| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | জোসেফ রবিনেট বাইডেন জুনিয়র |
| জন্ম | ২০ নভেম্বর, ১৯৪২ |
| জন্মস্থান | স্ক্র্যান্টন, পেনসিলভানিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| পেশা | রাজনীতিবিদ |
| পদবী | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট |
| রাজনৈতিক দল | ডেমোক্রেটিক পার্টি |
| স্ত্রী | জিল বাইডেন |
| সন্তান | ৪ জন (বউ বাইডেন, হান্টার বাইডেন, অ্যাশলে বাইডেন, নাওমি বাইডেন) |
| শিক্ষাজীবন | ডেলাওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়; সিরাকিউজ বিশ্ববিদ্যালয় (আইন) |
পরিচিতি
জোসেফ রবিনেট বাইডেন জুনিয়র, যিনি জো বাইডেন নামেই পরিচিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং দীর্ঘদিনের জনসেবক হিসেবে তিনি আমেরিকান রাজনীতিতে এক সুপরিচিত নাম। প্রায় অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, যার মধ্যে ডেলাওয়্যার থেকে সিনেটর হিসেবে ৩৬ বছর এবং বারাক ওবামার অধীনে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে আট বছর অন্তর্ভুক্ত। ২০ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আরোহণ করেন, যা তার দীর্ঘ এবং ঘটনাবহুল রাজনৈতিক জীবনের এক চরম পরিণতি। বাইডেন তার কর্মজীবনে মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বার্থ রক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং আমেরিকান গণতন্ত্রকে সুসংহত করার উপর জোর দিয়েছেন। বিশ্ব মঞ্চে তার নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
জো বাইডেন ১৯৪২ সালের ২০ নভেম্বর পেনসিলভানিয়ার স্ক্র্যান্টনে এক আইরিশ-ক্যাথলিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জোসেফ রবিনেট বাইডেন সিনিয়র এবং মা ক্যাথরিন ইউজেনিয়া ফিনেগান। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনিই ছিলেন সবার বড়। বাইডেনের শৈশব কেটেছে স্ক্র্যান্টনে, যেখানে তার বাবা বিভিন্ন ছোটখাটো ব্যবসা পরিচালনা করতেন। যখন তার বয়স প্রায় ১০ বছর, তখন তার পরিবার ডেলাওয়্যারের ক্লেয়ারমন্টে চলে আসে, যেখানে তার বাবা একটি সফল ব্যবহৃত গাড়ির ডিলারশিপ ব্যবসা শুরু করেন। বাইডেনের শৈশবে তোতলামির সমস্যা ছিল, যা তিনি কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে কাটিয়ে উঠেছিলেন। তার পরিবার তাকে অধ্যবসায় এবং কঠোর পরিশ্রমের মূল্য শিখিয়েছিল, যা তার পরবর্তী জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শিক্ষাজীবন
জো বাইডেন ডেলাওয়্যারের সেন্ট হেলেনা স্কুলে এবং পরে আর্চমেয়ার একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। আর্চমেয়ারে তিনি ফুটবল এবং বেসবল উভয় খেলায় ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন। ১৯৬১ সালে তিনি ডেলাওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, যেখানে তিনি ইতিহাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি নাসাউ, বাহামাসে বসন্তকালীন ছুটিতে যান, যেখানে তার ভবিষ্যৎ প্রথম স্ত্রী নেইলিয়া হান্টারের সাথে তার পরিচয় হয়। ১৯৬৬ সালে তিনি ডেলাওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। এরপর তিনি সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ ল-তে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করার জন্য ভর্তি হন এবং ১৯৬৮ সালে জুরিস ডক্টর (J.D.) ডিগ্রি অর্জন করেন। আইন বিদ্যালয় থেকে পাস করার পর, তিনি ডেলাওয়্যারে আইন পেশায় যোগ দেন।
ক্যারিয়ার
জো বাইডেনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ডেলাওয়্যারে। ১৯৬৯ সালে তিনি নিউ ক্যাসেল কাউন্টি কাউন্সিলে নির্বাচিত হন। মাত্র ২৯ বছর বয়সে, ১৯৭২ সালে, তিনি ডেলাওয়্যার থেকে মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হয়ে দেশের সর্বকনিষ্ঠ সিনেটরদের মধ্যে একজন হন। তার এই জয় ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ তিনি একজন জনপ্রিয় রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজিত করেছিলেন। সিনেটে তার ৩৬ বছরের দীর্ঘ মেয়াদকালে তিনি পররাষ্ট্র সম্পর্ক কমিটি (Foreign Relations Committee) এবং বিচার বিভাগীয় কমিটি (Judiciary Committee)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি অপরাধ আইন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক নীতি প্রণয়নে সক্রিয় ছিলেন।
২০০৯ সালে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে জো বাইডেন তার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওবামা প্রশাসনের অধীনে আট বছর ধরে তিনি বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যার মধ্যে ২০০৯ সালের আমেরিকান রিকভারি অ্যান্ড রেইনভেস্টমেন্ট অ্যাক্ট (American Recovery and Reinvestment Act) এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মতো বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য। ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ করার প্রক্রিয়ায় এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ২০ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার মেয়াদে তিনি কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলা, অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন, অবকাঠামো উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন। তার প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে আমেরিকান রেসকিউ প্ল্যান (American Rescue Plan), অবকাঠামো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আইন (Infrastructure Investment and Jobs Act) এবং মূল্যস্ফীতি হ্রাস আইন (Inflation Reduction Act) অন্যতম। তিনি বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জোটকে শক্তিশালী করার জন্যও কাজ করেছেন।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- দীর্ঘতম সিনেট ক্যারিয়ার: ডেলাওয়্যার থেকে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় (৩৬ বছর) সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন।
- গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন: ১৯৮৪ সালের ক্রাইম কন্ট্রোল অ্যাক্ট এবং ১৯৯৪ সালের ভায়োলেন্ট ক্রাইম কন্ট্রোল অ্যান্ড ল এনফোর্সমেন্ট অ্যাক্ট-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে তার অবদান ছিল। তিনি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ আইন (Violence Against Women Act) প্রবর্তনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ওবামা প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট: ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বারাক ওবামার অধীনে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে তিনি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং পররাষ্ট্র নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জয়: ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
- প্রেসিডেন্ট হিসেবে নীতি বাস্তবায়ন:
- আমেরিকান রেসকিউ প্ল্যান (American Rescue Plan): কোভিড-১৯ মহামারী এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় $১.৯ ট্রিলিয়ন ডলারের ত্রাণ প্যাকেজ।
- অবকাঠামো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আইন (Infrastructure Investment and Jobs Act): রাস্তাঘাট, সেতু, ব্রডব্যান্ড এবং জনপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য একটি যুগান্তকারী বিল।
- মূল্যস্ফীতি হ্রাস আইন (Inflation Reduction Act): জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমানো এবং কর্পোরেট কর সংস্কারের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- গণতান্ত্রিক জোট শক্তিশালীকরণ: বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং আন্তর্জাতিক জোটকে শক্তিশালী করার উপর জোর দিয়েছেন, যা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।
ব্যক্তিগত জীবন
জো বাইডেনের ব্যক্তিগত জীবন আনন্দ এবং ট্র্যাজেডির এক মিশ্রণ। ১৯৬৬ সালে তিনি তার প্রথম স্ত্রী নেইলিয়া হান্টারকে বিয়ে করেন এবং তাদের তিন সন্তান ছিল: জোসেফ "বউ" বাইডেন III, রবার্ট হান্টার বাইডেন এবং নাওমি ক্রিস্টিনা বাইডেন। কিন্তু ১৯৭২ সালে, সিনেটে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই, তার জীবনে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী নেইলিয়া এবং এক বছরের কন্যা নাওমি নিহত হন। তার দুই পুত্র বউ এবং হান্টার গুরুতর আহত হন। এই ঘটনা বাইডেনের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল এবং তিনি তার সন্তানদের লালন-পালনের জন্য সিনেটে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন ডেলাওয়্যার থেকে ট্রেনে যাওয়া-আসা করতেন।
১৯৭৭ সালে তিনি জিল ট্রেসি জ্যাকবসকে বিয়ে করেন। জিল একজন শিক্ষিকা এবং তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে, যার নাম অ্যাশলে বাইডেন। বাইডেনের পরিবার তার জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ২০১৪ সালে, তার জ্যেষ্ঠ পুত্র বউ বাইডেন, যিনি ডেলাওয়্যারের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং একজন ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক ছিলেন, মস্তিষ্কের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এই ক্ষতি বাইডেনের জন্য আরেকটি বিশাল ধাক্কা ছিল। ব্যক্তিগত জীবনে এত বিপর্যয় সত্ত্বেও, বাইডেন তার জনসেবার প্রতি অবিচল থেকেছেন এবং তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তাকে মানুষের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল করে তুলেছে।
মজার তথ্য
- তোতলামি থেকে মুক্তি: শৈশবে জো বাইডেনের তীব্র তোতলামির সমস্যা ছিল। তিনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কবিতা আবৃত্তি করে এবং কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠেন।
- আইসক্রিমের প্রতি ভালোবাসা: বাইডেন তার আইসক্রিমের প্রতি ভালোবাসার জন্য সুপরিচিত। জনসমক্ষে বা প্রচারণার সময় তাকে প্রায়শই আইসক্রিম উপভোগ করতে দেখা যায়।
- ট্রেন যাত্রী: সিনেটর থাকাকালীন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও তিনি ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে ডেলাওয়্যারে তার বাড়িতে প্রতিদিন অ্যামট্রাক ট্রেনে যাতায়াত করতেন, যা প্রায় ৩৬ বছর ধরে চলেছিল।
- সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট: তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যখন তার বয়স ছিল ৭৮ বছর।
- ডেলওয়্যারের প্রথম প্রেসিডেন্ট: জো বাইডেন ডেলাওয়্যার রাজ্য থেকে নির্বাচিত প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উপসংহার
জো বাইডেনের জীবন ও কর্ম আমেরিকান রাজনীতির দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্য এবং ব্যক্তিগত স্থিতিস্থাপকতার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। তার দীর্ঘ ক্যারিয়ার, যা স্থানীয় কাউন্সিল থেকে শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ পর্যন্ত বিস্তৃত, তাকে একজন অভিজ্ঞ এবং দূরদর্শী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক মর্মান্তিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েও তিনি তার জনসেবার প্রতি অবিচল থেকেছেন এবং তার সহানুভূতি ও দৃঢ়তা তাকে জনগণের কাছে আরও প্রিয় করে তুলেছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি এমন এক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন যখন দেশ এবং বিশ্ব উভয়ই বহুবিধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। কোভিড-১৯ মহামারী, অর্থনৈতিক সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো বিষয়গুলো মোকাবিলায় তার প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। বাইডেন তার মেয়াদে আমেরিকান গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, সামাজিক বিভেদ কমানো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পুনরুজ্জীবনের উপর জোর দিয়েছেন। তার উত্তরাধিকার কেবল তার নীতিগত অর্জন দ্বারাই নয়, বরং তার মানবিকতা, সহনশীলতা এবং দেশের প্রতি অবিচল প্রতিশ্রুতির মাধ্যমেও সংজ্ঞায়িত হবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: জো বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট?
উত্তর: জো বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ২০ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে এই পদে শপথ গ্রহণ করেন।
প্রশ্ন: জো বাইডেন কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য?
উত্তর: জো বাইডেন ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন সদস্য। তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই দলের হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রশ্ন: প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে জো বাইডেন আর কী কী পদে ছিলেন?
উত্তর: প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে জো বাইডেন ডেলাওয়্যার থেকে ৩৬ বছর ধরে মার্কিন সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বারাক ওবামার অধীনে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।
প্রশ্ন: জো বাইডেনের ব্যক্তিগত জীবনে কী কী ট্র্যাজেডি ঘটেছে?
উত্তর: ১৯৭২ সালে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় বাইডেনের প্রথম স্ত্রী নেইলিয়া এবং এক বছরের কন্যা নাওমি নিহত হন। এরপর ২০১৪ সালে তার জ্যেষ্ঠ পুত্র বউ বাইডেন মস্তিষ্কের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
প্রশ্ন: জো বাইডেনের প্রশাসনের প্রধান অর্জনগুলো কী কী?
উত্তর: তার প্রশাসনের প্রধান অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে আমেরিকান রেসকিউ প্ল্যান, অবকাঠামো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আইন এবং মূল্যস্ফীতি হ্রাস আইন। এই আইনগুলো কোভিড-১৯ মোকাবিলা, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন