Full width home advertisement

Politicians

Celebrities

Post Page Advertisement [Top]

ক্রিস হেমসওয়ার্থ, হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী একজন অভিনেতা, যিনি তার শক্তিশালী শারীরিক গঠন, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব এবং বহুমুখী অভিনয় ক্ষমতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন। বিশেষ করে মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স (MCU)-এ 'থর' চরিত্রে তার অভিনয় তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা শুধুমাত্র সুপারহিরো চরিত্রেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং বিভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্রে তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। অ্যাকশন থেকে শুরু করে কমেডি এবং ড্রামা—সবখানেই তিনি নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন, যা তাকে বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

Chris Hemsworth

Photo: Wikimedia Commons
View Source

তথ্যসারণি

পূর্ণ নাম ক্রিস্টোফার হেমসওয়ার্থ
পেশা অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক
জন্ম ১১ আগস্ট ১৯৮৩
জন্মস্থান মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া
জাতীয়তা অস্ট্রেলীয়
উচ্চতা ১.৯ মিটার (৬ ফুট ৩ ইঞ্চি)
দাম্পত্য সঙ্গী এলসা পাটাঁকি (২০১০-বর্তমান)
সন্তান ৩ জন (ইন্ডিয়া রোজ, ট্রিস্তান, সাশা)
পরিচিতি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে 'থর' চরিত্রে অভিনয়

পরিচিতি

ক্রিস হেমসওয়ার্থ, পুরো নাম ক্রিস্টোফার হেমসওয়ার্থ, একজন অস্ট্রেলীয় অভিনেতা, যিনি তার ক্যারিশম্যাটিক উপস্থিতি এবং শক্তিশালী অভিনয় দিয়ে বিশ্বব্যাপী দর্শকদের মন জয় করেছেন। ১৯৮৩ সালের ১১ আগস্ট মেলবোর্নে জন্মগ্রহণ করা এই অভিনেতা তার কর্মজীবনের শুরু থেকেই নিজেকে একজন ব্যতিক্রমী শিল্পী হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তিনি শুধু 'থর' চরিত্রেই সীমাবদ্ধ নন, বরং তার অভিনয় দক্ষতা তাকে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। হলিউডে তার আগমন অস্ট্রেলীয় টেলিভিশন থেকে, যেখানে তিনি তার প্রাথমিক অভিনয় জীবন শুরু করেন। তার বড় ভাই লুক হেমসওয়ার্থ এবং ছোট ভাই লিয়াম হেমসওয়ার্থও অভিনেতা, যা তাদের পরিবারকে এক অনন্য অভিনয় পরিবারে পরিণত করেছে। ক্রিস হেমসওয়ার্থ তার পেশাদারিত্ব, ফিটনেস এবং পারিবারিক মূল্যবোধের জন্য পরিচিত।

প্রারম্ভিক জীবন

ক্রিস হেমসওয়ার্থের জন্ম অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে, লিওনি এবং ক্রেইগ হেমসওয়ার্থের দ্বিতীয় সন্তান হিসেবে। তার মা একজন ইংরেজি শিক্ষক এবং বাবা একজন সমাজসেবা পরামর্শক। ক্রিসের শৈশব কেটেছে মেলবোর্ন এবং অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকা বুলম্যানে, যেখানে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সান্নিধ্যে থাকার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। এই বৈচিত্র্যময় পরিবেশ তার ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার পরিবার পরবর্তীতে ভিক্টোরিয়ার ফিলিপ আইল্যান্ডে স্থানান্তরিত হয়। ছোটবেলা থেকেই ক্রিস এবং তার ভাইয়েরা অভিনয়ের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। তাদের বাড়িতে প্রায়শই অভিনয় নিয়ে আলোচনা হতো এবং একে অপরের সাথে তারা বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে অনুশীলন করতেন। এই পারিবারিক উৎসাহই তাদের তিন ভাইকে অভিনয়ের জগতে নিয়ে আসে।

শিক্ষাজীবন

ক্রিস হেমসওয়ার্থ তার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা ভিক্টোরিয়ার বিভিন্ন স্কুলে সম্পন্ন করেন। তিনি মেলবোর্নের হিথমন্ট সেকেন্ডারি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। যদিও তার শিক্ষাজীবন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য খুব বেশি পাওয়া যায় না, তবে এটা স্পষ্ট যে তার মূল মনোযোগ ছিল খেলাধুলা এবং অভিনয়ের প্রতি। স্কুল জীবনে তিনি বিভিন্ন নাটকে অংশ নিতেন এবং তার অভিনয় প্রতিভাকে শানিত করার চেষ্টা করতেন। প্রথাগত অভিনয় প্রশিক্ষণ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি না থাকলেও, তার সহজাত প্রতিভা এবং কঠোর পরিশ্রম তাকে অভিনয়ের জগতে সফল হতে সাহায্য করেছে।

ক্যারিয়ার

ক্রিস হেমসওয়ার্থের অভিনয় জীবনের শুরু হয় অস্ট্রেলীয় টেলিভিশনে। ২০০২ সালে তিনি 'গুইনিভেয়ার জোনস' এবং 'নেবারস'-এর মতো টিভি সিরিজে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। তবে তার আসল ব্রেক আসে ২০০৪ সালে, যখন তিনি জনপ্রিয় অস্ট্রেলীয় সোপ অপেরা 'হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে'-তে কিম হাইড চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। এই সিরিজে তিনি ২০০৭ সাল পর্যন্ত কাজ করেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

হলিউডে তার পদার্পণ ঘটে ২০০৯ সালে, জে.জে. আব্রামসের 'স্টার ট্রেক' চলচ্চিত্রে জর্জ কার্ক চরিত্রে একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার মাধ্যমে। একই বছর তিনি 'এ পারফেক্ট গেটওয়ে' ছবিতেও অভিনয় করেন। তবে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয় ২০১১ সালের মার্ভেল স্টুডিওসের চলচ্চিত্র 'থর'। এই ছবিতে নর্স দেবতা থরের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি রাতারাতি আন্তর্জাতিক তারকা বনে যান। তার শারীরিক গঠন এবং চরিত্রের প্রতি সম্পূর্ণ নিষ্ঠা তাকে এই ভূমিকার জন্য নিখুঁত করে তুলেছিল।

এরপর থেকে ক্রিস হেমসওয়ার্থ মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন। তিনি 'দ্য অ্যাভেঞ্জার্স' (২০১২), 'থর: দ্য ডার্ক ওয়ার্ল্ড' (২০১৩), 'অ্যাভেঞ্জার্স: এইজ অফ আলট্রন' (২০১৫), 'থর: রাগনারক' (২০১৭), 'অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার' (২০১৮), 'অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম' (২০১৯) এবং 'থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার' (২০২২) সহ অসংখ্য মার্ভেল চলচ্চিত্রে থর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই চরিত্রটি তাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

মার্ভেলের বাইরেও ক্রিস হেমসওয়ার্থ তার অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি 'স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্য হান্টসম্যান' (২০১২), রেসিং ড্রামা 'রাশ' (২০১৩), যেখানে তিনি রেসিং ড্রাইভার জেমস হান্টের চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেন, এবং 'ইন দ্য হার্ট অফ দ্য সি' (২০১৫) এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। কমেডি ঘরানার চলচ্চিত্রেও তিনি সফল হয়েছেন, যেমন 'ঘোস্টবাস্টারস' (২০১৬) এবং 'মেন ইন ব্ল্যাক: ইন্টারন্যাশনাল' (২০১৯)। নেটফ্লিক্সের অ্যাকশন থ্রিলার 'এক্সট্র্যাকশন' (২০২০) এবং এর সিক্যুয়েল 'এক্সট্র্যাকশন ২' (২০২৩) তাকে একজন অ্যাকশন সুপারস্টার হিসেবে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। এই চলচ্চিত্রগুলো বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • বিশ্বব্যাপী পরিচিতি: মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে 'থর' চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন এবং একজন আইকনিক সুপারহিরো হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
  • সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা: ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকা অনুযায়ী তিনি একাধিকবার বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতাদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন।
  • পিপল ম্যাগাজিনের 'সেক্সিয়েস্ট ম্যান অ্যালাইভ': ২০১৪ সালে তিনি পিপল ম্যাগাজিন কর্তৃক 'সেক্সিয়েস্ট ম্যান অ্যালাইভ' নির্বাচিত হন।
  • অভিনয় দক্ষতার স্বীকৃতি: 'রাশ' এবং 'ইন দ্য হার্ট অফ দ্য সি'-এর মতো চলচ্চিত্রে তার শক্তিশালী অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, যা প্রমাণ করে তিনি শুধু অ্যাকশন হিরো নন, একজন নিপুণ অভিনেতাও।
  • প্রযোজনা: তিনি তার নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং 'এক্সট্র্যাকশন' সিরিজের মতো সফল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবন

ক্রিস হেমসওয়ার্থ তার ব্যক্তিগত জীবনকে বেশ নিভৃতে রাখতে পছন্দ করেন। ২০১০ সালে তিনি স্প্যানিশ মডেল ও অভিনেত্রী এলসা পাটাঁকির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের প্রথম দেখা হয় ২০০৯ সালে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তারা একে অপরের প্রেমে পড়েন। এই দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে: মেয়ে ইন্ডিয়া রোজ (জন্ম ২০১২) এবং যমজ ছেলে ট্রিস্তান ও সাশা (জন্ম ২০১৪)।

হেমসওয়ার্থ পরিবার অস্ট্রেলিয়ার বাইরন বে-তে বসবাস করে, যেখানে তারা হলিউডের গ্ল্যামার থেকে দূরে একটি শান্ত ও পারিবারিক জীবন যাপন করেন। ক্রিস একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ বাবা এবং স্বামী। তিনি প্রায়শই তার সন্তানদের সাথে খেলাধুলা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন। ফিটনেস এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা তার ব্যক্তিগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা করেন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন, যা তার পেশাদার জীবনেও প্রতিফলিত হয়। তিনি বিভিন্ন দাতব্য কাজেও জড়িত, যদিও সেগুলো তিনি খুব বেশি প্রচার করেন না।

মজার তথ্য

  • ক্রিস হেমসওয়ার্থের দুই ভাই, লুক এবং লিয়াম হেমসওয়ার্থও সফল অভিনেতা।
  • 'থর' চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রায় ২০ পাউন্ড পেশী বৃদ্ধি করেছিলেন এবং কঠোর ডায়েট অনুসরণ করেছিলেন।
  • তিনি প্রাথমিকভাবে 'ক্যাপ্টেন আমেরিকা' চরিত্রের জন্য অডিশন দিয়েছিলেন, কিন্তু সেই চরিত্রে তাকে নির্বাচিত করা হয়নি। পরে তাকে 'থর' চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
  • ক্রিস একজন আগ্রহী সার্ফার এবং সমুদ্র ভালোবাসেন। বাইরন বে-তে তার বাড়িতে তিনি প্রায়শই সার্ফিং করেন।
  • তার পরিবার যখন ছোট ছিল, তখন তারা মেলবোর্ন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত আদিবাসী এলাকায় বসবাস করত, যা তার জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
  • তিনি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে একই সুপারহিরো চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতাদের মধ্যে একজন।

উপসংহার

ক্রিস হেমসওয়ার্থের ক্যারিয়ার কেবল তার শারীরিক উপস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়, বরং তার অভিনয় দক্ষতা, চরিত্রের প্রতি নিষ্ঠা এবং বহুমুখী প্রতিভার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 'থর' চরিত্র তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি দিলেও, তিনি নিজেকে একজন বহুমুখী অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করেছেন, যিনি অ্যাকশন, কমেডি, ড্রামা—সব ধরনের চরিত্রে সাবলীল। পারিবারিক জীবন এবং পেশাদারিত্বের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি হলিউডে নিজের একটি স্থায়ী আসন তৈরি করেছেন। তার জনপ্রিয়তা এবং প্রভাব আগামী দিনেও অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে আশা করা যায়, কারণ তিনি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে চলেছেন এবং নিজেকে একজন অভিনেতা হিসেবে বিকশিত করছেন। ক্রিস হেমসওয়ার্থ শুধু একজন তারকা নন, তিনি একজন অনুপ্রেরণা, যিনি কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং প্রতিভার মাধ্যমে যেকোনো উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব তা প্রমাণ করেছেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: ক্রিস হেমসওয়ার্থ কে?

উত্তর: ক্রিস হেমসওয়ার্থ একজন জনপ্রিয় অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা, যিনি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের 'থর' চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি তার শক্তিশালী শারীরিক গঠন এবং বহুমুখী অভিনয় ক্ষমতার জন্য বিখ্যাত।

প্রশ্ন: তিনি কোন চরিত্রে বেশি পরিচিত?

উত্তর: ক্রিস হেমসওয়ার্থ মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের নর্স দেবতা 'থর' চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এই চরিত্রটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে।

প্রশ্ন: ক্রিস হেমসওয়ার্থের জন্ম কোথায়?

উত্তর: ক্রিস হেমসওয়ার্থ ১৯৮৩ সালের ১১ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। তার শৈশবের একটি অংশ অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকা বুলম্যানেও কেটেছে।

প্রশ্ন: ক্রিস হেমসওয়ার্থ কি বিবাহিত?

উত্তর: হ্যাঁ, ক্রিস হেমসওয়ার্থ ২০১০ সালে স্প্যানিশ মডেল ও অভিনেত্রী এলসা পাটাঁকিকে বিবাহ করেছেন। তাদের তিনটি সন্তান রয়েছে - এক মেয়ে ও দুই যমজ ছেলে।

প্রশ্ন: তার উল্লেখযোগ্য কিছু চলচ্চিত্র কী কী?

উত্তর: 'থর' সিরিজের চলচ্চিত্রগুলো ছাড়াও তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে 'দ্য অ্যাভেঞ্জার্স' সিরিজ, 'রাশ', 'স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্য হান্টসম্যান', 'ইন দ্য হার্ট অফ দ্য সি', 'মেন ইন ব্ল্যাক: ইন্টারন্যাশনাল', এবং 'এক্সট্র্যাকশন' সিরিজ।

প্রশ্ন: ক্রিস হেমসওয়ার্থের ভাইয়েরা কি অভিনেতা?

উত্তর: হ্যাঁ, ক্রিস হেমসওয়ার্থের দুই ভাই, লুক হেমসওয়ার্থ এবং লিয়াম হেমসওয়ার্থও সফল অভিনেতা। তারা তিন ভাই-ই হলিউডে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন।

প্রশ্ন: তিনি কি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক?

উত্তর: হ্যাঁ, ক্রিস হেমসওয়ার্থ জন্মসূত্রে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তিনি তার পরিবার নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বাইরন বে-তে বসবাস করেন।

No comments:

Post a Comment

Bottom Ad [Post Page]

| Designed by Colorlib