তথ্যসারণি
| পূর্ণ নাম | শহীদ পঙ্কজ কাপুর |
|---|---|
| জন্ম | ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ (বয়স ৪৩) |
| জন্মস্থান | মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ভারত |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| পেশা | অভিনেতা |
| পরিচিতি | বলিউড অভিনেতা, 'কবীর সিং' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সুপরিচিত |
| পিতা | পঙ্কজ কাপুর |
| মাতা | নীলিমা আজিম |
| স্ত্রী | মীরা রাজপুত (বিবাহ: ২০১৫) |
| সন্তান | মিশা কাপুর, জেইন কাপুর |
| উল্লেখযোগ্য পুরস্কার | ৩টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার |
পরিচিতি
শহীদ কাপুর ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি তার বহুমুখী অভিনয় প্রতিভা এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছেন। প্রাথমিকভাবে রোমান্টিক চরিত্রের জন্য পরিচিত হলেও, সময়ের সাথে সাথে তিনি অ্যাকশন, থ্রিলার এবং গভীর মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। বলিউডের অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহণকারী অভিনেতাদের মধ্যে তিনি একজন এবং ২০১২ সাল থেকে ফোর্বস ইন্ডিয়ার 'সেলিব্রিটি ১০০' তালিকায় নিয়মিত স্থান পেয়ে আসছেন। তার অভিনয় জীবনের অসংখ্য পুরস্কারের মধ্যে তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 'কবীর সিং' এবং 'জব উই মেট'-এর মতো ব্লকবাস্টার ছবিতে তার অভিনয় তাকে সমালোচক এবং দর্শক উভয় মহলেই ব্যাপক প্রশংসা এনে দিয়েছে, যা তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের একজন অপরিহার্য তারকায় পরিণত করেছে।

Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
১৯৮১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে এক শিল্পানুরাগী পরিবারে শহীদ কাপুরের জন্ম। তার বাবা প্রখ্যাত অভিনেতা পঙ্কজ কাপুর এবং মা অভিনেত্রী নীলিমা আজিম। শৈশবেই তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটে এবং তিনি তার মায়ের সাথে দিল্লিতে বসবাস শুরু করেন। ছোটবেলা থেকেই শহীদ নাচ এবং অভিনয়ের প্রতি বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি দিল্লির জ্ঞান ভারতী স্কুলে ভর্তি হন। পরবর্তীতে দশ বছর বয়সে তিনি তার মায়ের সাথে মুম্বাই চলে আসেন। মুম্বাইয়ে এসে তিনি রাজহংস বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং সেখানে তিনি তার শৈল্পিক প্রতিভাকে আরও শাণিত করার সুযোগ পান। তার পরিবারের শৈল্পিক পরিবেশ তাকে অল্প বয়স থেকেই পারফর্মিং আর্টসের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল, যা তার ভবিষ্যতের পথ উন্মোচন করে।
শিক্ষাজীবন
মুম্বাইয়ে আসার পর শহীদ রাজহংস বিদ্যালয়ে তার স্কুলিং সম্পন্ন করেন। এর পাশাপাশি, তিনি নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী শ্যামক দাভরের নৃত্য একাডেমিতে (শ্যামক দাভর ইনস্টিটিউট ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস – SDIPA) যোগ দেন। এখানে তিনি নাচের বিভিন্ন কৌশল শেখেন এবং একজন পেশাদার নৃত্যশিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করতে থাকেন। শ্যামক দাভরের একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় তিনি অনেক লাইভ শো এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার হিসেবে কাজ করেছেন। এই অভিজ্ঞতা তাকে ক্যামেরার সামনে স্বচ্ছন্দ হতে এবং অভিনয়ের প্রাথমিক পাঠ নিতে সাহায্য করেছিল। এই সময়েই তার মধ্যে একজন অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দানা বাঁধতে শুরু করে।
ক্যারিয়ার
শহীদ কাপুরের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল নেপথ্য নৃত্যশিল্পী হিসেবে। তিনি শাহরুখ খানের 'দিল তো পাগল হ্যায়' এবং ঐশ্বরিয়া রাইয়ের 'তাল' ছবিতে ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি কিছু মিউজিক ভিডিওতেও অভিনয় করেন, যার মধ্যে আর্যন ব্যান্ডের 'আঁখো মে তেরা হি চেহরা' বিশেষভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
২০০৩ সালে 'ইশক ভিশক' ছবির মাধ্যমে তিনি বলিউডে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এই ছবিটি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পায় এবং শহীদ রাতারাতি 'চকলেট বয়' ইমেজ নিয়ে তরুণ প্রজন্মের হার্টথ্রবে পরিণত হন। তার প্রথম ছবির সাফল্য তাকে ফিল্মফেয়ার বেস্ট মেল ডেবিউ অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়।
প্রাথমিক সাফল্যের পর তার বেশ কিছু ছবি বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। তবে ২০০৬ সালে সুরাজ বরজাতিয়ার 'বিবাহ' ছবিতে তার সরল ও সাবলীল অভিনয় তাকে আবারও সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে আসে। এই ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত সফল হয় এবং শহীদের ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়ে আসে।
২০০৭ সালে ইমতিয়াজ আলীর রোমান্টিক কমেডি 'জব উই মেট' ছবিতে কারিনা কাপুরের বিপরীতে তার অভিনয় সমালোচক ও দর্শক উভয় মহলেই ব্যাপক প্রশংসিত হয়। এই ছবিটি শহীদের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং তাকে একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।
২০০৯ সালে বিশাল ভরদ্বাজের 'কামিনে' ছবিতে তিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করে তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দেন। এই ছবিতে তার ভিন্নধর্মী অভিনয় তাকে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়ে দেয় এবং তাকে রোমান্টিক নায়কের ইমেজ ভেঙে নতুন চরিত্রে কাজ করার সুযোগ করে দেয়।
এরপর তিনি 'বদমাশ কোম্পানি', 'মৌসম', 'ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো'-এর মতো ছবিতে কাজ করেন। ২০১৪ সালে বিশাল ভরদ্বাজের 'হায়দার' ছবিতে তার অভিনয় ছিল এক কথায় অসাধারণ। শেক্সপিয়রের 'হ্যামলেট' অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিতে তার তীব্র ও আবেগপূর্ণ অভিনয় তাকে ফিল্মফেয়ার বেস্ট অ্যাক্টর অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়। এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত হয়।
২০১৬ সালে 'উড়তা পাঞ্জাব' ছবিতে একজন মাদকাসক্ত রকস্টারের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি আবারও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। এই ছবিতে তার সাহসী এবং বাস্তবসম্মত অভিনয় তাকে ফিল্মফেয়ার ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট অ্যাক্টর এনে দেয়।
২০১৮ সালে ঐতিহাসিক ছবি 'পদ্মাবত'-এ মহারাওয়াল রতন সিং চরিত্রে তার অভিনয় তাকে আরও জনপ্রিয়তা এনে দেয়। তবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য আসে ২০১৯ সালে, যখন তিনি 'কবীর সিং' ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবিটি বক্স অফিসে ঝড় তোলে এবং শহীদ কাপুরের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয় করা ছবিতে পরিণত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে তিনি 'জার্সি' (২০২২) ছবিতে একজন ক্রিকেটারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর ওয়েব সিরিজ 'ফারজি' (২০২৩)-এর মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও দারুণ সাফল্য পেয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- ফিল্মফেয়ার পুরস্কার: শহীদ কাপুর তার অভিনয় জীবনে তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন। এর মধ্যে রয়েছে 'ইশক ভিশক' (২০০৩) ছবির জন্য সেরা নবাগত অভিনেতা, 'হায়দার' (২০১৪) ছবির জন্য সেরা অভিনেতা এবং 'উড়তা পাঞ্জাব' (২০১৬) ছবির জন্য সেরা অভিনেতা (সমালোচক)।
- ফোর্বস ইন্ডিয়া সেলিব্রিটি ১০০: ২০১২ সাল থেকে তিনি নিয়মিতভাবে ফোর্বস ইন্ডিয়ার 'সেলিব্রিটি ১০০' তালিকায় স্থান পেয়ে আসছেন, যা তার জনপ্রিয়তা এবং আর্থিক সাফল্যের পরিচায়ক।
- বাণিজ্যিক সাফল্য: 'বিবাহ', 'জব উই মেট', 'আর... রাজকুমার', 'পদ্মাবত' এবং 'কবীর সিং'-এর মতো অসংখ্য বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবিতে তিনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। 'কবীর সিং' তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয়কারী ছবি।
- সমালোচকদের প্রশংসা: 'কামিনে', 'হায়দার', 'উড়তা পাঞ্জাব' এবং 'ফারজি'-এর মতো ছবিতে তার অভিনয় সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে, যা তাকে একজন বহুমুখী এবং শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- নৃত্যশিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি: অভিনয়ে আসার আগে তিনি একজন দক্ষ নৃত্যশিল্পী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন এবং শ্যামক দাভরের নৃত্য একাডেমির একজন প্রশিক্ষিত সদস্য ছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবন
শহীদ কাপুরের ব্যক্তিগত জীবনও প্রায়শই সংবাদ শিরোনামে এসেছে। তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের সাথে তার সম্পর্ক ছিল, যা বলিউডে বেশ আলোচিত হয়। এই সম্পর্ক কয়েক বছর স্থায়ী হওয়ার পর শেষ হয়। এরপর প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সাথেও তার সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল।
২০১৫ সালের ৭ই জুলাই তিনি দিল্লির মেয়ে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন। এই বিয়ে ছিল একটি অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ এবং তাদের বয়সের পার্থক্য (শহীদ মীরার চেয়ে প্রায় ১৩ বছরের বড়) নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে তাদের সম্পর্ক বলিউডের অন্যতম স্থিতিশীল এবং সুখী দম্পতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে – ২০১৬ সালে তাদের কন্যা মিশা কাপুর এবং ২০১৮ সালে পুত্র জেইন কাপুরের জন্ম হয়। শহীদ কাপুর তার পরিবারকে খুবই গুরুত্ব দেন এবং প্রায়শই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে ছবি শেয়ার করেন। তিনি রাধা সোয়ামি সৎসঙ্গ বিয়াস নামক একটি আধ্যাত্মিক গোষ্ঠীর অনুসারী।
মজার তথ্য
- শহীদ কাপুর একজন নিরামিষাশী এবং প্রাণী অধিকারের সমর্থক। তিনি বহু বছর ধরে নিরামিষ খাদ্য গ্রহণ করছেন এবং এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে কথা বলেন।
- অভিনেতা হওয়ার আগে তিনি শ্যামক দাভরের নৃত্য একাডেমিতে একজন প্রশিক্ষিত নৃত্যশিল্পী ছিলেন এবং 'দিল তো পাগল হ্যায়' ও 'তাল'-এর মতো ছবিতে ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার হিসেবে কাজ করেছেন।
- শহীদ কাপুর একজন অত্যন্ত ফিটনেস সচেতন ব্যক্তি। তিনি নিয়মিত জিমে যান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন।
- তার বাবা পঙ্কজ কাপুর এবং মা নীলিমা আজিম দুজনেই অভিনেতা। তার সৎ মা সুপ্রিয়া পাঠকও একজন বিখ্যাত অভিনেত্রী।
- শহীদ কাপুরের প্রিয় খেলা ক্রিকেট এবং তিনি প্রায়শই ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে পছন্দ করেন।
- তিনি প্রথম দিকে রোমান্টিক হিরো হিসেবে পরিচিত হলেও, 'কামিনে' ছবির মাধ্যমে তিনি তার অ্যাকশন এবং সিরিয়াস চরিত্রে অভিনয়ের ক্ষমতা প্রমাণ করেন।
- শহীদ কাপুরের একটি প্রিয় শখ হলো ফটোগ্রাফি এবং তিনি প্রায়শই তার তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন।
উপসংহার
শহীদ কাপুরের অভিনয় জীবন এক দীর্ঘ এবং বর্ণাঢ্য যাত্রার প্রতিচ্ছবি, যেখানে তিনি অসংখ্য চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিজেকে বলিউডের অন্যতম সফল এবং সম্মানিত অভিনেতাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। একজন 'চকলেট বয়' ইমেজ থেকে শুরু করে 'হায়দার' বা 'কবীর সিং'-এর মতো তীব্র ও জটিল চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করা, তার বহুমুখী প্রতিভা এবং অভিনয়ের প্রতি তার নিষ্ঠারই পরিচয় বহন করে। ব্যক্তিগত জীবনে একজন দায়িত্বশীল স্বামী ও পিতা হিসেবেও তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তার ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপেই তিনি নতুন কিছু করার সাহস দেখিয়েছেন, যা তাকে সময়ের সাথে সাথে আরও পরিপক্ক অভিনেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে। শহীদ কাপুর কেবল একজন অভিনেতা নন, তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অনুপ্রেরণামূলক ব্যক্তিত্ব, যার প্রভাব আগামী প্রজন্মের অভিনেতাদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: শহীদ কাপুরের জন্ম তারিখ কত?
উত্তর: শহীদ কাপুর ১৯৮১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তার বয়স ৪৩ বছর।
প্রশ্ন: শহীদ কাপুরের স্ত্রী কে?
উত্তর: শহীদ কাপুরের স্ত্রীর নাম মীরা রাজপুত। ২০১৫ সালের ৭ই জুলাই তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
প্রশ্ন: শহীদ কাপুরের সবচেয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্র কোনটি?
উত্তর: শহীদ কাপুরের সবচেয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে 'কবীর সিং', 'জব উই মেট', 'হায়দার' এবং 'বিবাহ' উল্লেখযোগ্য। 'কবীর সিং' তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয়কারী ছবি।
প্রশ্ন: শহীদ কাপুরের বাবা কে?
উত্তর: শহীদ কাপুরের বাবা হলেন প্রখ্যাত ভারতীয় অভিনেতা পঙ্কজ কাপুর। তার মা অভিনেত্রী নীলিমা আজিম।
প্রশ্ন: শহীদ কাপুর কি কোনো পুরস্কার জিতেছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, শহীদ কাপুর তার অভিনয় জীবনে তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার সহ অসংখ্য সম্মাননা জিতেছেন। এর মধ্যে 'হায়দার' এবং 'উড়তা পাঞ্জাব' ছবির জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার রয়েছে।
প্রশ্ন: শহীদ কাপুরের প্রথম ছবি কোনটি?
উত্তর: শহীদ কাপুরের প্রথম ছবি হলো 'ইশক ভিশক', যা ২০০৩ সালে মুক্তি পায়। এই ছবির জন্য তিনি সেরা নবাগত অভিনেতার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিলেন।
প্রশ্ন: শহীদ কাপুর কি নিরামিষাশী?
উত্তর: হ্যাঁ, শহীদ কাপুর একজন নিরামিষাশী। তিনি দীর্ঘকাল ধরে নিরামিষ খাদ্য গ্রহণ করছেন এবং প্রাণী অধিকারের একজন সমর্থক।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন