তথ্যসারণি
| নাম | টমাস স্ট্যানলি হল্যান্ড |
|---|---|
| পরিচিত | টম হল্যান্ড |
| জাতীয়তা | ব্রিটিশ |
| জন্ম | ১ জুন ১৯৯৬ |
| জন্মস্থান | কিংস্টন আপন টেমস, লন্ডন, ইংল্যান্ড |
| পেশা | অভিনেতা |
| পরিচিতি | স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে অভিনয় |
| উল্লেখযোগ্য কাজ | দ্য ইম্পসিবল, স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং, স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম |
পরিচিতি
টম হল্যান্ড, পুরো নাম টমাস স্ট্যানলি হল্যান্ড, একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান ব্রিটিশ অভিনেতা যিনি তার প্রাণবন্ত অভিনয় এবং ব্যতিক্রমী ক্যারিশমার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন। বিশেষ করে মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স (MCU)-এ পিটার পার্কার ওরফে স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে অভিনয় করে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে এক আইকনে পরিণত হয়েছেন। তার অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল মঞ্চে, যেখানে তিনি 'বিলি এলিয়ট দ্য মিউজিক্যাল'-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এরপর তিনি ধীরে ধীরে হলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন এবং বর্তমানে বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল তরুণ অভিনেতাদের একজন হিসেবে বিবেচিত।

Photo: Wikimedia Commons
View Source
হল্যান্ড শুধু তার সুপারহিরো চরিত্রের জন্যই নন, বরং 'দ্য ইম্পসিবল' এবং 'চেরি'-এর মতো চলচ্চিত্রে তার গভীর এবং সংবেদনশীল অভিনয়ের জন্যও প্রশংসিত হয়েছেন। তার অভিনয় দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা এবং সহজাত আকর্ষণ তাকে দ্রুত তারকাখ্যাতি এনে দিয়েছে। ব্রিটিশ এই অভিনেতা তার ব্যক্তিগত জীবন এবং সামাজিক কাজের জন্যও মানুষের কাছে প্রিয়।
প্রারম্ভিক জীবন
টমাস স্ট্যানলি হল্যান্ড ১৯৯৬ সালের ১ জুন লন্ডনের কিংস্টন আপন টেমসে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ডমিনিক হল্যান্ড একজন সুপরিচিত কৌতুক অভিনেতা ও লেখক এবং মা নিকোলা এলিজাবেথ ফ্রস্ট একজন ফটোগ্রাফার। টমের তিন ছোট ভাই রয়েছে: স্যাম, হ্যারি এবং প্যাডি। শৈশব থেকেই টম শিল্পের প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং মাত্র নয় বছর বয়সে নাচের ক্লাসে ভর্তি হন।
তার নাচের প্রতিভা দ্রুতই একজন কোরিওগ্রাফারের নজরে আসে, যিনি তাকে লন্ডনের ভিক্টোরিয়া প্যালেস থিয়েটারে 'বিলি এলিয়ট দ্য মিউজিক্যাল'-এর জন্য অডিশন দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। দীর্ঘ দুই বছরের কঠোর প্রশিক্ষণ এবং আটটি অডিশনের পর, ২০০৮ সালে তিনি মাইকেল নামের একটি পার্শ্ব চরিত্রে সুযোগ পান। সেই একই বছরের সেপ্টেম্বরে তাকে বিলি এলিয়টের প্রধান চরিত্রে উন্নীত করা হয়, এবং তিনি ২০১০ সাল পর্যন্ত এই চরিত্রে অভিনয় করেন। মঞ্চে তার এই অভিজ্ঞতা তাকে অভিনয়ের জগতে এক মজবুত ভিত্তি এনে দেয় এবং তার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের পথ খুলে দেয়।
শিক্ষাজীবন
টম হল্যান্ড তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন ডনহেড প্রিপারেটরি স্কুলে। এরপর তিনি উইম্বল্ডন কলেজে ভর্তি হন, যেখানে তিনি ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। অভিনয়ের প্রতি তার গভীর আগ্রহ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তাকে পারফর্মিং আর্টস-এর দিকে ধাবিত করে। ২০১২ সালে তিনি ব্রিটিশ স্কুল ফর পারফর্মিং আর্টস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (BRIT School) ভর্তি হন, যা যুক্তরাজ্যের অন্যতম বিখ্যাত পারফর্মিং আর্টস প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে তিনি তার অভিনয় দক্ষতা আরও শাণিত করার সুযোগ পান, যা তাকে পেশাদার অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করে।
ক্যারিয়ার
টম হল্যান্ডের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল মঞ্চ থেকে, কিন্তু খুব দ্রুতই তিনি নিজেকে চলচ্চিত্রের জগতে প্রতিষ্ঠিত করেন।
মঞ্চ থেকে রূপালী পর্দা
২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত 'বিলি এলিয়ট দ্য মিউজিক্যাল'-এ তার সফল মঞ্চ পরিবেশনার পর, টম হল্যান্ড চলচ্চিত্রের দিকে মনোযোগ দেন। তার প্রথম বড় পর্দার অভিষেক ঘটে ২০১২ সালের বিপর্যয়মূলক নাটক 'দ্য ইম্পসিবল'-এর মাধ্যমে। এই ছবিতে তিনি একজন কিশোর পর্যটকের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যে সুনামিতে আটকা পড়ে। তার এই অভিনয় সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল এবং তিনি গোয়া অ্যাওয়ার্ডে সেরা নবাগত অভিনেতার জন্য মনোনীত হন। এই ছবিটি তাকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দেয় এবং অভিনয়ে পূর্ণকালীন ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করে।
মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স এবং স্পাইডার-ম্যান
২০১৫ সালে 'ইন দ্য হার্ট অফ দ্য সী' এবং টিভি মিনিসিরিজ 'উল্ফ হল'-এর মতো প্রকল্পে কাজ করার পর, টম হল্যান্ডের ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় যখন তিনি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স (MCU)-এর পিটার পার্কার ওরফে স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে নির্বাচিত হন। এই চরিত্রের জন্য হাজার হাজার অভিনেতার মধ্য থেকে তাকে বেছে নেওয়া হয়। ২০১৬ সালের 'ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার'-এ স্পাইডার-ম্যান হিসেবে তার প্রথম উপস্থিতি দর্শকদের মন জয় করে নেয়।
এরপর তিনি একক স্পাইডার-ম্যান চলচ্চিত্র সিরিজে অভিনয় করেন: 'স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং' (২০১৭), 'স্পাইডার-ম্যান: ফার ফ্রম হোম' (২০১৯), এবং 'স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম' (২০২১)। এই চলচ্চিত্রগুলো বিশ্বব্যাপী ব্লকবাস্টার সাফল্য লাভ করে এবং টম হল্যান্ডকে বিশ্বজুড়ে এক সুপারস্টার হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়। বিশেষ করে 'স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম' চলচ্চিত্রটি কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে বক্স অফিসে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে এবং তাকে আধুনিক হলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য তারকা হিসেবে প্রমাণ করে।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজ
স্পাইডার-ম্যান ছাড়াও টম হল্যান্ড বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে 'দ্য লস্ট সিটি অফ জেড' (২০১৬), 'চেরি' (২০২১) যেখানে তিনি একজন মাদকাসক্ত সৈনিকের চরিত্রে অভিনয় করে তার অভিনয় দক্ষতার গভীরতা প্রমাণ করেন, এবং ভিডিও গেম ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'আনচার্টেড' (২০২২)। তিনি অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র 'স্পাইস ইন ডিসগাইজ', 'ডুলিটল' এবং 'অনওয়ার্ড'-এ কণ্ঠ দিয়েছেন। তার বৈচিত্র্যপূর্ণ চরিত্র নির্বাচন এবং প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাকে একজন বহুমুখী অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- বিএএফটিএ রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড: ২০১৬ সালে তিনি এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার লাভ করেন, যা তার উদীয়মান তারকাখ্যাতির স্বীকৃতি ছিল।
- স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ডস: 'স্পাইডার-ম্যান' চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি একাধিকবার সেরা তরুণ অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন।
- ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ ইউরোপ: ২০১৯ সালে তিনি ফোর্বসের '৩০ আন্ডার ৩০ ইউরোপ' তালিকায় স্থান পান, যা তার অল্প বয়সেই পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি।
- আন্তর্জাতিক খ্যাতি: 'দ্য ইম্পসিবল' চলচ্চিত্রে তার অভিনয় তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি এনে দেয় এবং 'স্পাইডার-ম্যান' চরিত্রে তিনি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
- বক্স অফিস সাফল্য: তার অভিনীত 'স্পাইডার-ম্যান' চলচ্চিত্রগুলো বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে রেকর্ড গড়েছে, যা তাকে বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে সফল অভিনেতাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ব্যক্তিগত জীবন
টম হল্যান্ড তার ব্যক্তিগত জীবনকে জনসমক্ষে খুব বেশি আনতে পছন্দ করেন না, তবে তার সম্পর্ক এবং পারিবারিক জীবন নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই। তিনি তার 'স্পাইডার-ম্যান' সহ-অভিনেত্রী জেন্ডায়ার (Zendaya) সাথে সম্পর্কে রয়েছেন, যা গণমাধ্যমে প্রায়শই আলোচিত হয়। এই জুটি তাদের সম্পর্ককে প্রাথমিকভাবে গোপন রেখেছিলেন, তবে পরবর্তীতে তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসে এবং ভক্তরা তাদের ভালোবাসার সম্পর্ককে সাদরে গ্রহণ করে।
পারিবারিক দিক থেকে টম তার বাবা-মায়ের সাথে খুব ঘনিষ্ঠ। তার বাবা ডমিনিক হল্যান্ড একজন সুপরিচিত কৌতুক অভিনেতা, যিনি টমের ক্যারিয়ারে সবসময় সমর্থন জুগিয়েছেন। টম তার তিন ছোট ভাইয়ের সাথেও অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখেন। তিনি তার পরিবারের সাথে লন্ডনে বসবাস করেন।
অভিনয়ের বাইরে টম গল্ফ খেলতে ভালোবাসেন এবং ফুটবল ক্লাব আর্সেনালের একজন বড় ভক্ত। তিনি 'দ্য ব্রাদার্স ট্রাস্ট' (The Brothers Trust) নামে একটি দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা বিভিন্ন দাতব্য কাজের জন্য তহবিল সংগ্রহ করে। এই সংস্থাটি তার পরিবার দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এর মাধ্যমে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার চেষ্টা করেন। তার বিনয়ী স্বভাব এবং দাতব্য কাজে অংশগ্রহণ তাকে ভক্তদের কাছে আরও প্রিয় করে তুলেছে।
মজার তথ্য
- নাচের প্রতিভা: অভিনেতা হওয়ার আগে টম একজন প্রশিক্ষিত নৃত্যশিল্পী ছিলেন। তার নাচের দক্ষতা 'বিলি এলিয়ট' এবং 'স্পাইডার-ম্যান' চরিত্রে অ্যাকশন দৃশ্যে তাকে দারুণভাবে সাহায্য করেছে।
- মার্ভেলের স্পয়লার কিং: টম হল্যান্ড তার মার্ভেল সিনেমার প্লট ফাঁস করে দেওয়ার জন্য পরিচিত। এই কারণে মার্ভেল স্টুডিওস তাকে প্রায়শই স্ক্রিপ্টের শুধুমাত্র তার অংশ দিত অথবা ভুয়া স্ক্রিপ্টও দিত!
- অডিশনের গল্প: স্পাইডার-ম্যান চরিত্রের জন্য অডিশনে তাকে ক্রিস ইভান্স (ক্যাপ্টেন আমেরিকা) এবং রবার্ট ডাউনি জুনিয়র (আয়রন ম্যান)-এর সাথে স্ক্রিন টেস্ট দিতে হয়েছিল।
- পোষা প্রাণী: তার একটি পিটবুল কুকুর আছে যার নাম টেস্সা। টেস্সা প্রায়শই তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দেখা যায়।
- কৌতুক অভিনেতার পুত্র: তার বাবা ডমিনিক হল্যান্ড একজন সফল কৌতুক অভিনেতা এবং লেখক। টম প্রায়শই তার বাবার কৌতুক থেকে অনুপ্রেরণা নেন।
উপসংহার
টম হল্যান্ড একজন তরুণ অভিনেতা হিসেবে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে নিজেকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করে তুলেছেন। তার ক্যারিশমা, অভিনয় দক্ষতা এবং বিভিন্ন চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাকে হলিউডের শীর্ষ তারকাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। 'স্পাইডার-ম্যান' চরিত্রে তার অভিনয় তাকে শুধু সুপারস্টার খ্যাতিই এনে দেয়নি, বরং দর্শকদের মনে এক বিশেষ স্থান করে দিয়েছে। মঞ্চ থেকে শুরু করে ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র পর্যন্ত তার যাত্রা প্রমাণ করে যে তিনি একজন পরিশ্রমী এবং নিবেদিতপ্রাণ শিল্পী।
ব্যক্তিগত জীবনে তার বিনয়, দাতব্য কাজ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তাকে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করে। টম হল্যান্ডের ক্যারিয়ার এখনও তার শিখরে পৌঁছায়নি বলা যায়, এবং আগামী দিনে তিনি আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করবেন বলে আশা করা যায়। নিঃসন্দেহে, তিনি বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম প্রভাবশালী এবং প্রিয় অভিনেতা।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: টম হল্যান্ডের পুরো নাম কি?
উত্তর: টম হল্যান্ডের পুরো নাম হলো টমাস স্ট্যানলি হল্যান্ড। তিনি তার মঞ্চ ও চলচ্চিত্র জীবনের জন্য টম হল্যান্ড নামেই বেশি পরিচিত।
প্রশ্ন: টম হল্যান্ড কোন দেশের অভিনেতা?
উত্তর: টম হল্যান্ড একজন ব্রিটিশ অভিনেতা। তিনি ইংল্যান্ডের কিংস্টন আপন টেমসে জন্মগ্রহণ করেছেন।
প্রশ্ন: টম হল্যান্ড কোন চরিত্রে অভিনয় করে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি লাভ করেছেন?
উত্তর: টম হল্যান্ড মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স (MCU)-এ পিটার পার্কার ওরফে স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি লাভ করেছেন।
প্রশ্ন: টম হল্যান্ডের প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
উত্তর: টম হল্যান্ডের প্রথম চলচ্চিত্র হলো ২০১২ সালের বিপর্যয়মূলক নাটক 'দ্য ইম্পসিবল'। এই ছবিতে তিনি তার অভিনয়ের জন্য সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিলেন।
প্রশ্ন: টম হল্যান্ডের প্রেমিকা কে?
উত্তর: টম হল্যান্ড তার 'স্পাইডার-ম্যান' সহ-অভিনেত্রী জেন্ডায়ার (Zendaya) সাথে সম্পর্কে রয়েছেন। তাদের সম্পর্ক গণমাধ্যমে বেশ আলোচিত।
প্রশ্ন: টম হল্যান্ড কি শুধু অভিনেতা নাকি অন্য কোনো প্রতিভা আছে?
উত্তর: টম হল্যান্ড একজন প্রশিক্ষিত নৃত্যশিল্পীও। অভিনেতা হওয়ার আগে তিনি নাচের ক্লাসে অংশ নিতেন এবং 'বিলি এলিয়ট দ্য মিউজিক্যাল'-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
প্রশ্ন: টম হল্যান্ডের উল্লেখযোগ্য পুরস্কার কী কী?
উত্তর: টম হল্যান্ড বিএএফটিএ রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড এবং স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য একাধিক স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। তিনি ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ ইউরোপ তালিকাতেও স্থান পেয়েছেন।
No comments:
Post a Comment