তথ্যসারণি
| পূর্ণ নাম | অস্টিন রিচার্ড পোস্ট |
|---|---|
| পেশা | গায়ক, র্যাপার, গীতিকার, রেকর্ড প্রযোজক, অভিনেতা |
| জাতীয়তা | আমেরিকান |
| জন্ম | ৪ জুলাই, ১৯৯৫ |
| জন্মস্থান | সিরাকিউজ, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| পরিচিতি | তার অনন্য সঙ্গীত শৈলী যা হিপ-হপ, পপ, আরএন্ডবি এবং রক-এর মিশ্রণ |
| উল্লেখযোগ্য অ্যালবাম | Stoney, Beerbongs & Bentleys, Hollywood's Bleeding, Twelve Carat Toothache, Austin |
| উল্লেখযোগ্য গান | White Iverson, Rockstar, Congratulations, Sunflower, Circles |
পরিচিতি
অস্টিন রিচার্ড পোস্ট, যিনি বিশ্বজুড়ে পোস্ট মেলোন নামেই সুপরিচিত, একজন আমেরিকান গায়ক, র্যাপার, গীতিকার, রেকর্ড প্রযোজক এবং অভিনেতা। তার সঙ্গীত বিভিন্ন ধারার এক ব্যতিক্রমী মিশ্রণ, যেখানে পপ, হিপ-হপ, ট্র্যাপ, কান্ট্রি, আরএন্ডবি এবং রকের প্রভাব সুস্পষ্ট। তার স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর, আবেগপ্রবণ গানের কথা এবং ধারার সীমানা অতিক্রম করার ক্ষমতা তাকে ২১ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পোস্ট মেলোন তার মুখভর্তি ট্যাটু এবং মঞ্চে স্বতঃস্ফূর্ত পারফরম্যান্সের জন্যও পরিচিত। তার গানগুলি প্রায়শই প্রেম, সম্পর্ক, খ্যাতি এবং ব্যক্তিগত সংগ্রামের মতো বিষয়বস্তু নিয়ে তৈরি হয়, যা শ্রোতাদের সাথে গভীরভাবে সংযোগ স্থাপন করে।
Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
পোস্ট মেলোন ১৯৯৫ সালের ৪ জুলাই নিউ ইয়র্কের সিরাকিউজে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা, রিচ পোস্ট, একজন ডিজে হিসেবে কাজ করতেন এবং তার সৎমা জোডি পোস্ট। মাত্র নয় বছর বয়সে তিনি তার পরিবারের সাথে টেক্সাসের গ্রেপভিনে চলে আসেন। তার বাবা তাকে বিভিন্ন ধরনের সঙ্গীতের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, যার মধ্যে হিপ-হপ, কান্ট্রি এবং রক অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত পরিবেশ তার ভবিষ্যতের সংগীত জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
কৈশোরে পোস্ট মেলোন গিটার বাজানো শুরু করেন এবং ১৪ বছর বয়সে একটি হেভি মেটাল ব্যান্ডে যোগ দেন। গিটার হিরো (Guitar Hero) ভিডিও গেম খেলার মাধ্যমে তিনি র্যাপ এবং হিপ-হপের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি ইউটিউবে তার প্রথম মিক্সটেপ ‘ইয়ং অ্যান্ড আফটার রিকলেস’ প্রকাশ করেন। তার এই প্রারম্ভিক প্রচেষ্টাগুলো তার সঙ্গীত প্রতিভার ভিত্তি স্থাপন করেছিল এবং তাকে একজন বহুমুখী শিল্পী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। তার বাবা-মায়ের সমর্থন এবং তার নিজের অদম্য ইচ্ছা তাকে সঙ্গীতের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।
শিক্ষাজীবন
পোস্ট মেলোন টেক্সাসের গ্রেপভাইন হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। তার হাই স্কুল জীবনে তিনি সঙ্গীত নিয়ে গভীরভাবে জড়িত ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানীয় ব্যান্ডে বাজাতেন। হাই স্কুল শেষ করার পর, তিনি ট্যারান্ট কাউন্টি কলেজে ভর্তি হন। তবে, সঙ্গীতের প্রতি তার প্রবল আকর্ষণ এবং পেশাদার সঙ্গীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন তাকে বেশিদিন কলেজে থাকতে দেয়নি। তিনি দ্রুতই কলেজ ছেড়ে দেন এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে চলে যান তার সঙ্গীত ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দিতে। এই সিদ্ধান্ত তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দেয়।
ক্যারিয়ার
২০১৫ সালে পোস্ট মেলোন তার বন্ধু জেসন প্রোবস্টের সাথে লস অ্যাঞ্জেলেসে চলে আসেন। সেখানে তিনি অন্যান্য শিল্পীদের সাথে মিলে BLCKVRD নামে একটি মিউজিক গ্রুপ গঠন করেন। এই সময়েই তিনি তার প্রথম হিট গান “হোয়াইট আইভারসন” রেকর্ড করেন। গানটি সাউন্ডক্লাউডে আপলোড করার পর দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং তাকে রাতারাতি পরিচিতি এনে দেয়। এই সাফল্যের পর তিনি রিপাবলিক রেকর্ডসের সাথে একটি রেকর্ড চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
প্রাথমিক সাফল্য ও অ্যালবাম
- Stoney (২০১৬): তার প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম ‘Stoney’ তাকে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়। এই অ্যালবামের “কংগ্রাচুলেশনস” (ফিচারিং কোয়াভো) গানটি বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় শীর্ষ দশে স্থান করে নেয় এবং তাকে একজন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। অ্যালবামটি সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয় এবং বাণিজ্যিকভাবেও সফল হয়।
- Beerbongs & Bentleys (২০১৮): তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘Beerbongs & Bentleys’ স্ট্রিমিং রেকর্ড ভেঙে দেয়। “রকস্টার” (ফিচারিং ২১ স্যাভেজ) এবং “সাইকো” (ফিচারিং টাই ডোলা সাইন) এর মতো গানগুলি বিশ্বজুড়ে চার্ট টপার হয়। এই অ্যালবামটি তাকে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য চারটি মনোনয়ন এনে দেয়।
বিশ্বব্যাপী পরিচিতি ও পরবর্তী কাজ
- Hollywood's Bleeding (২০১৯): এই অ্যালবামটি তার ক্যারিয়ারের আরেকটি মাইলফলক ছিল। “সানফ্লাওয়ার” (ফিচারিং সুয়ে লি), যা ‘স্পাইডার-ম্যান: ইনটু দ্য স্পাইডার-ভার্স’ চলচ্চিত্রের সাউন্ডট্র্যাকের অংশ ছিল, বিশ্বব্যাপী এক বিশাল হিট হয়। “সার্কেলস” গানটিও তার অন্যতম জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে একটি। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ চার্টের শীর্ষে আত্মপ্রকাশ করে।
- Twelve Carat Toothache (২০২২): এই অ্যালবামে দ্য উইকেন্ড, ডোজা ক্যাট এবং রডি রিচের মতো শিল্পীদের সাথে তার কোলাবোরেশন ছিল। এটি তার সঙ্গীত শৈলীতে আরও গভীরতা যোগ করে।
- Austin (২০২৩): তার সর্বশেষ অ্যালবাম ‘Austin’ তার নামের উপর ভিত্তি করে নামকরণ করা হয়েছে এবং এতে তার ব্যক্তিগত ভাবনা ও নতুন সঙ্গীত পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।
অভিনয় ও অন্যান্য উদ্যোগ
সঙ্গীতের পাশাপাশি পোস্ট মেলোন অভিনয়েও হাত দিয়েছেন। তিনি ‘স্পেন্সার কনফিডেনশিয়াল’ এবং ‘র্যাথ অফ ম্যান’ এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার স্বতন্ত্র ফ্যাশন সেন্স এবং ট্যাটু তাকে ফ্যাশন জগতেও একটি আইকনে পরিণত করেছে। তিনি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাথেও কাজ করেছেন এবং নিজস্ব পণ্য লাইন তৈরি করেছেন। পোস্ট মেলোনের সঙ্গীত কেবল তার শ্রোতাদের বিনোদনই দেয় না, বরং এটি বিভিন্ন ধারার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে আধুনিক সঙ্গীতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- বিলবোর্ড চার্ট সাফল্য: তার একাধিক গান বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টের শীর্ষে পৌঁছেছে, যার মধ্যে “Rockstar,” “Sunflower,” এবং “Circles” অন্যতম।
- স্ট্রিমিং রেকর্ড: তিনি স্পটিফাই এবং অ্যাপল মিউজিকে একাধিক স্ট্রিমিং রেকর্ড ভেঙেছেন, যা তাকে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিমিং শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- ডায়মন্ড-সার্টিফাইড সিঙ্গেলস: তার “Congratulations,” “Rockstar,” “Sunflower,” “Circles,” এবং “White Iverson” সহ একাধিক গান RIAA দ্বারা ডায়মন্ড-সার্টিফাইড হয়েছে, যা ১০ মিলিয়নের বেশি বিক্রি বা সমতুল্য স্ট্রিমিং নির্দেশ করে।
- পুরস্কার ও মনোনয়ন: তিনি একাধিক গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন এবং বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড এবং এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ড সহ অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন।
- প্রভাব: তার সঙ্গীত শৈলী আধুনিক হিপ-হপ এবং পপ সঙ্গীতের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে, যা তাকে তার প্রজন্মের অন্যতম প্রভাবশালী শিল্পী হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
ব্যক্তিগত জীবন
পোস্ট মেলোন তার ব্যক্তিগত জীবন তুলনামূলকভাবে আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন, তবে তার ট্যাটু এবং তার স্বকীয় জীবনযাপন প্রায়শই জনসমক্ষে আসে। তার মুখের ট্যাটুগুলি তার ব্যক্তিগত অভিব্যক্তির একটি অংশ এবং তার স্বতন্ত্র স্টাইলকে তুলে ধরে। তিনি দীর্ঘকাল ধরে অ্যাশলেন ডিয়াজের সাথে সম্পর্কে ছিলেন, যা পরবর্তীতে ভেঙে যায়।
২০২২ সালের মে মাসে পোস্ট মেলোন ঘোষণা করেন যে তিনি তার প্রেমিকার সাথে বাগদান করেছেন এবং তারা তাদের প্রথম সন্তানের প্রত্যাশা করছেন। একই মাসে তিনি একটি কন্যা সন্তানের বাবা হন। তিনি তার পরিবারের গোপনীয়তা বজায় রাখতে পছন্দ করেন এবং তার প্রেমিকার নাম জনসম্মুখে প্রকাশ করেননি। বর্তমানে তিনি উটাহতে বসবাস করেন। পোস্ট মেলোন আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ এবং ‘ডুমসডে প্রেপিং’ এর প্রতি তার আগ্রহের জন্যও পরিচিত। তার এই দিকগুলি তার ব্যক্তি স্বতন্ত্রতাকে আরও ফুটিয়ে তোলে।
মজার তথ্য
- তার স্টেজ নাম “পোস্ট মেলোন” একটি র্যাপ নাম জেনারেটর ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যদিও তার শেষ নাম পোস্ট তার আসল নাম থেকেই এসেছে।
- তিনি একজন বড় বব ডিলান ভক্ত এবং তার সঙ্গীতকে গভীরভাবে সম্মান করেন।
- পোস্ট মেলোন ইতালীয় রেস্তোরাঁ চেইন অলিভ গার্ডেন-এর একজন বড় অনুরাগী এবং প্রায়শই তাদের খাবার উপভোগ করেন।
- তার একটি বিশাল আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ রয়েছে এবং তিনি শুটিং রেঞ্জে সময় কাটাতে পছন্দ করেন।
- তিনি বিরল এবং ভিনটেজ গাড়ি সংগ্রহের প্রতিও আগ্রহী এবং তার একটি চিত্তাকর্ষক গাড়ির সংগ্রহ রয়েছে।
- পোস্ট মেলোনের প্রথম দিকের সঙ্গীত হেভি মেটাল ধারার ছিল, যা তার বর্তমান ধারার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
উপসংহার
পোস্ট মেলোন তার বহুমুখী প্রতিভা এবং ধারার সীমানা ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতার মাধ্যমে আধুনিক সঙ্গীত জগতে নিজের জন্য একটি অনন্য স্থান তৈরি করেছেন। তার আবেগপূর্ণ কণ্ঠ, পরীক্ষামূলক সঙ্গীত শৈলী এবং ব্যক্তিগত গানের কথা তাকে বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্তদের কাছে প্রিয় করে তুলেছে। “হোয়াইট আইভারসন” থেকে “সানফ্লাওয়ার” পর্যন্ত, তার প্রতিটি কাজই তার শিল্পী হিসেবে বিবর্তনের প্রমাণ। তিনি কেবল একজন গায়ক বা র্যাপার নন, বরং একজন সাংস্কৃতিক আইকন যিনি তার সময়ের সঙ্গীতকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। পোস্ট মেলোনের প্রভাব আগামীতেও সঙ্গীত জগতে অনুভূত হবে এবং তার উত্তরাধিকার প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে অনুপ্রাণিত করবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: পোস্ট মেলোনের আসল নাম কি?
উত্তর: পোস্ট মেলোনের আসল নাম অস্টিন রিচার্ড পোস্ট। তিনি ৪ জুলাই, ১৯৯৫ সালে নিউ ইয়র্কের সিরাকিউজে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন: পোস্ট মেলোন কিসের জন্য পরিচিত?
উত্তর: তিনি একজন আমেরিকান গায়ক, র্যাপার, গীতিকার এবং রেকর্ড প্রযোজক হিসেবে পরিচিত। তার সঙ্গীত পপ, হিপ-হপ, ট্র্যাপ, আরএন্ডবি এবং রকের মতো বিভিন্ন ধারার মিশ্রণ।
প্রশ্ন: পোস্ট মেলোনের কিছু জনপ্রিয় গান কি কি?
উত্তর: তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে “White Iverson,” “Rockstar” (ফিচারিং ২১ স্যাভেজ), “Congratulations” (ফিচারিং কোয়াভো), “Sunflower” (ফিচারিং সুয়ে লি) এবং “Circles”।
প্রশ্ন: পোস্ট মেলোনের কতগুলি অ্যালবাম আছে?
উত্তর: পোস্ট মেলোনের পাঁচটি স্টুডিও অ্যালবাম রয়েছে: Stoney (২০১৬), Beerbongs & Bentleys (২০১৮), Hollywood's Bleeding (২০১৯), Twelve Carat Toothache (২০২২), এবং Austin (২০২৩)।
প্রশ্ন: পোস্ট মেলোনের কি কোনো পুরস্কার আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনি একাধিক বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড এবং এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। তিনি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনীত হয়েছেন।
প্রশ্ন: পোস্ট মেলোন কি বিয়ে করেছেন?
উত্তর: পোস্ট মেলোন তার দীর্ঘদিনের প্রেমিকার সাথে বাগদান করেছেন এবং ২০২২ সালের মে মাসে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে। তিনি তার পরিবারের গোপনীয়তা বজায় রাখতে প্রেমিকার নাম জনসম্মুখে প্রকাশ করেননি।
প্রশ্ন: পোস্ট মেলোনের মুখের ট্যাটুর কারণ কি?
উত্তর: পোস্ট মেলোন তার মুখের ট্যাটুর জন্য পরিচিত। তিনি ব্যক্তিগত অভিব্যক্তি এবং নিজের স্বকীয়তা প্রকাশ করার জন্য ট্যাটু করিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এটি তার স্বতন্ত্র শিল্পসত্তার একটি অংশ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন