিন্দি সিনেমার ‘শ্রেষ্ঠ কণ্ঠস্বর’ (Greatest Voice in Hindi Cinema) হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এছাড়াও তিনি অসংখ্য আঞ্চলিক এবং অন্যান্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যা ভারতীয় সঙ্গীতে তার অতুলনীয় অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবন

মোহাম্মদ রফি তার ব্যক্তিগত জীবনে একজন অত্যন্ত বিনয়ী, ধার্মিক এবং পারিবারিক মানুষ ছিলেন। তিনি দুবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন বশিরা বিবি, যাকে তিনি অল্প বয়সেই বিয়ে করেছিলেন এবং যার সাথে তার একটি পুত্র সন্তান ছিল। পরবর্তীতে তিনি বিলকিস বেগমকে বিয়ে করেন এবং তাদের ঘরে বেশ কয়েকজন সন্তান ছিল। রফি তার পরিবারকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং তাদের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করতেন। তিনি মদ্যপান বা ধূমপান করতেন না এবং তার ধর্মীয় বিশ্বাসে অত্যন্ত দৃঢ় ছিলেন। তার উদারতা এবং দানশীলতার জন্য তিনি সুপরিচিত ছিলেন। কথিত আছে, তিনি অনেক সময়ই নতুন বা সংগ্রামরত প্রযোজকদের কাছ থেকে গান গাওয়ার জন্য কোনো পারিশ্রমিক নিতেন না। তিনি ব্যক্তিগত প্রচার থেকে দূরে থাকতেন এবং তার জীবনকে তার সঙ্গীত এবং পরিবারের প্রতি নিবেদিত রেখেছিলেন।

মজার তথ্য

  • বহুভাষী গায়ক: মোহাম্মদ রফি প্রায় হাজার হাজার গান গেয়েছেন, যার মধ্যে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষা যেমন বাংলা, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, কন্নড়, গুজরাটি, মারাঠি, তেলুগু, তামিল, মৈথিলী এবং আরও অনেক ভাষায় গান রয়েছে। এমনকি তিনি ইংরেজি, ফার্সি এবং ডাচ সহ কিছু বিদেশী ভাষাতেও গান গেয়েছিলেন।
  • রেকর্ড পরিমাণ গান: যদিও বিতর্কিত, তবে অনেকেই বিশ্বাস করেন যে মোহাম্মদ রফি তার ক্যারিয়ারে ২৬,০০০ এরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন, যা তাকে বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
  • বিনয় ও উদারতা: তিনি তার বিনয় এবং উদারতার জন্য পরিচিত ছিলেন। অনেক সময় তিনি নতুন সঙ্গীত পরিচালক বা প্রযোজকদের কাছ থেকে গান গাওয়ার জন্য কোনো পারিশ্রমিক নিতেন না।
  • কণ্ঠের পরিবর্তন: পর্দায় অভিনেতার সাথে তার কণ্ঠকে এমনভাবে মানিয়ে নিতেন যে অনেক সময় শ্রোতারা বিশ্বাস করতেন যে অভিনেতা নিজেই গান গাইছেন। দিলীপ কুমার, দেব আনন্দ, গুরু দত্ত, শাম্মী কাপুর, জয় মুখার্জি, বিশ্বজিৎ, সুনীল দত্ত, ধর্মেন্দ্র, রাজেন্দ্র কুমার, রাজেশ খান্না, জিতেন্দ্র, সঞ্জীব কুমার এবং অমিতাভ বচ্চন সহ প্রায় সব প্রধান অভিনেতার জন্য তিনি প্লেব্যাক করেছেন।
  • সময়ানুবর্তিতা: রফি তার সময়ানুবর্তিতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন। তিনি স্টুডিওতে সব সময় নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত হতেন।

উপসংহার

মোহাম্মদ রফি কেবল একজন গায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান, একটি আবেগ এবং ভারতীয় সঙ্গীতের একটি স্বর্ণালী অধ্যায়। তার কণ্ঠস্বর ছিল এক জাদুকরী শক্তি, যা আনন্দ, দুঃখ, প্রেম, বিরহ – সব অনুভূতিকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করতে পারতো। তার গানগুলো আজও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায় এবং তার স্মৃতিকে অমর করে রাখে। তিনি ৩১ জুলাই ১৯৮০ সালে মাত্র ৫৯ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান, কিন্তু তার সুরের উত্তরাধিকার ভারতীয় এবং বিশ্ব সঙ্গীতের ইতিহাসে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। মোহাম্মদ রফি ছিলেন এবং থাকবেন ভারতীয় সঙ্গীতের এক অবিস্মরণীয় কিংবদন্তি, যার নাম শুনলেই কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে সুরের ঝঙ্কার বেজে ওঠে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: মোহাম্মদ রফি কে ছিলেন?

উত্তর: মোহাম্মদ রফি ছিলেন একজন কিংবদন্তি ভারতীয় প্লেব্যাক গায়ক। তিনি তার বহুমুখী কণ্ঠস্বর এবং বিভিন্ন ধারার গানে অসাধারণ দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন এবং ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গায়ক হিসেবে বিবেচিত হন।

প্রশ্ন: মোহাম্মদ রফি কবে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: মোহাম্মদ রফি ১৯২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কোটলা সুলতান সিং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন: মোহাম্মদ রফি কত সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার পান?

উত্তর: মোহাম্মদ রফি ১৯৬৭ সালে ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’ উপাধিতে ভূষিত হন।

প্রশ্ন: মোহাম্মদ রফি কতগুলি গান গেয়েছেন?

উত্তর: সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, ধারণা করা হয় মোহাম্মদ রফি তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ২৬,০০০ এরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন, যার মধ্যে বিভিন্ন ভারতীয় এবং বিদেশী ভাষার গানও রয়েছে।

প্রশ্ন: মোহাম্মদ রফি কেন বিখ্যাত?

উত্তর: মোহাম্মদ রফি তার অসাধারণ কণ্ঠের বহুমুখিতা, আবেগপূর্ণ পরিবেশনা এবং সব ধরনের গান – রোমান্টিক, দুঃখের, দেশাত্মবোধক, ধ্রুপদী – সমান দক্ষতার সাথে গাওয়ার ক্ষমতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি পর্দায় অভিনেতার ব্যক্তিত্বের সাথে তার কণ্ঠকে মানিয়ে নিতে পারতেন।

প্রশ্ন: তার শেষ গান কোনটি ছিল?

উত্তর: মোহাম্মদ রফির শেষ রেকর্ড করা গান ছিল ‘আস পাস’ চলচ্চিত্রের ‘শাম ফির আয়ি’, যা তার মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে রেকর্ড করা হয়েছিল।

প্রশ্ন: মোহাম্মদ রফি কত বছর বয়সে মারা যান?

উত্তর: মোহাম্মদ রফি ৩১ জুলাই ১৯৮০ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৫৯ বছর বয়সে মারা যান।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]