| তথ্যসারণি | |
|---|---|
| নাম | অ্যাঞ্জেলিনা জোলি |
| পেশা | অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, মানবতাবাদী |
| জাতীয়তা | মার্কিন |
| জন্ম | ৪ জুন ১৯৭৫ |
| জন্মস্থান | লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| পরিচিতি | হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেত্রী, অস্কার ও গোল্ডেন গ্লোব বিজয়ী, জাতিসংঘের বিশেষ দূত |
পরিচিতি
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, পুরো নাম অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ভোইট, একজন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং নিবেদিতপ্রাণ মানবতাবাদী। হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত তারকাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তার অভিনয় জীবন তাকে একটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, তিনটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড এবং একটি টনি অ্যাওয়ার্ড (প্রযোজক হিসেবে) এনে দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলি ৬.৯ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেছে, যা তাকে বক্স অফিসের সফলতম তারকাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তার মানবতাবাদী কাজের জন্যও সুপরিচিত। তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR)-এর বিশেষ দূত হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন এবং বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

Photo: Wikimedia Commons
View Source
প্রারম্ভিক জীবন
১৯৭৫ সালের ৪ জুন লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জন ভোইট একজন অস্কার বিজয়ী অভিনেতা এবং মা মার্চেলিন বার্ট্রান্ডও একজন অভিনেত্রী ও মানবতাবাদী ছিলেন। অ্যাঞ্জেলিনার যখন মাত্র এক বছর বয়স, তখন তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটে এবং তিনি তার মায়ের সাথে বড় হন। মায়ের কাছ থেকেই তিনি অভিনয় এবং মানবতাবাদের প্রতি প্রাথমিক অনুপ্রেরণা লাভ করেন। শৈশবে তিনি মাঝে মাঝে বাবার সাথে চলচ্চিত্রে কাজ করতেন, যা তাকে অভিনয় জগতের সঙ্গে পরিচিত করে তোলে। কৈশোরে অ্যাঞ্জেলিনা বেশ অস্থির সময় পার করেছেন। তিনি নিজেকে সমাজের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করতেন এবং তার পোশাক ও জীবনযাত্রায় এক ধরনের বিদ্রোহের ছাপ ছিল। এই সময়ে তিনি কিছু কঠিন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান, যা তার পরবর্তী জীবনে অনেক প্রভাব ফেলেছিল।
শিক্ষাজীবন
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তার শিক্ষাজীবনের শুরুটা বেভারলি হিলস হাই স্কুলে করেছিলেন, যেখানে তিনি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেননি। অন্যান্য শিক্ষার্থীদের আর্থিক স্বচ্ছলতার বিপরীতে তিনি নিজেকে outsider মনে করতেন। পরে তিনি মোরেনো হাই স্কুলে স্থানান্তরিত হন, যা একটি বিকল্প স্কুল ছিল। সেখানে তিনি থিয়েটার ক্লাসে যোগ দিয়েছিলেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি এই স্কুল থেকে ঝরে পড়েন। তবে, তার অভিনয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ তাকে লি স্ট্র্যাসবার্গ থিয়েটার ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়, যেখানে তিনি দুই বছর ধরে অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করেন। এই সময়ে তিনি বেশ কিছু মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন এবং নিজের অভিনয় দক্ষতা শাণিত করেন। পরবর্তীকালে, তিনি নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে ফিল্ম স্টাডিজ নিয়ে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য পড়াশোনা করেন, কিন্তু তার পেশাদার অভিনয় জীবন তাকে পূর্ণকালীন পড়াশোনা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।
ক্যারিয়ার
অ্যাঞ্জেলিনা জোলির অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৯০-এর দশকের প্রথম দিকে। তার প্রথম দিকের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে Hackers (১৯৯৫) এবং টেলিফিল্ম Gia (১৯৯৮), যার জন্য তিনি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তবে, তার সত্যিকারের ব্রেকথ্রু আসে ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত Girl, Interrupted চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে, যেখানে তিনি একজন মানসিক রোগীর চরিত্রে অভিনয় করে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।
২০০০-এর দশকে তিনি নিজেকে হলিউডের অন্যতম প্রধান অ্যাকশন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। Lara Croft: Tomb Raider (২০০১) এবং এর সিক্যুয়েল তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দেয়। এরপর তিনি Mr. & Mrs. Smith (২০০৫), Wanted (২০০৮), এবং Salt (২০১০)-এর মতো সফল অ্যাকশন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
অ্যাকশন চরিত্রের বাইরেও অ্যাঞ্জেলিনা তার নাট্যধর্মী অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। A Mighty Heart (২০০৭) চলচ্চিত্রে একজন সাংবাদিকের স্ত্রী মারিয়ানে পার্লের ভূমিকায় তার অভিনয় সমালোচকদের দ্বারা উচ্চ প্রশংসিত হয়। Changeling (২০০৮) চলচ্চিত্রে তার শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তিনি Maleficent (২০১৪) এবং এর সিক্যুয়েল Maleficent: Mistress of Evil (২০১৯) চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও জনপ্রিয়তা পান।
অভিনয়ের পাশাপাশি, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি চলচ্চিত্র নির্মাণেও হাত দিয়েছেন। তিনি In the Land of Blood and Honey (২০১১), Unbroken (২০১৪), এবং First They Killed My Father (২০১৭)-এর মতো চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন, যা তার বহুমুখী প্রতিভার প্রমাণ। তিনি Kung Fu Panda সিরিজের মতো অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রেও কণ্ঠ দিয়েছেন। তার ক্যারিয়ার জুড়ে তিনি একাধিকবার হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রী হিসেবে স্থান পেয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
- একাডেমি অ্যাওয়ার্ড: ১৯৯৯ সালে Girl, Interrupted চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে।
- গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড: তিনটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন (George Wallace, Gia এবং Girl, Interrupted-এর জন্য)।
- টনি অ্যাওয়ার্ড: ২০২৩ সালে The Outsiders নামক ব্রডওয়ে মিউজিক্যালের প্রযোজক হিসেবে সেরা মিউজিক্যাল টনি অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।
- স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ড: Girl, Interrupted-এর জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে।
- জিন হারশোল্ট হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড: ২০১৩ সালে তার মানবতাবাদী কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ একাডেমি থেকে এই বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের বিশেষ দূত: ২০০১ সাল থেকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (UNHCR) শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং ২০১২ সালে বিশেষ দূতের পদে উন্নীত হন।
- সম্মানসূচক ডেম কমান্ডার: ২০১৪ সালে ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাকে সম্মানসূচক ডেম কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড সেন্ট জর্জ উপাধিতে ভূষিত করেন, যা তার মানবতাবাদী কাজের জন্য দেওয়া হয়েছিল।
ব্যক্তিগত জীবন
অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই গণমাধ্যমের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। তিনি তিনবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তার প্রথম বিয়ে হয় ১৯৯৬ সালে অভিনেতা জনি লি মিলারের সাথে, যা ১৯৯৯ সালে বিচ্ছেদে গড়ায়। এরপর তিনি ২০০০ সালে অভিনেতা বিলি বব থর্নটনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, কিন্তু ২০০৩ সালে তাদেরও বিচ্ছেদ হয়।
তার সবচেয়ে আলোচিত সম্পর্ক ছিল অভিনেতা ব্র্যাড পিটের সাথে, যা "ব্র্যাঞ্জেলিনা" নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। ২০০৪ সালে Mr. & Mrs. Smith চলচ্চিত্রের সেটে তাদের পরিচয় হয় এবং ২০০৬ সাল থেকে তারা একসাথে বসবাস শুরু করেন। ২০১৪ সালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, কিন্তু ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়, যা বিশ্বজুড়ে তাদের ভক্তদের হতাশ করে।
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ছয় সন্তানের মা। এর মধ্যে তিনজন দত্তক সন্তান – ম্যাডক্স (কম্বোডিয়া থেকে), প্যাক্স (ভিয়েতনাম থেকে) এবং জাহারা (ইথিওপিয়া থেকে)। তার তিনজন জৈবিক সন্তান রয়েছে – শাইলো, নক্স এবং ভিভিয়েন। তিনি তার সন্তানদের নিয়ে প্রায়শই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে উপস্থিত হন এবং তাদের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটান।
স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। BRCA1 জিনের বাহক হওয়ায় স্তন ক্যান্সার এবং ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে তিনি ২০১৩ সালে প্রতিরোধমূলক দ্বিপাক্ষিক মাস্টেকটমি এবং ২০১৫ সালে ডিম্বাশয় অপসারণের অস্ত্রোপচার করান। তার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে অনেক নারীকে সচেতন করেছে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাহসী পদক্ষেপ নিতে অনুপ্রাণিত করেছে।
মজার তথ্য
- অ্যাঞ্জেলিনা জোলি একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত পাইলট এবং তার একটি ব্যক্তিগত বিমানও রয়েছে। তিনি প্রায়শই তার বিমান চালিয়ে বিভিন্ন মানবতাবাদী মিশনে যান।
- তার শরীরে অসংখ্য ট্যাটু রয়েছে, যার প্রতিটিই তার জীবনে কোনো না কোনো বিশেষ অর্থ বহন করে। এর মধ্যে কিছু ট্যাটু তার সন্তানদের জন্মস্থান বা ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক নির্দেশ করে।
- কৈশোরে তিনি ছুরি সংগ্রহ করতে ভালোবাসতেন এবং এটি তার একটি অদ্ভুত শখ ছিল।
- তিনি একবার লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে ক্লাস নিয়েছিলেন, যেখানে তিনি নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেন।
- তার প্রথম চুম্বন ঘটেছিল তার ভাই জেমস হ্যাভেনের সাথে, যা একটি চলচ্চিত্র দৃশ্যের অংশ ছিল।
- তিনি তার মা মার্চেলিন বার্ট্রান্ডকে তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা মনে করেন।
উপসংহার
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি কেবল একজন সফল অভিনেত্রী নন, তিনি একজন অনুপ্রেরণাদায়ী মানবতাবাদী এবং একজন শক্তিশালী নারী যিনি তার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সচেষ্ট। তার অভিনয় দক্ষতা তাকে অগণিত পুরস্কার এনে দিয়েছে এবং তাকে হলিউডের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দিয়েছে। তবে, তার সত্যিকারের উত্তরাধিকার নিহিত রয়েছে তার অক্লান্ত মানবতাবাদী প্রচেষ্টায়, যেখানে তিনি শরণার্থী, নারী এবং শিশুদের অধিকার রক্ষায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। সিনেমার পর্দা থেকে শুরু করে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চল পর্যন্ত, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তার সহানুভূতি, সাহস এবং দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন যে খ্যাতি এবং প্রভাবকে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, বৃহত্তর মানব কল্যাণের জন্যও ব্যবহার করা সম্ভব।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি কে?
উত্তর: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি একজন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং মানবতাবাদী। তিনি তার অভিনয় দক্ষতা এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের বিশেষ দূত হিসেবে মানবতাবাদী কাজের জন্য পরিচিত।
প্রশ্ন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলি কী কী?
উত্তর: তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে Girl, Interrupted, Lara Croft: Tomb Raider, Mr. & Mrs. Smith, Changeling, এবং Maleficent। এই চলচ্চিত্রগুলি তাকে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি এনে দিয়েছে।
প্রশ্ন: তিনি কি কোনো মানবতাবাদী কাজের সাথে যুক্ত?
উত্তর: হ্যাঁ, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি একজন নিবেদিতপ্রাণ মানবতাবাদী। তিনি ২০০১ সাল থেকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (UNHCR) সাথে যুক্ত এবং ২০১২ সাল থেকে বিশেষ দূত হিসেবে কাজ করছেন।
প্রশ্ন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি কি কোনো পুরস্কার জিতেছেন?
উত্তর: তিনি একটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, তিনটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড, একটি টনি অ্যাওয়ার্ড এবং আরও অনেক সম্মাননা জিতেছেন। তার মানবতাবাদী কাজের জন্য তিনি জিন হারশোল্ট হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন।
প্রশ্ন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কিছু তথ্য দিন।
উত্তর: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিনবার বিয়ে করেছেন এবং অভিনেতা ব্র্যাড পিটের সাথে তার সম্পর্ক বিশেষভাবে আলোচিত ছিল। তিনি ছয় সন্তানের মা, যাদের মধ্যে তিনজন দত্তক এবং তিনজন জৈবিক।
প্রশ্ন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সন্তানদের নাম কী?
উত্তর: অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ছয় সন্তানের নাম হলো ম্যাডক্স, প্যাক্স, জাহারা (দত্তক) এবং শাইলো, নক্স, ভিভিয়েন (জৈবিক)।
প্রশ্ন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি কি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনাও করেছেন। তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে In the Land of Blood and Honey, Unbroken এবং First They Killed My Father।
No comments:
Post a Comment