Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

ওবায়দুল কাদের, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক সুপরিচিত এবং প্রভাবশালী নাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু হয়ে মুক্তিযুদ্ধ, কারাবরণ এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। দেশের সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে তার অবদান এবং দলের মুখপাত্র হিসেবে তার বলিষ্ঠ ভূমিকা তাকে দেশের মানুষের কাছে এক পরিচিত মুখ করে তুলেছে।

Obaidul Quader

Photo: Wikimedia Commons
View Source

তথ্যসারণি

পূর্ণ নাম ওবায়দুল কাদের
জন্ম ১ জানুয়ারি, ১৯৫২
জন্মস্থান বড় রাজাপুর, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী, বাংলাদেশ
পেশা রাজনীতিবিদ, লেখক
রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
পদ সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সংসদীয় আসন নোয়াখালী-৫ (সাবেক)
স্ত্রী ইশরাত জাহান কাদের
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ বাংলাদেশের হৃদয় হতে, পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু, এই বিজয়ের মুকুট কোথায়, মেঘে মেঘে অনেক বেলা, রচনা সমগ্র-১, দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ

পরিচিতি

ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ, যিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী হিসেবেও দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার রাজনৈতিক জীবন প্রায় ছয় দশক ধরে বিস্তৃত, যেখানে তিনি ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে একজন শীর্ষস্থানীয় নেতার আসনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অবদান অনস্বীকার্য। তার স্পষ্টভাষীতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততা তাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক বিশেষ অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

প্রারম্ভিক জীবন

ওবায়দুল কাদের ১৯৫২ সালের ১লা জানুয়ারি নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বড় রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোশাররফ হোসেন ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক। মায়ের নাম ফজিলাতুন্নেসা। শৈশব থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও কৌতূহলী ছিলেন। তার পরিবার ছিল রাজনৈতিকভাবে সচেতন, যা তার মধ্যে ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশে সহায়তা করে। কৈশোরেই তিনি ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং দ্রুতই তার সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা তার জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সম্মুখ সমরে অংশ নিয়ে তিনি দেশের স্বাধীনতা অর্জনে অবদান রাখেন।

শিক্ষাজীবন

ওবায়দুল কাদের তার শিক্ষাজীবনের শুরু করেন নিজ গ্রামেই। তিনি বসুরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তার মেধা, বাগ্মীতা এবং সাংগঠনিক ক্ষমতা তাকে দ্রুতই ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তার শিক্ষাজীবন ছিল জ্ঞান অর্জন এবং রাজনৈতিক আদর্শে নিজেকে শানিত করার এক নিরন্তর প্রক্রিয়া।

ক্যারিয়ার

ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার অত্যন্ত বর্ণাঢ্য এবং দীর্ঘ।

ছাত্র রাজনীতি ও কারাবরণ

  • ১৯৬৬ সালে তিনি ছাত্রলীগে যোগ দেন।
  • ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
  • ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মুজিব বাহিনীর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • স্বাধীনতার পর, ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর তিনি কারাবরণ করেন। প্রায় আড়াই বছর তিনি কারাগারে ছিলেন।
  • ১৯৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং দীর্ঘ সময় এই পদে দায়িত্ব পালন করেন।

সাংবাদিকতা ও লেখালেখি

রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকতা ও লেখালেখিতেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি দৈনিক বাংলার সহকারী সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন এবং নিয়মিত কলাম লিখেছেন। তার লেখালেখিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, সামাজিক সমস্যা এবং দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য উঠে এসেছে। তিনি বেশ কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা পাঠক মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীত্ব

  • ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-৫ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
  • ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় নোয়াখালী-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
  • ২০১১ সালের ২৮শে নভেম্বর তিনি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, যা পরবর্তীতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় নামে পরিচিত হয়।
  • ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর দায়িত্বে বহাল থাকেন। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেন। পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেল প্রকল্পসহ অসংখ্য বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক

২০১৬ সালের ২৩শে অক্টোবর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা, বিভিন্ন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং সরকারের উন্নয়ন বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় তার ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দলের মুখপাত্র হিসেবে তিনি নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অবস্থান এবং দলের নীতি ব্যাখ্যা করেন।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • ছাত্রলীগের সভাপতি: স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার নেতৃত্ব ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
  • মুক্তিযোদ্ধা: দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন।
  • সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী: পদ্মা সেতু, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেলসহ দেশের বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে নেতৃত্ব। তার সময়ে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।
  • আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক: দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি আওয়ামী লীগকে একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচালনা করে আসছেন।
  • লেখক: তার রচিত গ্রন্থগুলো বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও ইতিহাস সম্পর্কে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

ব্যক্তিগত জীবন

ওবায়দুল কাদের ব্যক্তিগত জীবনে ইশরাত জাহান কাদেরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ। তার স্ত্রী পেশায় একজন শিক্ষক। তাদের কোনো সন্তান নেই। ২০১৯ সালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি সফল অস্ত্রোপচার এবং চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এই সময়ে তার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে মানুষ প্রার্থনা করে। সুস্থ হয়ে তিনি আবার দেশের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে ফিরে আসেন, যা তার অদম্য মনোবল ও দৃঢ়তার পরিচয় বহন করে। তার জীবনযাত্রায় রয়েছে শৃঙ্খলা এবং সততার ছাপ।

মজার তথ্য

  • ওবায়দুল কাদের নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম এবং হাঁটার প্রতি যত্নশীল। তার সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার পেছনে এটি একটি বড় কারণ।
  • তিনি একজন স্পষ্টভাষী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তার বক্তৃতা এবং সংবাদ সম্মেলনগুলোতে প্রায়শই হাস্যরস ও সরাসরি মন্তব্য দেখা যায়, যা তাকে জনমানুষের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
  • তার লেখালেখির অভ্যাস দীর্ঘদিনের। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি নিয়মিত বই পড়েন এবং কলাম লেখেন।
  • ফুটবল খেলা তার অন্যতম প্রিয় বিনোদন। তিনি সুযোগ পেলেই খেলা দেখেন এবং বিভিন্ন দলের সমর্থক হিসেবেও পরিচিত।
  • তার পোশাক পরিচ্ছেদ এবং স্টাইল প্রায়শই আলোচনায় আসে। তিনি আধুনিক এবং পরিপাটি পোশাক পরতে পছন্দ করেন।

উপসংহার

ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতিতে তার উত্থান এবং দেশের সেবায় তার অবদান তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করে চলেছেন। তার নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দেশের প্রতি অঙ্গীকার তাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, যিনি দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: ওবায়দুল কাদের কে?

উত্তর: ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রশ্ন: তিনি কোন রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক?

উত্তর: তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৬ সালের ২৩শে অক্টোবর তিনি এই পদে নির্বাচিত হন।

প্রশ্ন: তিনি কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?

উত্তর: ওবায়দুল কাদের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রশ্ন: তার শিক্ষাজীবন সম্পর্কে কিছু বলুন।

উত্তর: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং পরবর্তীতে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

প্রশ্ন: তিনি কি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন?

উত্তর: হ্যাঁ, ওবায়দুল কাদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মুজিব বাহিনীর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রশ্ন: ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীর নাম কি?

উত্তর: ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীর নাম ইশরাত জাহান কাদের। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক।

প্রশ্ন: তার উল্লেখযোগ্য কিছু বইয়ের নাম কি?

উত্তর: তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে 'বাংলাদেশের হৃদয় হতে', 'পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু', 'এই বিজয়ের মুকুট কোথায়', 'মেঘে মেঘে অনেক বেলা', 'রচনা সমগ্র-১' এবং 'দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ'।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]