তথ্যসারণি
| নাম | স্কারলেট জোহানসন |
|---|---|
| পেশা | অভিনেত্রী, গায়িকা |
| জন্ম | ২২ নভেম্বর, ১৯৮৪ |
| জন্মস্থান | ম্যানহাটন, নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| জাতীয়তা | মার্কিন |
| উল্লেখযোগ্য চরিত্র | ব্ল্যাক উইডো (মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স) |
| স্বামী | কলিন জস্ট (২০২০-বর্তমান), রোমেন ডোরিয়াক (২০১৪-২০১৭), রায়ান রেনল্ডস (২০০৮-২০১১) |
| সন্তান | ২ জন (রোজ ডোরিয়াক, কসমো জস্ট) |
| উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র | লস্ট ইন ট্রান্সলেশন, ভিকি ক্রিস্টিনা বার্সেলোনা, হার, ম্যারেজ স্টোরি, জোজো র্যাবিট, অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজ |
পরিচিতি
স্কারলেট জোহানসন (পুরো নাম: স্কারলেট ইনগ্রিড জোহানসন) একজন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান অভিনেত্রী, যিনি তার অসাধারণ অভিনয় প্রতিভা এবং বহুমুখী চরিত্রের জন্য হলিউডে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। ১৯৮৪ সালের ২২ নভেম্বর নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে জন্মগ্রহণকারী এই তারকা তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য স্মরণীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের (MCU) ব্ল্যাক উইডো বা নাতাশা রোমানফ চরিত্রে তার অভিনয় তাকে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছে। তিনি শুধু একজন সফল অভিনেত্রীই নন, তার চলচ্চিত্রগুলো বিশ্বব্যাপী ১৫.৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে, যা তাকে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্কারলেট জোহানসন ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ছিলেন, যা তার তারকাখ্যাতি ও বক্স অফিস সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
স্কারলেট জোহানসনের জন্ম নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন বরোতে। তার বাবা কার্স্টেন জোহানসন একজন ডেনিশ স্থপতি এবং মা মেলানি স্লোয়ান একজন প্রযোজক। তার বাবা-মায়ের দিক থেকে তিনি ডেনিশ, সুইডিশ, পোলিশ এবং আশকেনাজি ইহুদি বংশোদ্ভূত। স্কারলেটের ভেনেসা নামে একজন বড় বোন, আদ্রিয়ান নামে একজন বড় ভাই এবং হান্টার নামে একজন যমজ ভাই রয়েছে। এছাড়াও তার বাবার প্রথম বিবাহ থেকে ক্রিশ্চিয়ান নামে একজন সৎ ভাই রয়েছে। শৈশব থেকেই স্কারলেট অভিনয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই তিনি আয়নার সামনে বিভিন্ন ভঙ্গি করে অভিনয় অনুশীলন করতেন। তার মা তাকে প্রায়শই অডিশনের জন্য নিয়ে যেতেন এবং এভাবেই তার অভিনয় জীবনের যাত্রা শুরু হয়।
শিক্ষাজীবন
স্কারলেট জোহানসন নিউ ইয়র্ক সিটির গ্রিনউইচ ভিলেজে অবস্থিত পি.এস. ৪১ প্রাইমারি স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে তিনি ম্যানহাটনের একটি বেসরকারি স্কুল, প্রফেশনাল চিলড্রেনস স্কুলে ভর্তি হন। এই স্কুলটি এমন শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল যারা তাদের একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি শিল্পকলার অনুশীলনও চালিয়ে যেতে চায়। স্কারলেট সেখানে অভিনয়ের উপর বিশেষ মনোযোগ দেন এবং তার প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পান। তিনি ২০০২ সালে এই স্কুল থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। যদিও তিনি নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির টিশ স্কুল অফ আর্টসে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন, তবে তিনি তার অভিনয় ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা থেকে বিরত থাকেন।
ক্যারিয়ার
স্কারলেট জোহানসনের অভিনয় জীবন শুরু হয় খুব অল্প বয়সে। ১৯৯৪ সালে মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি 'নর্থ' চলচ্চিত্রে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৯৬ সালে 'ম্যানি অ্যান্ড লো' চলচ্চিত্রে তার অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায় এবং তিনি একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন।
২০০০-এর দশকের গোড়ার দিকে তিনি তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০১ সালের 'ঘোস্ট ওয়ার্ল্ড' এবং বিশেষ করে ২০০৩ সালের সোফিয়া কপোলা পরিচালিত 'লস্ট ইন ট্রান্সলেশন' চলচ্চিত্রটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রীর জন্য বাফটা অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন এবং গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন। একই বছর 'গার্ল উইথ আ পার্ল ইয়ারিং' চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ও ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি উডি অ্যালেন পরিচালিত 'ম্যাচ পয়েন্ট', 'স্কুপ' এবং 'ভিকি ক্রিস্টিনা বার্সেলোনা' সহ বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তার বহুমুখিতা প্রমাণ করেন। ২০০৮ সালে তিনি 'দ্য আদার বলেইন গার্ল' চলচ্চিত্রে নাটালি পোর্টম্যানের সাথে অভিনয় করেন।
২০১০ সালে 'আয়রন ম্যান ২' চলচ্চিত্রে ব্ল্যাক উইডো বা নাতাশা রোমানফ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে স্কারলেট জোহানসন মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স (MCU)-এ প্রবেশ করেন। এই চরিত্রটি তাকে বিশ্বজুড়ে তারকাখ্যাতি এনে দেয় এবং তিনি 'দ্য অ্যাভেঞ্জার্স', 'ক্যাপ্টেন আমেরিকা: দ্য উইন্টার সোলজার', 'অ্যাভেঞ্জার্স: এইজ অফ আলট্রন', 'ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার', 'অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার', 'অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম' এবং তার একক চলচ্চিত্র 'ব্ল্যাক উইডো' সহ একাধিক মার্ভেল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ব্ল্যাক উইডো চরিত্রটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আইকনিক চরিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।
মার্ভেল ছাড়াও, তিনি ২০১৩ সালের চলচ্চিত্র 'হার'-এ একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভয়েস চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। ২০১৯ সালে তিনি দুটি অত্যন্ত প্রশংসিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন: 'ম্যারেজ স্টোরি' এবং 'জোজো র্যাবিট'। 'ম্যারেজ স্টোরি'তে তার অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রী হিসেবে এবং 'জোজো র্যাবিট'-এ সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে দুটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন, যা তার অভিনয় জীবনের এক বড় অর্জন। তিনি মঞ্চেও সফলভাবে অভিনয় করেছেন এবং ২০১০ সালে 'এ ভিউ ফ্রম দ্য ব্রিজ' নাটকে অভিনয়ের জন্য একটি টনি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী: ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে স্কারলেট জোহানসন বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ছিলেন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেতা: তার চলচ্চিত্রগুলো বিশ্বব্যাপী ১৫.৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে, যা তাকে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেতা হিসেবে স্থান দিয়েছে।
- বাফটা অ্যাওয়ার্ড: 'লস্ট ইন ট্রান্সলেশন' (২০০৩) চলচ্চিত্রের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার।
- টনি অ্যাওয়ার্ড: 'এ ভিউ ফ্রম দ্য ব্রিজ' (২০১০) নাটকে অভিনয়ের জন্য সেরা ফিচার্ড অভিনেত্রীর পুরস্কার।
- একাডেমি অ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন: দুটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত (২০১৯ সালে 'ম্যারেজ স্টোরি'র জন্য সেরা অভিনেত্রী এবং 'জোজো র্যাবিট'-এর জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী)।
- গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন: পাঁচটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত।
- মার্ভেল ইউনিভার্স আইকন: ব্ল্যাক উইডো চরিত্রে তার অভিনয় তাকে বিশ্বজুড়ে একটি আইকনিক অবস্থানে নিয়ে গেছে।
ব্যক্তিগত জীবন
স্কারলেট জোহানসনের ব্যক্তিগত জীবনও বেশ আলোচিত। তিনি তিনবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। ২০০৮ সালে তিনি কানাডিয়ান অভিনেতা রায়ান রেনল্ডসকে বিয়ে করেন, কিন্তু ২০১১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০১৪ সালে তিনি ফরাসি ব্যবসায়ী রোমেন ডোরিয়াককে বিয়ে করেন। এই দম্পতির রোজ ডোরিয়াক নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ২০১৭ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ২০২০ সালে স্কারলেট আমেরিকান কমেডিয়ান এবং 'স্যাটারডে নাইট লাইভ'-এর লেখক কলিন জস্টকে বিয়ে করেন। ২০২১ সালে তাদের কসমো জস্ট নামে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। স্কারলেট তার ব্যক্তিগত জীবনকে যতটা সম্ভব আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন এবং তার সন্তানদের নিয়ে একটি সাধারণ জীবন যাপন করার চেষ্টা করেন।
মজার তথ্য
- স্কারলেট জোহানসনের একটি যমজ ভাই আছে, যার নাম হান্টার জোহানসন। হান্টারও অভিনয় জগতে সংক্ষিপ্তভাবে কাজ করেছেন।
- শৈশবে তিনি ব্রডওয়ে তারকা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন এবং গান ও নাচের ক্লাস নিতেন।
- তিনি শুধু অভিনেত্রীই নন, একজন গায়িকাও। তিনি দুটি স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন – 'এনিওয়ার আই লে মাই হেড' (২০০৮) এবং 'ব্রেক আপ' (২০০৯)।
- ২০১৩ সালের চলচ্চিত্র 'হার'-এ তিনি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভয়েস চরিত্রে অভিনয় করেন। তার কণ্ঠস্বর এতটাই বাস্তবসম্মত ছিল যে অনেকে বিশ্বাস করতেন এটি একটি প্রকৃত এআই।
- স্কারলেট জোহানসনকে 'দ্য গার্ল উইথ দ্য ড্রাগন ট্যাটু' চলচ্চিত্রে লিসবেথ স্যালান্ডারের ভূমিকার জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল, কিন্তু পরিচালক ডেভিড ফিঞ্চার মনে করেছিলেন তিনি এই চরিত্রের জন্য খুব বেশি আকর্ষণীয়।
উপসংহার
স্কারলেট জোহানসন নিঃসন্দেহে বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রভাবশালী এবং প্রতিভাবান অভিনেত্রী। তার দীর্ঘ এবং সফল ক্যারিয়ার প্রমাণ করে যে তিনি শুধুমাত্র তার সৌন্দর্য দিয়ে নয়, বরং তার অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা, চরিত্রের প্রতি গভীর নিবেদন এবং বহুমুখিতা দিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন। ছোটবেলা থেকে শুরু করে হলিউডের সর্বোচ্চ চূড়ায় আরোহণ পর্যন্ত তার যাত্রা অনেক তরুণ অভিনেতার জন্য অনুপ্রেরণা। ব্ল্যাক উইডো থেকে শুরু করে স্বাধীন চলচ্চিত্রের জটিল চরিত্র পর্যন্ত, স্কারলেট জোহানসন তার প্রতিটি ভূমিকায় নিজস্বতা এবং গভীরতা যোগ করেছেন, যা তাকে হলিউডের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল এবং অবিস্মরণীয় নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: স্কারলেট জোহানসন কে?
উত্তর: স্কারলেট জোহানসন একজন বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান অভিনেত্রী, যিনি তার বহুমুখী অভিনয় এবং মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের ব্ল্যাক উইডো চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সুপরিচিত। তিনি হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম এবং তার চলচ্চিত্রগুলো বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাফল্য লাভ করেছে।
প্রশ্ন: স্কারলেট জোহানসনের সবচেয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্রগুলি কী কী?
উত্তর: তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে “লস্ট ইন ট্রান্সলেশন”, “গার্ল উইথ আ পার্ল ইয়ারিং”, “ভিকি ক্রিস্টিনা বার্সেলোনা”, “হার”, “ম্যারেজ স্টোরি”, “জোজো র্যাবিট” এবং মার্ভেল সিরিজের “অ্যাভেঞ্জার্স” ও “ব্ল্যাক উইডো” চলচ্চিত্রগুলি। এই চলচ্চিত্রগুলিতে তার অভিনয় সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
প্রশ্ন: স্কারলেট জোহানসন কি কোনো পুরস্কার জিতেছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনি একটি ব্রিটিশ একাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড (বাফটা) এবং একটি টনি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। এছাড়া তিনি দুটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড এবং পাঁচটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, যা তার অভিনয় প্রতিভার স্বীকৃতি।
প্রশ্ন: স্কারলেট জোহানসনের ব্যক্তিগত জীবন কেমন?
উত্তর: স্কারলেট জোহানসন তিনবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তার প্রথম স্বামী ছিলেন অভিনেতা রায়ান রেনল্ডস, দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন রোমেন ডোরিয়াক এবং বর্তমান স্বামী হলেন কলিন জস্ট। তার দুটি সন্তান রয়েছে, একটি কন্যা ও একটি পুত্র।
প্রশ্ন: মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে তার ভূমিকা কী?
উত্তর: মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে স্কারলেট জোহানসন “ব্ল্যাক উইডো” বা নাতাশা রোমানফ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই চরিত্রটি তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দিয়েছে এবং তিনি একাধিক অ্যাভেঞ্জার্স চলচ্চিত্রে এই ভূমিকায় কাজ করেছেন, যা তাকে সুপারহিরো আইকনে পরিণত করেছে।
প্রশ্ন: স্কারলেট জোহানসন কি কেবল একজন অভিনেত্রী?
উত্তর: না, তিনি শুধু অভিনেত্রীই নন, একজন গায়িকাও। তিনি বেশ কিছু মিউজিক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন এবং তার কণ্ঠস্বরও বেশ প্রশংসিত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন দাতব্য ও সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন: স্কারলেট জোহানসন কেন এত সফল?
উত্তর: স্কারলেট জোহানসনের সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার অসাধারণ অভিনয় প্রতিভা, বৈচিত্র্যময় চরিত্রের প্রতি তার নিবেদন এবং বক্স অফিস আকর্ষণ। তিনি স্বাধীন চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে ব্লকবাস্টার সুপারহিরো মুভি পর্যন্ত সব ধরনের চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন, যা তাকে হলিউডের অন্যতম সফল তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
No comments:
Post a Comment