| জাস্টিন বিবার: তথ্যসারণি | |
|---|---|
| পুরো নাম | জাস্টিন ড্রু বিবার |
| জন্ম | ১ মার্চ, ১৯৯৪ |
| জন্মস্থান | স্ট্র্যাটফোর্ড, অন্টারিও, কানাডা |
| জাতীয়তা | কানাডিয়ান |
| পেশা | সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার, অভিনেতা |
| সঙ্গী/সঙ্গিনী | হেইলি বিবার (বিবাহিত) |
| উল্লেখযোগ্য কাজ | "Baby", "Sorry", "Love Yourself", "What Do You Mean?", "Despacito" (Remix) |
| উল্লেখযোগ্য অ্যালবাম | My World 2.0, Believe, Purpose, Justice |
পরিচিতি
জাস্টিন ড্রু বিবার, যিনি বিশ্বজুড়ে জাস্টিন বিবার নামেই পরিচিত, কানাডার একজন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং অভিনেতা। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে জন্ম নেওয়া এই পপ তারকা একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইউটিউবে তার স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিভা আবিষ্কারের পর থেকে তিনি দ্রুত বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এক উন্মাদনা তৈরি করেন, যা "বিলিভার্স" নামে পরিচিত তার বিশাল ভক্তগোষ্ঠীর জন্ম দেয়। তার সঙ্গীত শুধু বিনোদনের উৎস নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে তার অনন্য গায়কী এবং স্টাইল দিয়ে। জাস্টিন বিবারের উত্থান আধুনিক সঙ্গীত শিল্পের একটি অসাধারণ গল্প, যেখানে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে একজন সাধারণ কিশোর কিভাবে বিশ্বমানের সুপারস্টারে পরিণত হতে পারে তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।
Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
১৯৯৪ সালের ১ মার্চ কানাডার অন্টারিও প্রদেশের স্ট্র্যাটফোর্ড শহরে জাস্টিন বিবার জন্মগ্রহণ করেন। তার মা প্যাটি ম্যালেট এবং বাবা জেরেমি বিবার। জাস্টিনের বাবা-মা কখনো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি এবং তার লালন-পালন মূলত তার মা এবং নানার তত্ত্বাবধানে হয়। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি জাস্টিনের গভীর ভালোবাসা ছিল। তিনি নিজে নিজেই ড্রামস, গিটার, পিয়ানো এবং ট্রাম্পেট বাজানো শিখেছিলেন। স্ট্র্যাটফোর্ডের স্থানীয় প্রতিযোগীতাগুলোতে অংশ নিয়ে তিনি নিজের প্রতিভা প্রদর্শন করতেন। ২০০৭ সালে, যখন তার বয়স মাত্র ১২ বছর, তখন তিনি একটি স্থানীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তার মা সেই প্রতিযোগিতার ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করেন, যা পরবর্তীতে তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
শিক্ষাজীবন
জাস্টিন বিবার স্ট্র্যাটফোর্ডের জন ডিয়েফেনবেকার ক্যাথলিক সেকেন্ডারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। যদিও তার সঙ্গীত প্রতিভা তাকে খুব অল্প বয়সেই মূলধারার স্পটলাইটে নিয়ে আসে, তিনি তার শিক্ষাজীবন শেষ করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে, তার দ্রুত বর্ধনশীল সঙ্গীত ক্যারিয়ারের কারণে তাকে প্রায়শই ভ্রমণ করতে হতো এবং তিনি তার পড়াশোনা বাড়িতে বসেই চালিয়ে যেতেন। উচ্চ বিদ্যালয়ের শেষ বছরগুলো তিনি একজন গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শেষ করেন। তার শিক্ষাজীবন মূলত সঙ্গীত এবং পারফরম্যান্সের দিকেই বেশি ঝুঁকেছিল, যেখানে তিনি তার সহজাত প্রতিভা এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে একজন দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলেন।
ক্যারিয়ার
জাস্টিন বিবারের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ইউটিউব থেকে। তার মায়ের আপলোড করা ভিডিওগুলো আমেরিকান ট্যালেন্ট ম্যানেজার স্কুটার ব্রাউনের নজরে আসে। ব্রাউন জাস্টিনের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তার সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাকে আটলান্টায় নিয়ে আসেন। সেখানে জাস্টিন আর অ্যান্ড বি তারকা আশারের সাথে দেখা করেন এবং তার সাথে একটি যৌথ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ২০০৯ সালে, জাস্টিন তার প্রথম একক গান "One Time" প্রকাশ করেন, যা কানাডার টপ ২০ এবং আন্তর্জাতিক বিলবোর্ড চার্টে স্থান করে নেয়।
একই বছর তিনি তার প্রথম ইপি (Extended Play) My World প্রকাশ করেন, যা বিলবোর্ড ২০০ চার্টে টপ টেনে স্থান পায়। এই অ্যালবামের "One Less Lonely Girl" এবং "Love Me" গানগুলো তাকে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১০ সালে তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্টুডিও অ্যালবাম My World 2.0 প্রকাশিত হয়, যা তাকে বিশ্বব্যাপী সুপারস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান "Baby" ইউটিউবে রেকর্ড সংখ্যক ভিউ অর্জন করে এবং তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। "Baby" গানটি আজো পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে একটি আইকনিক ট্র্যাক হিসেবে বিবেচিত হয়।
তার জনপ্রিয়তা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে, ২০১১ সালে তার জীবন নিয়ে Justin Bieber: Never Say Never নামে একটি থ্রিডি কনসার্ট ফিল্ম মুক্তি পায়, যা বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য লাভ করে। ২০১২ সালে তিনি তার তৃতীয় স্টুডিও অ্যালবাম Believe প্রকাশ করেন, যা তার সঙ্গীত শৈলীতে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। এই অ্যালবামের "Boyfriend" এবং "As Long As You Love Me" গানগুলো তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
ক্যারিয়ারের মাঝামাঝি সময়ে কিছু ব্যক্তিগত সমস্যার মুখোমুখি হলেও, জাস্টিন বিবার ২০১৫ সালে Purpose অ্যালবাম দিয়ে এক দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন। এই অ্যালবামটি সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয় এবং "Sorry", "Love Yourself" এবং "What Do You Mean?"-এর মতো গানগুলো বিশ্বজুড়ে চার্ট টপার হয়। Purpose অ্যালবামটি তাকে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড এনে দেয় এবং তার সঙ্গীতকে আরও পরিপক্ক করে তোলে। এই অ্যালবামটি তাকে শুধু একজন পপ আইডল হিসেবে নয়, বরং একজন গুরুতর শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি বিভিন্ন শিল্পীর সাথে কোলাবোরেশন করেন, যার মধ্যে লুইস ফনসি এবং ড্যাডি ইয়াঙ্কির সাথে "Despacito" রিমিক্স অন্যতম, যা লাতিন সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল গানগুলোর মধ্যে একটি। ২০২০ সালে তিনি Changes এবং ২০২১ সালে Justice অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যা তার ব্যক্তিগত জীবন, বিশ্বাস এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে তার গভীর চিন্তাভাবনা তুলে ধরে। Justice অ্যালবামটি "Peaches" এবং "Hold On"-এর মতো হিট গান উপহার দেয় এবং আবারো তাকে বিশ্বজুড়ে চার্টের শীর্ষে নিয়ে আসে। জাস্টিন বিবার তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ড ভেঙেছেন এবং পপ সঙ্গীতের ধারাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড: জাস্টিন বিবার তার ক্যারিয়ারে একাধিক গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন এবং একটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন Purpose অ্যালবামের জন্য।
- বিলবোর্ড রেকর্ডস: তার একাধিক গান বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টের শীর্ষে স্থান পেয়েছে। তিনি সর্বকনিষ্ঠ একক শিল্পী হিসেবে বিলবোর্ড হট ১০০-এ পাঁচটি নাম্বার ওয়ান হিট গান পেয়েছেন।
- অ্যামেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস (AMA): তিনি বহুবার অ্যামেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জিতেছেন, যার মধ্যে "আর্টিস্ট অফ দ্য ইয়ার" অন্যতম।
- MTV ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস (VMA): তার মিউজিক ভিডিওগুলো ভিএমএ-তে বেশ কয়েকবার পুরস্কৃত হয়েছে।
- গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস: জাস্টিন বিবার অসংখ্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অধিকারী, যার মধ্যে ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবার, বিলবোর্ড চার্টে একযোগে সবচেয়ে বেশি গান থাকা এবং সবচেয়ে বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুসরণকারী অন্যতম।
- বিশ্বব্যাপী অ্যালবাম বিক্রি: তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা বিক্রেতা সঙ্গীতশিল্পী, যার অ্যালবাম বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি কপি বিক্রি হয়েছে।
- স্ট্রিমিং রেকর্ডস: স্পটিফাই এবং অ্যাপল মিউজিকের মতো প্ল্যাটফর্মে তার গানগুলো বিলিয়ন বিলিয়ন বার স্ট্রিম হয়েছে, যা তাকে আধুনিক স্ট্রিমিং যুগের অন্যতম সফল শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ব্যক্তিগত জীবন
জাস্টিন বিবারের ব্যক্তিগত জীবন সবসময়ই গণমাধ্যমের নজরে ছিল। তার কৈশোরের প্রেমিকা সেলেনা গোমেজের সাথে তার সম্পর্ক ছিল বিশ্বজুড়ে আলোচিত। তাদের সম্পর্ক "জেলেনা" নামে পরিচিত ছিল এবং বহুবার ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। এই সম্পর্ক তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
২০১৮ সালে জাস্টিন বিবার মডেল হেইলি বাল্ডউইনকে বিয়ে করেন, যিনি এখন হেইলি বিবার নামে পরিচিত। তাদের বিয়ে ভক্ত এবং গণমাধ্যমের জন্য একটি বড় খবর ছিল। জাস্টিন তার ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মীয় বিশ্বাস এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর জোর দিয়েছেন। তিনি তার সঙ্গীত এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মানসিক সংগ্রাম এবং ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন, যা তার ভক্তদের কাছে তাকে আরও মানবিক করে তুলেছে। তিনি লাইমলাইটের চাপ এবং তারুণ্যের ভুলগুলো নিয়ে প্রায়শই কথা বলেন, যা তার ভক্তদের সাথে তার এক গভীর সংযোগ তৈরি করেছে।
মজার তথ্য
- জাস্টিন বিবার নিজে নিজেই ৪টি বাদ্যযন্ত্র বাজাতে শিখেছেন: ড্রামস, গিটার, পিয়ানো এবং ট্রাম্পেট।
- তার প্রথম একক গান "One Time" প্রকাশ পাওয়ার আগে তিনি ইউটিউবে শুধুমাত্র কভার গান গাইতেন।
- তিনি একজন আইস হকি এবং বাস্কেটবল ভক্ত এবং প্রায়শই খেলাধুলায় অংশ নেন।
- জাস্টিন বিবার তার প্রথম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছিলেন তার অ্যালবাম Purpose-এর জন্য, 'বেস্ট ডান্স রেকর্ডিং' বিভাগে "Where Are Ü Now" গানটির জন্য।
- তার ভক্তদের "বিলিভার্স" নামে ডাকা হয়, যা তার জনপ্রিয়তা এবং ভক্তদের প্রতি তার ভালোবাসার প্রতীক।
উপসংহার
জাস্টিন বিবার শুধু একজন পপ তারকা নন, তিনি একটি সাংস্কৃতিক ঘটনা। তার উত্থান, তার সঙ্গীত এবং তার ব্যক্তিগত জীবন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষকে প্রভাবিত করেছে। ইউটিউব থেকে শুরু করে বিশ্ব মঞ্চে আধিপত্য বিস্তার করা পর্যন্ত তার যাত্রা আধুনিক সঙ্গীত শিল্পের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প। তিনি তার সঙ্গীত শৈলীকে বিকশিত করেছেন, ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছেন এবং একজন শিল্পী হিসেবে নিজেকে ক্রমাগত নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন। তার প্রভাব বিলবোর্ড চার্ট, স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বাইরেও বিস্তৃত। জাস্টিন বিবার তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার স্থান পাকাপোক্ত করেছেন এবং আগামী দিনেও তার সঙ্গীত বিশ্বজুড়ে মানুষের মন জয় করে যাবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: জাস্টিন বিবার কিভাবে জনপ্রিয় হলেন?
উত্তর: জাস্টিন বিবার মূলত ইউটিউবের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তার মা তার গানের ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করতেন, যা ট্যালেন্ট ম্যানেজার স্কুটার ব্রাউনের নজরে আসে। ব্রাউন তাকে আবিষ্কার করেন এবং তাকে সঙ্গীত জগতে নিয়ে আসেন, যার ফলস্বরূপ তিনি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন।
প্রশ্ন: জাস্টিন বিবারের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান কোনটি?
উত্তর: জাস্টিন বিবারের অনেক জনপ্রিয় গান রয়েছে, তবে "Baby" গানটি তাকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দেয় এবং এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আইকনিক ও সর্বাধিক পরিচিত গান। এছাড়াও "Sorry", "Love Yourself" এবং "What Do You Mean?" তার জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে।
প্রশ্ন: জাস্টিন বিবার কি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, জাস্টিন বিবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। তিনি ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার Purpose অ্যালবামের "Where Are Ü Now" গানটির জন্য 'বেস্ট ডান্স রেকর্ডিং' বিভাগে একটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।
প্রশ্ন: জাস্টিন বিবারের স্ত্রীর নাম কি?
উত্তর: জাস্টিন বিবারের স্ত্রীর নাম হেইলি বিবার (পূর্বের নাম হেইলি বাল্ডউইন)। তারা ২০১৮ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাদের সম্পর্ক গণমাধ্যম ও ভক্তদের মধ্যে বেশ আলোচিত।
প্রশ্ন: জাস্টিন বিবারের ভক্তদের কি বলা হয়?
উত্তর: জাস্টিন বিবারের ভক্তদের "বিলিভার্স" (Beliebers) নামে ডাকা হয়। এই নামটি তার জনপ্রিয়তা এবং তার ভক্তদের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন: জাস্টিন বিবার কত বছর বয়সে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ করেন?
উত্তর: জাস্টিন বিবার যখন মাত্র ১৩ বছর বয়সী ছিলেন, তখন তাকে ট্যালেন্ট ম্যানেজার স্কুটার ব্রাউন আবিষ্কার করেন। ২০০৯ সালে, ১৫ বছর বয়সে তিনি তার প্রথম একক গান "One Time" প্রকাশ করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ করেন।
প্রশ্ন: জাস্টিন বিবারের জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর: জাস্টিন বিবারের জন্মস্থান কানাডার অন্টারিও প্রদেশের স্ট্র্যাটফোর্ড শহরে। তিনি সেখানেই তার শৈশব কাটান এবং তার প্রাথমিক সঙ্গীত প্রতিভা বিকশিত হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন