Full width home advertisement

Featured Actors

Popular Biographies

Post Page Advertisement [Top]

তথ্যবিবরণ
আসল নামঅব্রে ড্রেক গ্রাহাম (Aubrey Drake Graham)
জন্ম২৪ অক্টোবর, ১৯৮৬
জন্মস্থানটরন্টো, অন্টারিও, কানাডা
জাতীয়তাকানাডিয়ান
পেশার‍্যাপার, গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা, রেকর্ড প্রযোজক
পরিচিতিবিশ্বব্যাপী হিপ-হপ সুপারস্টার, র‍্যাপ-সিংগিং ধারার জনপ্রিয়করণ
উল্লেখযোগ্য রেকর্ড লেবেলইয়াং মানি এন্টারটেইনমেন্ট, ক্যাশ মানি রেকর্ডস, রিপাবলিক রেকর্ডস, OVO সাউন্ড
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার৪টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড, ৬টি আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, ২৭টি বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড

পরিচিতি

অব্রে ড্রেক গ্রাহাম, বিশ্বজুড়ে যিনি কেবল 'ড্রেক' নামেই পরিচিত, আধুনিক সঙ্গীতের এক অবিসংবাদিত তারকা। কানাডার এই র‍্যাপার, গায়ক, গীতিকার ও অভিনেতা তার উদ্ভাবনী সঙ্গীতশৈলী এবং অসামান্য বাণিজ্যিক সাফল্যের মাধ্যমে হিপ-হপ ও আরএন্ডবি (R&B) ঘরানায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। তার স্বতন্ত্র র‍্যাপ-সিংগিং ধারা তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দিয়েছে এবং অসংখ্য শিল্পীকে অনুপ্রাণিত করেছে। ড্রেক শুধু একজন শিল্পীই নন, তিনি একজন সংস্কৃতি আইকন যিনি তার সঙ্গীত, ফ্যাশন এবং জীবনযাত্রার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রভাব বিস্তার করেছেন।

Drake

Photo: Wikimedia Commons
View Source

ড্রেকের সঙ্গীত কেবল বিনোদন নয়, এটি সমসাময়িক সমাজের প্রতিচ্ছবি, যেখানে প্রেম, সম্পর্ক, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং একাকীত্বের মতো বিষয়গুলো গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়। তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল টেলিভিশন অভিনেতা হিসেবে, কিন্তু সঙ্গীতের প্রতি তার অদম্য আবেগ তাকে বিশ্ব মঞ্চে নিয়ে আসে, যেখানে তিনি একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছেন এবং নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন।

প্রারম্ভিক জীবন

ড্রেক ১৯৮৬ সালের ২৪ অক্টোবর কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ডেনিস গ্রাহাম ছিলেন একজন আফ্রিকান-আমেরিকান ক্যাথলিক ড্রামার, যিনি বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী জেরি লি লুইসের সাথেও কাজ করেছেন। তার মা সান্দ্রা “স্যান্ডি” গ্রাহাম একজন শ্বেতাঙ্গ কানাডিয়ান ইহুদি শিক্ষিকা ছিলেন। ড্রেকের বয়স যখন পাঁচ বছর, তখন তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তিনি তার মায়ের কাছে টরন্টোর উচ্চ-মধ্যবিত্ত এলাকা ফরেস্ট হিলে বেড়ে ওঠেন।

শৈশবে ড্রেক সঙ্গীতের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখান। তার বাবা একজন সঙ্গীতশিল্পী হওয়ায় তিনি ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের পরিবেশে বড় হয়েছেন। তবে, তার মায়ের আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, ড্রেক তার স্বপ্ন পূরণের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। তিনি টরন্টোর ইহুদি ডে স্কুলে পড়াশোনা করেছেন এবং পরে ফরেস্ট হিল কলেজিয়েট ইন্সটিটিউট এবং ভন রোড অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন। কিশোর বয়সে তিনি অভিনয়ের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং এই আগ্রহই তাকে তার প্রথম বড় সুযোগ এনে দেয়।

শিক্ষাজীবন

ড্রেক তার শিক্ষাজীবনের বেশিরভাগ সময় টরন্টোর বিভিন্ন স্কুলে কাটিয়েছেন। ফরেস্ট হিল কলেজিয়েট ইন্সটিটিউট এবং ভন রোড অ্যাকাডেমিতে পড়াশোনা করার সময় তিনি অভিনয়ের প্রতি বিশেষ আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তার এই আগ্রহ এতটাই তীব্র ছিল যে, তিনি একসময় তার পড়াশোনা ছেড়ে দেন অভিনয়ের সুযোগের সন্ধানে। যদিও তার আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন অসম্পূর্ণ থেকে যায়, তবে তার জীবন থেকে শেখা অভিজ্ঞতা এবং স্ব-শিক্ষাই তাকে একজন সফল শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।

ক্যারিয়ার

অভিনয় জীবন: ডেগ্রাসি থেকে সঙ্গীত তারকা

ড্রেক তার ক্যারিয়ার শুরু করেন একজন অভিনেতা হিসেবে। ২০০১ সালে তিনি কানাডিয়ান কিশোর নাটক সিরিজ ডেগ্রাসি: দ্য নেক্সট জেনারেশন-এ জিমি ব্রুকস চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান। এই চরিত্রে তিনি আট বছর ধরে (২০০১-২০০৮) কাজ করেন এবং এটি তাকে কানাডায় ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। জিমি ব্রুকস ছিলেন একজন বাস্কেটবল তারকা যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। এই চরিত্রটি ড্রেকের অভিনয় দক্ষতা প্রমাণ করে এবং তাকে মূলধারার বিনোদন জগতে প্রবেশে সহায়তা করে।

সঙ্গীত জীবনে উত্থান

অভিনয় করার সময় থেকেই ড্রেক তার সঙ্গীতের প্রতি মনোযোগ দিতে শুরু করেন। ২০০৬ সালে তিনি স্বাধীনভাবে তার প্রথম মিক্সটেপ রুম ফর ইম্প্রুভমেন্ট প্রকাশ করেন। এরপর ২০০৭ সালে আসে কামব্যাক সিজন, যার “ডোল্লা সাইন” গানটির ভিডিও তাকে এমটিভি-তে প্রথমবার দেখায়। তবে, তার আসল ব্রেকথ্রু আসে ২০০৯ সালে, যখন তিনি তার তৃতীয় মিক্সটেপ সো ফার গন প্রকাশ করেন। এই মিক্সটেপের “বেস্ট আই এভার হ্যাড” এবং “সাকসেসফুল” গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং তাকে রেকর্ড লেবেলগুলোর নজরে নিয়ে আসে।

সো ফার গন-এর সাফল্যের পর, ড্রেক আমেরিকান র‍্যাপার লিল ওয়েনের ইয়াং মানি এন্টারটেইনমেন্টের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ২০১০ সালে তার প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম থ্যাঙ্ক মি লেটার প্রকাশিত হয়, যা বিলবোর্ড ২০০ চার্টের শীর্ষে অবস্থান করে এবং তাকে বিশ্বব্যাপী তারকাখ্যাতি এনে দেয়। এরপর ২০১১ সালে প্রকাশিত টেক কেয়ার অ্যালবামটি তাকে প্রথম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড এনে দেয় এবং তার র‍্যাপ ও আরএন্ডবি-এর মিশ্রণকে আরও সুদৃঢ় করে। এই অ্যালবামটি আধুনিক আরএন্ডবি-এর অন্যতম প্রভাবশালী কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ড্রেক তার ক্যারিয়ারে একের পর এক সফল অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে নাথিং ওয়াজ দ্য সেইম (২০১৩), ভিউস (২০১৬), স্করপিয়ন (২০১৮), সার্টিফাইড লাভার বয় (২০২১) এবং অনেস্টলি, নেভারমাইন্ড (২০২২)। ভিউস অ্যালবামটি টানা ১৩ সপ্তাহ ধরে বিলবোর্ড ২০০ চার্টের শীর্ষে ছিল এবং “ওয়ান ড্যান্স” গানটি বিশ্বজুড়ে রেকর্ড ভেঙে দেয়। তার হিট গানগুলোর মধ্যে “হটলাইন ব্লিঙ্গ”, “গড’স প্ল্যান”, “ইন মাই ফিলিংস”, “ওয়ান ড্যান্স” এবং “কিকস মার্সি” বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

ড্রেক কেবল একজন শিল্পীই নন, তিনি একজন সফল ব্যবসায়ীও। তিনি তার দীর্ঘদিনের সহযোগী অলিভার এল-খতিব এবং ৪০ (নোয়াহ “৪০” শেবিব) এর সাথে ওভিও সাউন্ড (OVO Sound) রেকর্ড লেবেল প্রতিষ্ঠা করেন। এই লেবেলের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন নতুন শিল্পীকে সুযোগ দিয়েছেন এবং সঙ্গীত শিল্পে তার প্রভাব আরও বাড়িয়েছেন।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস: ড্রেক তার সঙ্গীত জীবনে এ পর্যন্ত ৪টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন, যার মধ্যে সেরা র‍্যাপ অ্যালবাম এবং সেরা র‍্যাপ গান ক্যাটাগরিতে পুরস্কার রয়েছে।
  • বিলবোর্ড রেকর্ডস: তিনি বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে সর্বাধিক সংখ্যক টপ ১০ সিঙ্গেল (৭০টির বেশি) এবং সর্বাধিক সংখ্যক চার্ট এন্ট্রি (৩০৬টির বেশি) সহ অসংখ্য রেকর্ড স্থাপন করেছেন। তিনি প্রথম একক পুরুষ শিল্পী যিনি বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে ২০০টির বেশি এন্ট্রি পেয়েছেন।
  • স্ট্রিমিং রেকর্ডস: ড্রেক স্পটিফাই এবং অ্যাপল মিউজিকের মতো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে একাধিকবার সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম হওয়া শিল্পী হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। তার অ্যালবামগুলো প্রকাশের পরপরই বিশ্বব্যাপী স্ট্রিমিং রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
  • অ্যালবাম সাফল্য: তার একাধিক অ্যালবাম বিলবোর্ড ২০০ চার্টের শীর্ষে অবস্থান করেছে এবং ডায়মন্ড বা মাল্টি-প্ল্যাটিনাম স্ট্যাটাস অর্জন করেছে। ভিউস অ্যালবামটি টানা ১৩ সপ্তাহ ধরে বিলবোর্ড ২০০ চার্টের শীর্ষে ছিল, যা একটি বিরল অর্জন।
  • সাংস্কৃতিক প্রভাব: ড্রেক তার র‍্যাপ-সিংগিং শৈলী এবং আবেগপূর্ণ গীতিকবিতার মাধ্যমে হিপ-হপ এবং আরএন্ডবি সঙ্গীতকে নতুন দিকে পরিচালিত করেছেন। তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শিল্পী ও শ্রোতাদের প্রভাবিত করে চলেছেন।
  • উদ্যোক্তা: OVO সাউন্ড রেকর্ড লেবেল, OVO পোশাক ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক বিনিয়োগের মাধ্যমে ড্রেক একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবন

ড্রেক তার ব্যক্তিগত জীবনকে কিছুটা আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন, তবে তার সম্পর্ক এবং পারিবারিক জীবন প্রায়শই গণমাধ্যমের আলোচনায় আসে। তিনি ফরাসি শিল্পী সোফি ব্রুসাক্সের সাথে তার সম্পর্ক থেকে অ্যাডোনিস গ্রাহাম নামে একটি পুত্রসন্তানের জনক। ২০১৮ সালে তার অ্যালবাম স্করপিয়ন-এ তিনি প্রথমবার তার পুত্র সম্পর্কে জনসমক্ষে কথা বলেন। ড্রেক তার ছেলেকে নিয়ে বেশ গর্বিত এবং প্রায়শই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি শেয়ার করেন।

ড্রেক তার জন্মস্থান টরন্টোর প্রতি গভীর ভালোবাসা পোষণ করেন এবং শহরটিকে প্রায়শই তার সঙ্গীতের মাধ্যমে তুলে ধরেন। তিনি টরন্টো র‍্যাপ্টরস বাস্কেটবল দলের একজন গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর এবং একজন অনুরাগী। টরন্টোতে তার একটি বিলাসবহুল প্রাসাদ রয়েছে, যা তার ব্যক্তিগত রুচির প্রতিফলন। বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রমেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, বিশেষ করে তার জন্মস্থানের সম্প্রদায়ের উন্নয়নে।

মজার তথ্য

  • ড্রেকের আসল নাম অব্রে ড্রেক গ্রাহাম, এবং তিনি তার মঞ্চ নাম হিসেবে তার মধ্য নামটি ব্যবহার করেন।
  • তিনি একজন ইহুদি এবং তার ইহুদি ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত। তার বাবা একজন আফ্রিকান-আমেরিকান ক্যাথলিক এবং মা একজন শ্বেতাঙ্গ ইহুদি।
  • ড্রেক ডেগ্রাসি: দ্য নেক্সট জেনারেশন সিরিজে জিমি ব্রুকস চরিত্রে অভিনয় করার জন্য প্রতি পর্বে মাত্র $১৮২ ডলার পেতেন।
  • তিনি তার প্রথম মিক্সটেপ রুম ফর ইম্প্রুভমেন্ট (২০০৬) তার মাইস্পেস প্রোফাইলে প্রকাশ করেছিলেন।
  • ড্রেক তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ড ভেঙেছেন, যার মধ্যে বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে সর্বাধিক সংখ্যক টপ ১০ সিঙ্গেল এবং সর্বাধিক সংখ্যক এন্ট্রি অন্যতম।
  • তার টরন্টোর বাড়িতে একটি পূর্ণ আকারের বাস্কেটবল কোর্ট, একটি ইনডোর সুইমিং পুল এবং একটি বিশাল রেকর্ডিং স্টুডিও রয়েছে।
  • ড্রেক তার সঙ্গীত জীবনে বেশ কয়েকটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, যেমন চ্যাম্পাগন প্যাপি (Champagne Papi) এবং সিক্স গড (Six God), যা টরন্টোর স্থানীয় নাম।

উপসংহার

ড্রেক কেবল একজন সঙ্গীতশিল্পী নন, তিনি একটি সাংস্কৃতিক ঘটনা। তার সঙ্গীত, তার ব্যবসায়িক বুদ্ধি এবং তার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তাকে আধুনিক বিনোদন শিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। হিপ-হপ এবং আরএন্ডবি-এর সীমানা ভেঙে, তিনি এমন একটি সঙ্গীত তৈরি করেছেন যা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের সাথে অনুরণিত হয়। তার ক্যারিয়ার প্রমাণ করে যে কঠোর পরিশ্রম, উদ্ভাবন এবং নিজের প্রতি সত্য থাকার মাধ্যমে যেকোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা অর্জন করা সম্ভব। ড্রেক তার প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন এবং নিঃসন্দেহে আগামী বছরগুলোতেও তার সঙ্গীত ও শিল্পকর্মের মাধ্যমে বিশ্বকে মুগ্ধ করবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: ড্রেকের আসল নাম কী?

উত্তর: ড্রেকের আসল নাম অব্রে ড্রেক গ্রাহাম। তিনি তার মধ্য নামটি মঞ্চ নাম হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন।

প্রশ্ন: ড্রেক কোন দেশের শিল্পী?

উত্তর: ড্রেক কানাডার টরন্টোতে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তিনি একজন কানাডিয়ান শিল্পী। তিনি প্রায়শই তার সঙ্গীতে টরন্টো শহরকে 'সিক্স' (The Six) নামে উল্লেখ করেন।

প্রশ্ন: ড্রেক কিভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন?

উত্তর: ড্রেক প্রাথমিকভাবে ডেগ্রাসি: দ্য নেক্সট জেনারেশন টেলিভিশন সিরিজে অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। পরবর্তীতে তার মিক্সটেপ সো ফার গন এবং ইয়াং মানি এন্টারটেইনমেন্টের সাথে চুক্তির পর তিনি সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

প্রশ্ন: ড্রেকের উল্লেখযোগ্য কিছু গান কী কী?

উত্তর: ড্রেকের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে “হটলাইন ব্লিঙ্গ”, “ওয়ান ড্যান্স”, “গড’স প্ল্যান”, “ইন মাই ফিলিংস”, “কিকস মার্সি”, “বেস্ট আই এভার হ্যাড” এবং “টেক কেয়ার”।

প্রশ্ন: ড্রেক কতগুলো গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন?

উত্তর: ড্রেক তার সঙ্গীত জীবনে এ পর্যন্ত ৪টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। তার প্রথম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড ছিল ২০১১ সালের টেক কেয়ার অ্যালবামের জন্য।

প্রশ্ন: ড্রেকের নিজস্ব রেকর্ড লেবেলের নাম কী?

উত্তর: ড্রেকের নিজস্ব রেকর্ড লেবেলের নাম OVO সাউন্ড (OVO Sound)। তিনি তার দীর্ঘদিনের সহযোগী অলিভার এল-খতিব এবং ৪০ (নোয়াহ “৪০” শেবিব) এর সাথে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রশ্ন: ড্রেকের ছেলে আছে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, ড্রেকের একটি ছেলে আছে যার নাম অ্যাডোনিস গ্রাহাম। ২০১৮ সালে তার স্করপিয়ন অ্যালবামে তিনি প্রথমবার তার পুত্র সম্পর্কে জনসমক্ষে কথা বলেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]